
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ‘ছোটখাটো’ কোনো সমঝোতায় আগ্রহী নন বলে জানিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, ট্রাম্পের চাওয়া ‘বড় সমঝোতা’, যেটিকে ভ্যান্স বলছেন ‘গ্র্যান্ড বার্গেইন’।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় অনুষ্ঠিত টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে ভ্যান্স আরও বলেন, ইরান যদি ‘স্বাভাবিক’ দেশের মতো আচরণ করতে রাজি হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে প্রস্তুত।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর তথ্য বলছে, দুই দেশের মধ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যে আলোচনা হয়েছে, সেখানে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল পারমাণবিক কর্মসূচি। সবশেষ তথ্যে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের জন্য ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত চাইছে। ইরান পাঁচ বছরের জন্য তা স্থগিত রাখার একটি প্রস্তাব দিলেও যুক্তরাষ্ট্র তাতে রাজি হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের একই অবস্থানের কথা ভ্যান্সও তুলে ধরেন জর্জিয়ার সম্মেলনে। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের মূল নীতি হচ্ছে তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা।
গত ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় শুরু হয় ইরান যুদ্ধ। ৪০ দিন পর ডোনাল্ড ট্রাম্প দু সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। ভ্যান্স বলেন, বর্তমানে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যা ছয় বা সাত দিন ধরে চলছে এবং এটি টিকে আছে। এটিই বড় কথা।
এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান এই যুদ্ধ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া রয়েছে মার্কিন নাগরিক, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে। তাদের একটি বড় অংশই এ যুদ্ধ সমর্থন করেন না। যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ট্রাম্পবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভও হয়েছে।
তরুণ ভোটারদের একটি অংশ ইরান যুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থানকে সমর্থন করে না বলে স্বীকার করে নিয়েছেন ভ্যান্সও। তিনি বলেন, আমি বলছি না যে প্রতিটি বিষয়ে আমার সঙ্গে একমত হতে হবে। কিন্তু একটি বিষয়ে দ্বিমত হলেই পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন না। বরং আরও সক্রিয় হোন, আপনার কণ্ঠ আরও জোরালোভাবে তুলুন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ‘ছোটখাটো’ কোনো সমঝোতায় আগ্রহী নন বলে জানিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, ট্রাম্পের চাওয়া ‘বড় সমঝোতা’, যেটিকে ভ্যান্স বলছেন ‘গ্র্যান্ড বার্গেইন’।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় অনুষ্ঠিত টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে ভ্যান্স আরও বলেন, ইরান যদি ‘স্বাভাবিক’ দেশের মতো আচরণ করতে রাজি হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে প্রস্তুত।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর তথ্য বলছে, দুই দেশের মধ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যে আলোচনা হয়েছে, সেখানে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল পারমাণবিক কর্মসূচি। সবশেষ তথ্যে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের জন্য ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত চাইছে। ইরান পাঁচ বছরের জন্য তা স্থগিত রাখার একটি প্রস্তাব দিলেও যুক্তরাষ্ট্র তাতে রাজি হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের একই অবস্থানের কথা ভ্যান্সও তুলে ধরেন জর্জিয়ার সম্মেলনে। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের মূল নীতি হচ্ছে তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা।
গত ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় শুরু হয় ইরান যুদ্ধ। ৪০ দিন পর ডোনাল্ড ট্রাম্প দু সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। ভ্যান্স বলেন, বর্তমানে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যা ছয় বা সাত দিন ধরে চলছে এবং এটি টিকে আছে। এটিই বড় কথা।
এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান এই যুদ্ধ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া রয়েছে মার্কিন নাগরিক, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে। তাদের একটি বড় অংশই এ যুদ্ধ সমর্থন করেন না। যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ট্রাম্পবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভও হয়েছে।
তরুণ ভোটারদের একটি অংশ ইরান যুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থানকে সমর্থন করে না বলে স্বীকার করে নিয়েছেন ভ্যান্সও। তিনি বলেন, আমি বলছি না যে প্রতিটি বিষয়ে আমার সঙ্গে একমত হতে হবে। কিন্তু একটি বিষয়ে দ্বিমত হলেই পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন না। বরং আরও সক্রিয় হোন, আপনার কণ্ঠ আরও জোরালোভাবে তুলুন।

অর্থমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য অর্জনে কৃষি, উৎপাদনশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), অবকাঠামো এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে সমন্বিত প্রবৃদ্ধির কৌশল বাস্তবায়ন করছে সরকার। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়েও কাজ চলছে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
২ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
২ দিন আগে
সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (অ্যাটাকমস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)। দুটি সূত্রের ভাষ্য, এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
২ দিন আগে