
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন ঘিরে সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় আয়োজনে নেমেছে মানুষের ঢল। হাহাকার আর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে তেহরানের বাতাস। রাজধানী তেহরানে শোক মিছিলে অংশ নিয়েছে লাখ লাখ মানুষ।
আলি খামেনির জন্য নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-শিশু নির্বিশেষে লাখ লাখ মানুষের রাস্তায় নেমে আসা এবং তার জন্য কান্নায় ভেঙে পড়ার দৃশ্যে ‘বিস্মিত হয়েছেন’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, তার ধারণা ছিল ইরানের জনগণ আলি খামেনিকে ঘৃণা করে!
মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এমন মনোভাব প্রকাশ করেন। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, আলি খামেনির জন্য আয়োজিত বিদায় অনুষ্ঠানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আবেগাপ্লুত হয়ে কাঁদছেন। আরও অনেককেই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়।
এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তিনি ভেবেছিলেন ইরানের মানুষ খামেনিকে ‘ঘৃণা’ করত। তাই মানুষের কান্না দেখে তিনি ‘বিস্মিত’ হয়েছেন। এখানেই শেষ নয়, ট্রাম্প সবার কান্না নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন। বলেছেন, ‘হয়তো ওগুলো নকল কান্না।’
আলি খামেনির জানাজা ও দাফন ঘিরে যখন ইরানে সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় আয়োজন চলছে, তখন এ আয়োজন ঘিরে নতুন মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, চাইলে এক হামলাতেই ইরানের বাকি শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করা সম্ভব, কিন্তু তা করা হবে না।
অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা সবাই সেখানে আছে। একটি হামলাতেই আমরা তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে পারি। কিন্তু আমরা তা করব না, কারণ তাহলে আলোচনার জন্য আর কেউ থাকবে না। তারা চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে আছে।’
ট্রাম্প আরও জানান, খামেনির জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই আলোচনায় এক সপ্তাহের বিরতি দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষই অন্য পক্ষের ওপর হামলা চালাবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
এর আগে ট্রাম্প একই প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘আমরা ইরানকে জানাজার জন্য এক সপ্তাহের ছুটি দিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এক দিনেই ভেনেজুয়াকে হারিয়েছি এবং ইরানকে ভয়াবহভাবে আঘাত করেছি। তারা সমঝোতা করতে মরিয়া। আমরা ভালো মানুষ বলেই তাদের জানাজার জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি।’
৩৬ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম দিনই নিহত হন। তার মৃত্যুর পর থেকেই রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনের সময়সূচি নিয়ে জল্পনা চলছিল। অবশেষে ইরান ৪ জুলাই, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ২৫০তম বার্ষিকীর দিন থেকে আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে।
এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে ধর্মীয় অনুষ্ঠান হবে। পরে আলি খামেনির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে ইরাকের কারবালায়। সেখানেও বিভিন্ন শোকানুষ্ঠান শেষে ৯ জুলাই খামেনিকে তার জন্মস্থান ও ইরানের উত্তরপূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জানাজা ও শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে এরই মধ্যে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমেছে। ফলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন ঘিরে সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় আয়োজনে নেমেছে মানুষের ঢল। হাহাকার আর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে তেহরানের বাতাস। রাজধানী তেহরানে শোক মিছিলে অংশ নিয়েছে লাখ লাখ মানুষ।
আলি খামেনির জন্য নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-শিশু নির্বিশেষে লাখ লাখ মানুষের রাস্তায় নেমে আসা এবং তার জন্য কান্নায় ভেঙে পড়ার দৃশ্যে ‘বিস্মিত হয়েছেন’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, তার ধারণা ছিল ইরানের জনগণ আলি খামেনিকে ঘৃণা করে!
মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এমন মনোভাব প্রকাশ করেন। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, আলি খামেনির জন্য আয়োজিত বিদায় অনুষ্ঠানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আবেগাপ্লুত হয়ে কাঁদছেন। আরও অনেককেই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়।
এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তিনি ভেবেছিলেন ইরানের মানুষ খামেনিকে ‘ঘৃণা’ করত। তাই মানুষের কান্না দেখে তিনি ‘বিস্মিত’ হয়েছেন। এখানেই শেষ নয়, ট্রাম্প সবার কান্না নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন। বলেছেন, ‘হয়তো ওগুলো নকল কান্না।’
আলি খামেনির জানাজা ও দাফন ঘিরে যখন ইরানে সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় আয়োজন চলছে, তখন এ আয়োজন ঘিরে নতুন মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, চাইলে এক হামলাতেই ইরানের বাকি শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করা সম্ভব, কিন্তু তা করা হবে না।
অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা সবাই সেখানে আছে। একটি হামলাতেই আমরা তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে পারি। কিন্তু আমরা তা করব না, কারণ তাহলে আলোচনার জন্য আর কেউ থাকবে না। তারা চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে আছে।’
ট্রাম্প আরও জানান, খামেনির জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই আলোচনায় এক সপ্তাহের বিরতি দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষই অন্য পক্ষের ওপর হামলা চালাবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
এর আগে ট্রাম্প একই প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘আমরা ইরানকে জানাজার জন্য এক সপ্তাহের ছুটি দিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এক দিনেই ভেনেজুয়াকে হারিয়েছি এবং ইরানকে ভয়াবহভাবে আঘাত করেছি। তারা সমঝোতা করতে মরিয়া। আমরা ভালো মানুষ বলেই তাদের জানাজার জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি।’
৩৬ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম দিনই নিহত হন। তার মৃত্যুর পর থেকেই রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনের সময়সূচি নিয়ে জল্পনা চলছিল। অবশেষে ইরান ৪ জুলাই, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ২৫০তম বার্ষিকীর দিন থেকে আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে।
এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে ধর্মীয় অনুষ্ঠান হবে। পরে আলি খামেনির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে ইরাকের কারবালায়। সেখানেও বিভিন্ন শোকানুষ্ঠান শেষে ৯ জুলাই খামেনিকে তার জন্মস্থান ও ইরানের উত্তরপূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জানাজা ও শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে এরই মধ্যে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমেছে। ফলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
২১ ঘণ্টা আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
২১ ঘণ্টা আগে