
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বলিভিয়ায় অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে বিমানবাহিনীর একটি কার্গো বিমান। গত শুক্রবার এল আল্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। বিধ্বস্ত বিমানটিতে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ থাকায় দুর্ঘটনাস্থলে সাধারণ মানুষের টাকা কুড়ানোর হিড়িক পড়ে যায়, যা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, বলিভীয় বিমানবাহিনীর একটি সি-১৩০ হারকিউলিস পরিবহণ বিমান এল আল্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। বিমানটি পাশের একটি প্রধান সড়কে আছড়ে পড়ে। সেখানে থাকা একটি গাড়ি ও কয়েকটি ট্রাককে দুমড়ে-মুচড়ে দেয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের ফুটেজে বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনের ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে।
জাতীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্নেল পাভেল তোভার সাংবাদিকদের বলেন, আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে এই দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ উদ্ধার করছি। এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নিহতদের মধ্যে বিমানের ক্রু সদস্য ছাড়াও সাধারণ পথচারী থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসাবশেষের নিচে আরও কেউ আটকে আছে কি না তা খতিয়ে দেখছেন।
বিমানটি ব্যাংক নোট বহন করছিল বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা রাস্তায় ছড়িয়ে পড়লে প্রত্যক্ষদর্শী ও পথচারীরা তা সংগ্রহের চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে। একই সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া অর্থ উদ্ধারে পাহারা বসায়।
বিমানটি কেন রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি বৈরী আবহাওয়া এর পেছনে দায়ী, তা খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এল আল্টো বিমানবন্দরটি বিশ্বের উচ্চতম বিমানবন্দর হওয়ায় এখানে অবতরণ সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং বলে বিবেচনা করা হয়।

বলিভিয়ায় অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে বিমানবাহিনীর একটি কার্গো বিমান। গত শুক্রবার এল আল্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। বিধ্বস্ত বিমানটিতে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ থাকায় দুর্ঘটনাস্থলে সাধারণ মানুষের টাকা কুড়ানোর হিড়িক পড়ে যায়, যা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, বলিভীয় বিমানবাহিনীর একটি সি-১৩০ হারকিউলিস পরিবহণ বিমান এল আল্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। বিমানটি পাশের একটি প্রধান সড়কে আছড়ে পড়ে। সেখানে থাকা একটি গাড়ি ও কয়েকটি ট্রাককে দুমড়ে-মুচড়ে দেয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের ফুটেজে বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনের ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে।
জাতীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্নেল পাভেল তোভার সাংবাদিকদের বলেন, আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে এই দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ উদ্ধার করছি। এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নিহতদের মধ্যে বিমানের ক্রু সদস্য ছাড়াও সাধারণ পথচারী থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসাবশেষের নিচে আরও কেউ আটকে আছে কি না তা খতিয়ে দেখছেন।
বিমানটি ব্যাংক নোট বহন করছিল বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা রাস্তায় ছড়িয়ে পড়লে প্রত্যক্ষদর্শী ও পথচারীরা তা সংগ্রহের চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে। একই সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া অর্থ উদ্ধারে পাহারা বসায়।
বিমানটি কেন রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি বৈরী আবহাওয়া এর পেছনে দায়ী, তা খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এল আল্টো বিমানবন্দরটি বিশ্বের উচ্চতম বিমানবন্দর হওয়ায় এখানে অবতরণ সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং বলে বিবেচনা করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে