
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওমান উপসাগরে মার্কিন হামলায় ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়া এবং শুল্ক সংক্রান্ত টানাপোড়েনের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে যে শীতলতা তৈরি হয়েছিল, এই বৈঠকের পর তা কাটার ইঙ্গিত মিলছে।
এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক শীতল সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এমনটাই জানা গেছে বিবিসির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘ভবিষ্যতের কোনো এক সময়’ তিনি এই সফরে যাবেন। এর পাশাপাশি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র একটি বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর খুব কাছাকাছি রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। গত বছর ভারতের ওপর শুল্ক আরোপের মার্কিন ঘোষণার পর দুই পরাশক্তির সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল।
ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহতের ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে ওঠে। ইরানি বন্দরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগে একটি ট্যাঙ্কারে মার্কিন হামলায় ওই নাবিকরা নিহত হন। বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি হরমুজ প্রণালিতে কর্মরত ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি ট্রাম্পের কাছে তুলে ধরেন।
দুই নেতা একটি বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেন। জোরপূর্বক শ্রম বন্ধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগে ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর নতুন আমদানি কর আরোপের মার্কিন ঘোষণার ফলে এই আলোচনা কিছুটা থমকে গিয়েছিল। সাংবাদিকদের ট্রাম্প মোদিকে একজন ‘কঠিন মধ্যস্থতাকারী’ হিসেবে অভিহিত করে শিগগিরই ভারত সফরের অঙ্গীকার করেন।
প্রতিরক্ষা সম্পর্কের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ভারত ‘আক্রান্ত’ হলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘সহায়তা’ করবে। মোদির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘যদি কেউ ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে, তবে আমরা সেখানে থাকব... তবে নতুন কোনো নেতা এলে আমি সে বিষয়ে নিশ্চিত নই।’
নাবিক নিহতের ঘটনায় মোদি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা না করায় নিজ দেশে বিরোধী দলগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এছাড়া কাশ্মীর ইস্যুতে ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিল্লি আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি ও এইচ-ওয়ানবি ভিসার কড়াকড়ি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে অস্বস্তি রয়েছে।
ভারত তাদের প্রয়োজনীয় তেলের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি করে। ইরান যুদ্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় দেশটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওমান উপসাগরে মার্কিন হামলায় ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়া এবং শুল্ক সংক্রান্ত টানাপোড়েনের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে যে শীতলতা তৈরি হয়েছিল, এই বৈঠকের পর তা কাটার ইঙ্গিত মিলছে।
এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক শীতল সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এমনটাই জানা গেছে বিবিসির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘ভবিষ্যতের কোনো এক সময়’ তিনি এই সফরে যাবেন। এর পাশাপাশি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র একটি বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর খুব কাছাকাছি রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। গত বছর ভারতের ওপর শুল্ক আরোপের মার্কিন ঘোষণার পর দুই পরাশক্তির সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল।
ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহতের ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে ওঠে। ইরানি বন্দরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগে একটি ট্যাঙ্কারে মার্কিন হামলায় ওই নাবিকরা নিহত হন। বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি হরমুজ প্রণালিতে কর্মরত ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি ট্রাম্পের কাছে তুলে ধরেন।
দুই নেতা একটি বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেন। জোরপূর্বক শ্রম বন্ধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগে ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর নতুন আমদানি কর আরোপের মার্কিন ঘোষণার ফলে এই আলোচনা কিছুটা থমকে গিয়েছিল। সাংবাদিকদের ট্রাম্প মোদিকে একজন ‘কঠিন মধ্যস্থতাকারী’ হিসেবে অভিহিত করে শিগগিরই ভারত সফরের অঙ্গীকার করেন।
প্রতিরক্ষা সম্পর্কের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ভারত ‘আক্রান্ত’ হলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘সহায়তা’ করবে। মোদির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘যদি কেউ ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে, তবে আমরা সেখানে থাকব... তবে নতুন কোনো নেতা এলে আমি সে বিষয়ে নিশ্চিত নই।’
নাবিক নিহতের ঘটনায় মোদি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা না করায় নিজ দেশে বিরোধী দলগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এছাড়া কাশ্মীর ইস্যুতে ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিল্লি আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি ও এইচ-ওয়ানবি ভিসার কড়াকড়ি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে অস্বস্তি রয়েছে।
ভারত তাদের প্রয়োজনীয় তেলের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি করে। ইরান যুদ্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় দেশটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৪ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তিটিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরের সম্ভাবনা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এরপরই এই যুদ্ধবিরতির খবর এলো।
২১ ঘণ্টা আগে