
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

তুরস্কের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের জন্য নিজেদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে একরেম ইমামোলুকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে দেশটির প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি)। ইমামোলু বর্তমানে দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে বন্দি।
ইমামোলুর দল ও সমর্থকদের অভিযোগ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান পিপলস পার্টির এই নেতাকে নিজের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করেন। তার গ্রেপ্তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ২০২৮ সালে তুরস্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
বিবিসি ও এএফপির খবরে বলা হয়, গত বুধবার (১৯ মার্চ) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছিল মেয়র একরেম ইমামোলুকে। রোববার (২৩ মার্চ) তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে মারমারা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যেই সোমবার (২৪ মার্চ) তাকে নিজেদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ঘোষণা করেছে সিএইচপি।
ইমামোলুর গ্রেপ্তারের খবরে বুধবার থেকেই তুরস্কের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করছেন তার সমর্থকরা। সোমবার বিকেল থেকে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী ষষ্ঠ দিনের মতো ইস্তাম্বুলের কেন্দ্রে জড়ো হন। রোববার এখানেই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। বিক্ষোভ হয়েছে রাজধানী আঙ্কারাতেও।
বিক্ষোভকারীদের ‘শয়তান’ হিসেবে বর্ণনা করেছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। তারা ‘সহিংসতার আন্দোলন’ করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।

ইমামোলুকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করছে তার দল সিএইচপি। ছবি: সংগৃহীত
অন্যদিকে ইমামোলুর সমর্থকরা বলছেন, এরদোয়ান ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইমামোলুকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হয়েছেন। গত কয়েকদিনের আন্দোলনে ইমামোলুর সমর্থনে রাস্তায় নামা হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তুরস্কের গণমাধ্যমগুলোতে ইমামোলুর গ্রেপ্তার, এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও হয়রানির খবর সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ ইমামোলুর সমর্থকদের। এ কারণে তারা গণমাধ্যম বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছেন।

তুরস্কের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের জন্য নিজেদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে একরেম ইমামোলুকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে দেশটির প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি)। ইমামোলু বর্তমানে দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে বন্দি।
ইমামোলুর দল ও সমর্থকদের অভিযোগ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান পিপলস পার্টির এই নেতাকে নিজের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করেন। তার গ্রেপ্তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ২০২৮ সালে তুরস্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
বিবিসি ও এএফপির খবরে বলা হয়, গত বুধবার (১৯ মার্চ) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছিল মেয়র একরেম ইমামোলুকে। রোববার (২৩ মার্চ) তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে মারমারা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যেই সোমবার (২৪ মার্চ) তাকে নিজেদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ঘোষণা করেছে সিএইচপি।
ইমামোলুর গ্রেপ্তারের খবরে বুধবার থেকেই তুরস্কের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করছেন তার সমর্থকরা। সোমবার বিকেল থেকে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী ষষ্ঠ দিনের মতো ইস্তাম্বুলের কেন্দ্রে জড়ো হন। রোববার এখানেই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। বিক্ষোভ হয়েছে রাজধানী আঙ্কারাতেও।
বিক্ষোভকারীদের ‘শয়তান’ হিসেবে বর্ণনা করেছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। তারা ‘সহিংসতার আন্দোলন’ করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।

ইমামোলুকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করছে তার দল সিএইচপি। ছবি: সংগৃহীত
অন্যদিকে ইমামোলুর সমর্থকরা বলছেন, এরদোয়ান ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইমামোলুকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হয়েছেন। গত কয়েকদিনের আন্দোলনে ইমামোলুর সমর্থনে রাস্তায় নামা হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তুরস্কের গণমাধ্যমগুলোতে ইমামোলুর গ্রেপ্তার, এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও হয়রানির খবর সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ ইমামোলুর সমর্থকদের। এ কারণে তারা গণমাধ্যম বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছেন।

শনিবার তেহরানে অনুষ্ঠিত ‘ইমাম খামেনেয়ী; প্রতিরোধের চিরন্তন নেতা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন পেজেশকিয়ান। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে পার্সটুডে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, খামেনির তিন ছেলে— মোস্তাফা, মেইসাম ও মাসউদ খামেনি তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে বাবার কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে জানাজার নামাজে অংশ নিচ্ছেন। তবে উত্তরসূরি মোজতবা খামেনির কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় মেয়াদের প্রায় অর্ধেক পথ পেরিয়ে আসার সময়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, তার ক্ষমতার ‘কোনো সীমা নেই’। এ মন্তব্যকে অনেকেই যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল দর্শনের সম্পূর্ণ বিপরীত বলে মনে করছেন। প্রায় আড়াই শ বছর আগে ব্রিটিশ রাজতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ঘোষণা করে যে রাষ্ট্রের জন
১৬ ঘণ্টা আগে
প্রায় ৪০ মিনিটের ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস, সামরিক শক্তি ও নিজের প্রশাসনের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমেরিকান ড্রিম ফিরে এসেছে।’ তার দাবি, বর্তমানে সামরিক বাহিনী ও পুলিশে এত বেশি মানুষ যোগ দিতে আগ্রহী যে এসব পেশায় চাকরি পাওয়া এখন ‘কঠিন’ হয়ে গেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে