
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে একটি শান্তি চুক্তির রূপরেখায় সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দেশ দুটির মধ্যে এই প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। আজ শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এমনটাই জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানান, পাকিস্তান ইতোমধ্যেই একটি ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর পরপরই আগামী সপ্তাহে শুরু হবে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় শেহবাজ শরিফ লিখেছেন, 'আমরা একটি শান্তি চুক্তির ইতিহাসের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাকিস্তান চুক্তিটি অবিলম্বে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এর পরপরই আগামী সপ্তাহে কারিগরি স্তরের আলোচনা শুরু হবে।' তিনি আরও যোগ করেন, 'আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, এই ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিটি স্থায়ী শান্তির জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করবে।'
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। এর জবাবে পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরান পালটা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। একই সময়ে লেবাননের হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা ইসরায়েলে রকেট হামলা শুরু করলে, ইসরায়েল ও ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।
গত তিন মাসের এই যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, যার সিংহভাগই ইরান ও লেবাননে। এর পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি বড় ধরনের ধাক্কা খায়।
কী আছে এই চুক্তিতে?
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, চুক্তিতে এখনো কিছু পরিবর্তনের সুযোগ থাকলেও, এই সাময়িক চুক্তিটি প্রমাণ করে যে ইরান এই সংঘাত থেকে আরও শক্তিশালী হয়ে আবির্ভূত হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই যুদ্ধে ইরানই বিজয়ী হয়েছে।'
তবে আরাগচির এই মন্তব্যের মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। রয়টার্সকে দেওয়া একটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে আসা ইরানের বেশ কয়েকটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ (আত্মঘাতী ড্রোন) গুলি করে ভূপাতিত করেছে মার্কিন বাহিনী। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই সূত্রটি জানায়, ড্রোনগুলো ওই অঞ্চলের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য বড় হুমকি ছিল। পরে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, বর্তমানে সমুদ্রপথটি সম্পূর্ণ সচল ও নিরাপদ রয়েছে।
এদিকে শান্তি আলোচনার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন পক্ষের সূত্রগুলো রয়টার্সকে জানিয়েছে, প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী— অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হবে। এরপরই আলোচনা শুরু হবে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে। উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের অজুহাত দিয়েই মূলত যুদ্ধ শুরু করেছিলেন।
হোয়াইট হাউজের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের বলেন, এই চুক্তিটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মূল লক্ষ্যগুলো পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং পরবর্তী আলোচনার পরিবেশকে 'খুবই ভালো একটি অবস্থানে' নিয়ে গেছে।
রয়টার্সের হাতে আসা চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেয়, তবে বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র তাদের জব্দ করা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ ছাড় দেওয়া শুরু করবে এবং দেশটির তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে।
পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে মূল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন ওই কর্মকর্তার দাবি, এই চুক্তির চূড়ান্ত পরিণতি হবে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ বা ধ্বংস করা। একই সঙ্গে ইরানের কাছে থাকা উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ ধ্বংস এবং তা দেশ থেকে অপসারণ করা হবে।
তবে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করার বিষয়টি মেনে নেয়নি। তারা এই ইউরেনিয়াম নিষ্ক্রিয় বা তরলীকৃত অবস্থায় নিজেদের কাছেই রেখে দিতে চায়।
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, এই প্রস্তাবের মধ্যে তেহরানের জন্য যুদ্ধকালীন সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণ এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বিধিনিষেধের দাবি প্রত্যাহারের বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে মার্কিন প্রশাসন এই দাবিটি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।

দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে একটি শান্তি চুক্তির রূপরেখায় সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দেশ দুটির মধ্যে এই প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। আজ শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এমনটাই জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানান, পাকিস্তান ইতোমধ্যেই একটি ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর পরপরই আগামী সপ্তাহে শুরু হবে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় শেহবাজ শরিফ লিখেছেন, 'আমরা একটি শান্তি চুক্তির ইতিহাসের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাকিস্তান চুক্তিটি অবিলম্বে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এর পরপরই আগামী সপ্তাহে কারিগরি স্তরের আলোচনা শুরু হবে।' তিনি আরও যোগ করেন, 'আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, এই ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিটি স্থায়ী শান্তির জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করবে।'
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। এর জবাবে পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরান পালটা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। একই সময়ে লেবাননের হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা ইসরায়েলে রকেট হামলা শুরু করলে, ইসরায়েল ও ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।
গত তিন মাসের এই যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, যার সিংহভাগই ইরান ও লেবাননে। এর পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি বড় ধরনের ধাক্কা খায়।
কী আছে এই চুক্তিতে?
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, চুক্তিতে এখনো কিছু পরিবর্তনের সুযোগ থাকলেও, এই সাময়িক চুক্তিটি প্রমাণ করে যে ইরান এই সংঘাত থেকে আরও শক্তিশালী হয়ে আবির্ভূত হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই যুদ্ধে ইরানই বিজয়ী হয়েছে।'
তবে আরাগচির এই মন্তব্যের মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। রয়টার্সকে দেওয়া একটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে আসা ইরানের বেশ কয়েকটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ (আত্মঘাতী ড্রোন) গুলি করে ভূপাতিত করেছে মার্কিন বাহিনী। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই সূত্রটি জানায়, ড্রোনগুলো ওই অঞ্চলের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য বড় হুমকি ছিল। পরে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, বর্তমানে সমুদ্রপথটি সম্পূর্ণ সচল ও নিরাপদ রয়েছে।
এদিকে শান্তি আলোচনার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন পক্ষের সূত্রগুলো রয়টার্সকে জানিয়েছে, প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী— অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হবে। এরপরই আলোচনা শুরু হবে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে। উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের অজুহাত দিয়েই মূলত যুদ্ধ শুরু করেছিলেন।
হোয়াইট হাউজের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের বলেন, এই চুক্তিটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মূল লক্ষ্যগুলো পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং পরবর্তী আলোচনার পরিবেশকে 'খুবই ভালো একটি অবস্থানে' নিয়ে গেছে।
রয়টার্সের হাতে আসা চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেয়, তবে বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র তাদের জব্দ করা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ ছাড় দেওয়া শুরু করবে এবং দেশটির তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে।
পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে মূল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন ওই কর্মকর্তার দাবি, এই চুক্তির চূড়ান্ত পরিণতি হবে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ বা ধ্বংস করা। একই সঙ্গে ইরানের কাছে থাকা উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ ধ্বংস এবং তা দেশ থেকে অপসারণ করা হবে।
তবে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করার বিষয়টি মেনে নেয়নি। তারা এই ইউরেনিয়াম নিষ্ক্রিয় বা তরলীকৃত অবস্থায় নিজেদের কাছেই রেখে দিতে চায়।
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, এই প্রস্তাবের মধ্যে তেহরানের জন্য যুদ্ধকালীন সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণ এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বিধিনিষেধের দাবি প্রত্যাহারের বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে মার্কিন প্রশাসন এই দাবিটি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।

লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তিটিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরের সম্ভাবনা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এরপরই এই যুদ্ধবিরতির খবর এলো।
২০ ঘণ্টা আগে
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জাহাজ পরিচালনাকারীদের হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করার অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সরকারি ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদনে জাহাজের সঠিক যোগাযোগ তথ্য, রুট ও সময়সূচি উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে প্রণালিতে প্রবেশ কিংবা বের
২১ ঘণ্টা আগে