
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই ইরান তাদের প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র সক্ষমতা ‘স্বাধীন দেশগুলোর’ সঙ্গে বিশেষ করে সাংহাই কোঅপারেশন অরগানাইজেশন (এসসিও)-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী রেজা তালাই-নিক।
মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
কিরগিজস্তানের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এসসিও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকে তিনি বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অর্জিত অভিজ্ঞতা সংগঠনের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তাৎক্ষণিকভাবে ইরানও পাল্টা হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা চালায় ইরানি বাহিনী। এতে অগ্নিগর্ভে পরিণত হয় গোটা মধ্যপ্রাচ্য। সেই সঙ্গে বন্ধ করে দেয় বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী। এতে গোটা বিশ্বে জ্বালানি অস্থিরতা দেখা দেয়।
টানা ৩৯ দিন যুদ্ধ শেষে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। গত ৮ এপ্রিল থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
যুদ্ধে নিজেদের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আকাশযান- বিশেষ করে ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে তেহরান।
সাময়িক যুদ্ধবিরতির সময়ে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনায় বসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সেই আলোচনা ব্যর্থ হয়।
সাময়িক ওই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলে এক রকম একক সিদ্ধান্তেই অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে আবারও আলোচনায় বসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ইরান দ্বিতীয় দফায় আলোচনায় বসতে রাজি হয়নি।
এদিকে, বৈঠকের ফাঁকে ইরানি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাশিয়া ও বেলারুশের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। মস্কো ও মিনস্ক উভয়ই তেহরানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এ ধরনের অবস্থান আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোটকে আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিত দেয় এবং পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নতুন কৌশলগত বার্তা বহন করে। সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স
রাজনীতি/একে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই ইরান তাদের প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র সক্ষমতা ‘স্বাধীন দেশগুলোর’ সঙ্গে বিশেষ করে সাংহাই কোঅপারেশন অরগানাইজেশন (এসসিও)-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী রেজা তালাই-নিক।
মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
কিরগিজস্তানের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এসসিও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকে তিনি বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অর্জিত অভিজ্ঞতা সংগঠনের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তাৎক্ষণিকভাবে ইরানও পাল্টা হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা চালায় ইরানি বাহিনী। এতে অগ্নিগর্ভে পরিণত হয় গোটা মধ্যপ্রাচ্য। সেই সঙ্গে বন্ধ করে দেয় বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী। এতে গোটা বিশ্বে জ্বালানি অস্থিরতা দেখা দেয়।
টানা ৩৯ দিন যুদ্ধ শেষে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। গত ৮ এপ্রিল থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
যুদ্ধে নিজেদের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আকাশযান- বিশেষ করে ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে তেহরান।
সাময়িক যুদ্ধবিরতির সময়ে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনায় বসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সেই আলোচনা ব্যর্থ হয়।
সাময়িক ওই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলে এক রকম একক সিদ্ধান্তেই অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে আবারও আলোচনায় বসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ইরান দ্বিতীয় দফায় আলোচনায় বসতে রাজি হয়নি।
এদিকে, বৈঠকের ফাঁকে ইরানি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাশিয়া ও বেলারুশের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। মস্কো ও মিনস্ক উভয়ই তেহরানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এ ধরনের অবস্থান আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোটকে আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিত দেয় এবং পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নতুন কৌশলগত বার্তা বহন করে। সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স
রাজনীতি/একে

ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ নেতারা। তারা এই সমঝোতাকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এতদ্বারা হরমুজ প্রণালি কোনো টোল বা শুল্ক ছাড়াই উন্মুক্ত করার পূর্ণ অনুমোদন দিচ্ছি এবং একই সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিচ্ছি।’ বিশ্ববাসীর উদ্দেশে নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ট্রাম্প আরও যোগ করেন, ‘বিশ্বের জাহাজগুলো, তোমাদের ইঞ্জিন চালু করো। এবার তেল স
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানি এক কর্মকর্তার বরাতে রোববার (১৪ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পারমাণবিক ইস্যুর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ফের চালু, নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়গুলোও খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
সার্ভেতে আয় বৈষম্য বৃদ্ধির বিষয়টিও উঠে এসেছে। পাশাপাশি একটি পৃথক বিশ্লেষণে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ধাক্কা কিংবা ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিলে লাখ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
১ দিন আগে