
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের মধ্যে রাশিয়া বা চীন ইরানকে কোনো সহায়তা করছে না বলে মনে করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই দুই দেশ যদি ইরানের পক্ষে সরাসরি জড়িয়ে পড়ে, তবে তাদের জন্য পরিণতি ‘খুবই খারাপ’ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, সম্প্রতি বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে শি তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন—চীন বা কোনো চীনা কোম্পানি ইরানকে কোনো অস্ত্র দেবে না। অন্যদিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও তাঁকে ইয়েমেন বা ইরানে অস্ত্র বিক্রি না করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে দাবি করেন ট্রাম্প।
পরবর্তীতে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমি জানি না তারা ইরানকে কোনো গোপনে সহায়তা করছে কি না। তবে তাদের (শি ও পুতিন) কথায় আমি বিশ্বাস রাখি।”
তবে ট্রাম্পের এই মন্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত বক্তব্য দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। চলতি সপ্তাহে মার্কিন সিনেটে এক শুনানিতে তিনি বলেন, রাশিয়া ও চীন সরাসরি ও পরোক্ষভাবে বিভিন্ন উপায়ে ইরানকে সহায়তা করে যাচ্ছে।
বার বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের জন্য রাশিয়া ইরানকে স্যাটেলাইট চিত্র বা ড্রোন প্রযুক্তি সরবরাহ করেছিল কি না—তা খতিয়ে দেখছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ইতোমধ্যে ইরানকে অস্ত্র ও প্রযুক্তি সহায়তার অভিযোগে রাশিয়া ও চীনের একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন।

চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের মধ্যে রাশিয়া বা চীন ইরানকে কোনো সহায়তা করছে না বলে মনে করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই দুই দেশ যদি ইরানের পক্ষে সরাসরি জড়িয়ে পড়ে, তবে তাদের জন্য পরিণতি ‘খুবই খারাপ’ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, সম্প্রতি বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে শি তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন—চীন বা কোনো চীনা কোম্পানি ইরানকে কোনো অস্ত্র দেবে না। অন্যদিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও তাঁকে ইয়েমেন বা ইরানে অস্ত্র বিক্রি না করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে দাবি করেন ট্রাম্প।
পরবর্তীতে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমি জানি না তারা ইরানকে কোনো গোপনে সহায়তা করছে কি না। তবে তাদের (শি ও পুতিন) কথায় আমি বিশ্বাস রাখি।”
তবে ট্রাম্পের এই মন্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত বক্তব্য দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। চলতি সপ্তাহে মার্কিন সিনেটে এক শুনানিতে তিনি বলেন, রাশিয়া ও চীন সরাসরি ও পরোক্ষভাবে বিভিন্ন উপায়ে ইরানকে সহায়তা করে যাচ্ছে।
বার বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের জন্য রাশিয়া ইরানকে স্যাটেলাইট চিত্র বা ড্রোন প্রযুক্তি সরবরাহ করেছিল কি না—তা খতিয়ে দেখছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ইতোমধ্যে ইরানকে অস্ত্র ও প্রযুক্তি সহায়তার অভিযোগে রাশিয়া ও চীনের একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন।

ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
৮ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
১২ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
১৩ ঘণ্টা আগে
কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
১৬ ঘণ্টা আগে