
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানোর পক্ষপাতী নন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প; বরং তিনি মনে করেন সংকট সমাধানে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চেয়ে জরুরি হলো সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর।
মঙ্গলবার(১৪ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের শীর্ষ ওয়াশিংটন প্রতিনিধি জোনাথন কার্লকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কার্ল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন— ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছেন কি-না।
জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, “এটা যেকোনো দিকেই যেতে পারি, তবে আমি মনে করি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির চাইতে চুক্তিই শ্রেয়। কারণ, সেক্ষেত্রে তারা তাদের দেশ পুনর্গঠন করতে পারবে। তাদের এখন সত্যিই একটি ভিন্ন শাসনব্যবস্থা আছে। যা-ই ঘটুক না কেন, আমরা উগ্রপন্থিদের নির্মূল করেছি। তারা (উগ্রপন্থিরা) চলে গেছে, আর আমাদের সাথে নেই।”
ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
এই যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী যুদ্ধাবসানের দিকে নিয়ে যেতে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরকারি প্রতিনিধিরা।
বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর। কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো চুক্তিস্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে ইসলামাবাদ বৈঠক।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, শিগগিরই ফের সংলাপে বসতে যাচ্ছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। সাংবাদিক জোনাথন কার্লকে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “আমার মনে হয়, সামনের দুটি দিন আপনারা অসাধারণ কিছু দেখতে চলেছেন। আমি সত্যিই তাই মনে করি।”

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানোর পক্ষপাতী নন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প; বরং তিনি মনে করেন সংকট সমাধানে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চেয়ে জরুরি হলো সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর।
মঙ্গলবার(১৪ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের শীর্ষ ওয়াশিংটন প্রতিনিধি জোনাথন কার্লকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কার্ল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন— ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছেন কি-না।
জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, “এটা যেকোনো দিকেই যেতে পারি, তবে আমি মনে করি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির চাইতে চুক্তিই শ্রেয়। কারণ, সেক্ষেত্রে তারা তাদের দেশ পুনর্গঠন করতে পারবে। তাদের এখন সত্যিই একটি ভিন্ন শাসনব্যবস্থা আছে। যা-ই ঘটুক না কেন, আমরা উগ্রপন্থিদের নির্মূল করেছি। তারা (উগ্রপন্থিরা) চলে গেছে, আর আমাদের সাথে নেই।”
ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
এই যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী যুদ্ধাবসানের দিকে নিয়ে যেতে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরকারি প্রতিনিধিরা।
বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর। কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো চুক্তিস্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে ইসলামাবাদ বৈঠক।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, শিগগিরই ফের সংলাপে বসতে যাচ্ছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। সাংবাদিক জোনাথন কার্লকে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “আমার মনে হয়, সামনের দুটি দিন আপনারা অসাধারণ কিছু দেখতে চলেছেন। আমি সত্যিই তাই মনে করি।”

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জান
৯ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের আঘাতে নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই। সবশেষ তথ্য তুলে ধরে দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, এ সংখ্যা কমপক্ষে ১৬৪ জন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৯৭১ জন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, এই তহবিলের সিংহভাগ অর্থ, অর্থাৎ ৬৭ বিলিয়ন বা ছয় হাজার ৭০০ কোটি ডলার দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ বিলিয়ন ডলার গোলাবারুদ কেনার জন্য, ১৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার পরিচালন ব্যয় ও ১২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার গোপন বা ক্লাসিফায়েড কর্মসূচির জন্য রাখা হয়েছ
১ দিন আগে
বুধবার (২৪ জুন) তারিখে জারি করা ওই স্মারকে বলা হয়েছে, দীনেশ ত্রিবেদীকে ‘টেবিল অব প্রিসিডেন্সে’ (টিওপি) কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মন্ত্রীর সমতুল্য মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত কেবল তার ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং এ জন্য বিদ্যমান টেবিল অব প্রিসিডেন্সে কোনো সংশোধন আনা হচ্ছে না।
১ দিন আগে