
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে এক নতুন কূটনৈতিক ফ্রন্ট খুলেছে ইরান। দেশটির ওপর মার্কিন হামলার সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) কাছে বিশাল অঙ্কের আর্থিক ও নৈতিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে তেহরান। আজ বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই দাবি জানানো হয়।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি এই চিঠি পাঠিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘নূর নিউজ’ এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে রাষ্ট্রদূত ইরাভানি অভিযোগ করেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের ভূখণ্ড এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছে। তিনি এটিকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন’ এবং একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘অন্যায় কর্মকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ইরাভানির দাবি, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের মাটি ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনীকে ইরানের ওপর হামলার সুযোগ করে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের কারণে ইরানের যে ব্যাপক বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি এবং নৈতিক বিপর্যয় ঘটেছে, তার সম্পূর্ণ দায়ভার আমিরাতকেই বহন করতে হবে।’
ইরানি রাষ্ট্রদূত তাঁর চিঠিতে স্পষ্ট করে বলেছেন, আমিরাতকে এই ‘ভুল কর্মকাণ্ডের’ জন্য আন্তর্জাতিকভাবে জবাবদিহি করতে হবে। ইরান এই যুদ্ধের ফলে হওয়া সমস্ত বস্তুগত ক্ষতি এবং জনগণের ওপর পড়া মানসিক প্রভাবের জন্য পূর্ণাঙ্গ ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের এই বহুমুখী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইরান ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছে যে, যেসব দেশ শত্রুপক্ষকে ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দেবে, তারা সরাসরি তেহরানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
বাস্তবেও গত কয়েক সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের একাধিক পাল্টা হামলার শিকার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের কাছে পাঠানো ইরানের এই চিঠি আমিরাত ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্ককে এক নজিরবিহীন সংকটের দিকে ঠেলে দিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
এখন পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত বা জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এই চিঠির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে তেহরানের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন আইনি ও কূটনৈতিক লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে এক নতুন কূটনৈতিক ফ্রন্ট খুলেছে ইরান। দেশটির ওপর মার্কিন হামলার সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) কাছে বিশাল অঙ্কের আর্থিক ও নৈতিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে তেহরান। আজ বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই দাবি জানানো হয়।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি এই চিঠি পাঠিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘নূর নিউজ’ এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে রাষ্ট্রদূত ইরাভানি অভিযোগ করেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের ভূখণ্ড এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছে। তিনি এটিকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন’ এবং একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘অন্যায় কর্মকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ইরাভানির দাবি, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের মাটি ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনীকে ইরানের ওপর হামলার সুযোগ করে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের কারণে ইরানের যে ব্যাপক বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি এবং নৈতিক বিপর্যয় ঘটেছে, তার সম্পূর্ণ দায়ভার আমিরাতকেই বহন করতে হবে।’
ইরানি রাষ্ট্রদূত তাঁর চিঠিতে স্পষ্ট করে বলেছেন, আমিরাতকে এই ‘ভুল কর্মকাণ্ডের’ জন্য আন্তর্জাতিকভাবে জবাবদিহি করতে হবে। ইরান এই যুদ্ধের ফলে হওয়া সমস্ত বস্তুগত ক্ষতি এবং জনগণের ওপর পড়া মানসিক প্রভাবের জন্য পূর্ণাঙ্গ ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের এই বহুমুখী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইরান ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছে যে, যেসব দেশ শত্রুপক্ষকে ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দেবে, তারা সরাসরি তেহরানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
বাস্তবেও গত কয়েক সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের একাধিক পাল্টা হামলার শিকার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের কাছে পাঠানো ইরানের এই চিঠি আমিরাত ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্ককে এক নজিরবিহীন সংকটের দিকে ঠেলে দিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
এখন পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত বা জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এই চিঠির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে তেহরানের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন আইনি ও কূটনৈতিক লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
২০ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
২১ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে