
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হলে আবারও ‘যুদ্ধ’ শুরু করতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, চলমান যুদ্ধবিরতিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মজুত করার কাজে ব্যবহার করেছে। তারা নির্দেশ পাওয়ামাত্রই হামলা চালাতে ‘মুখিয়ে আছে’।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদসহ সব ধরনের সরঞ্জাম রয়েছে... আমরা এই সময়টাকে রসদ মজুতের কাজে ব্যবহার করেছি। সম্ভবত তারাও (ইরান) কিছুটা প্রস্তুতি নিয়েছে।’
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি মেয়াদ আগামীকাল বুধবার শেষ হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প এর মেয়াদ আর বাড়াতে চান না বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই। ইরান যদি একটি চুক্তিতে আসে, তাহলে তারা নিজেদের খুব ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবে।’ আলোচনায় বসা ছাড়া ইরানি কর্মকর্তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই বলেও হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তিনি।
এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার দ্বিতীয় দফা শুরু হবে। তবে ইরান এখনো আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
ইরানের অভিযোগ, তাদের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ এবং জাহাজ জব্দের মাধ্যমে ওয়াশিংটন যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। তেহরানের কাছে ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নয়, বরং তাদের দাবি চাপিয়ে দেওয়ার একটি চেষ্টা হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলেছে, পাকিস্তানে আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়ে ইরানের কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়াটা কেবল আস্থার অভাব নয়, এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি গভীর সন্দেহবোধ থেকে সৃষ্টি।

ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হলে আবারও ‘যুদ্ধ’ শুরু করতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, চলমান যুদ্ধবিরতিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মজুত করার কাজে ব্যবহার করেছে। তারা নির্দেশ পাওয়ামাত্রই হামলা চালাতে ‘মুখিয়ে আছে’।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদসহ সব ধরনের সরঞ্জাম রয়েছে... আমরা এই সময়টাকে রসদ মজুতের কাজে ব্যবহার করেছি। সম্ভবত তারাও (ইরান) কিছুটা প্রস্তুতি নিয়েছে।’
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি মেয়াদ আগামীকাল বুধবার শেষ হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প এর মেয়াদ আর বাড়াতে চান না বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই। ইরান যদি একটি চুক্তিতে আসে, তাহলে তারা নিজেদের খুব ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবে।’ আলোচনায় বসা ছাড়া ইরানি কর্মকর্তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই বলেও হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তিনি।
এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার দ্বিতীয় দফা শুরু হবে। তবে ইরান এখনো আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
ইরানের অভিযোগ, তাদের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ এবং জাহাজ জব্দের মাধ্যমে ওয়াশিংটন যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। তেহরানের কাছে ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নয়, বরং তাদের দাবি চাপিয়ে দেওয়ার একটি চেষ্টা হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলেছে, পাকিস্তানে আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়ে ইরানের কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়াটা কেবল আস্থার অভাব নয়, এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি গভীর সন্দেহবোধ থেকে সৃষ্টি।

ইবোলার বর্তমান স্ট্রেইনের এই প্রাদুর্ভাবকে ‘আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। আক্রান্তদের জন্য কোনো অনুমোদিত ওষুধ বা টিকা না থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ধর্মঘটের কারণে রাজধানী নাইরোবির প্রধান সড়কগুলো প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
স্যান ডিয়েগোর শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা স্কট ওয়াল রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ঠিক কী কারণে এই হামলা ঘটল— সে সম্পর্কে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মুসলিমদের প্রতি ঘৃণাপূর্ণ মনোভাবই এ হামলার কারণ।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র যদি কিউবার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযান চালায়, তাহলে ‘রক্তের বন্যা বয়ে যাবে’ বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল। তিনি বলেছেন, যার পরিণতি হবে আন্তর্জাতিক শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ভয়াবহ ও অপরিমেয়।
১৬ ঘণ্টা আগে