
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আনা সংশোধনী বিল নিয়ে লোকসভার বিতর্কে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লক্ষ্য করে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর মন্তব্য ঘিরে তুমুল হট্টগোল হয়েছে। ছাত্র আন্দোলন দমনে অমিত শাহ গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন রাহুল। এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘মিথ্যা’ দাবি করে তার কাছে ক্ষমা চাইতে বলেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি ও এনডিএ জোটের সংসদ সদস্যরা।
বিবিসি ও ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (২৯ জুলাই) ‘পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করা হলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তার ওপর আলোচনায় অংশ নেন।
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
রাহুলের এ বক্তব্যের পরপরই ক্ষমতাসীন দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। তাদের দাবি, ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর কোনো ঘটনাই ঘটেনি। বরং বিরোধীদলীয় নেতা সংসদে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেছেন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহও রাহুলের অভিযোগ খারিজ করে বলেন, ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলি চালানোর কোনো নির্দেশ সরকার দেয়নি।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, ‘সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুয়া মন্তব্য করেছেন। কোনো ধরনের গুলিই চলেনি। আমরা তার এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’
বক্তৃতায় রাহুল গান্ধী এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে নিজের কথোপকথনের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থী তাকে বলেছিলেন, প্রকৃত শিক্ষার্থী সবসময় নতুন কিছু শেখার জন্য উন্মুখ থাকে এবং সত্যের অনুসন্ধান করে।
এরপর রাহুল বলেন, তিনি ওই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, যারা নিজেদের সবজান্তা মনে করে, অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয় না এবং নিজেদের ঈশ্বর ভাবতে চায়, তাদের কী বলা যায়। তার দাবি, ওই শিক্ষার্থী জবাবে তাদের ‘ইডিয়ট’ বলে অভিহিত করেছিলেন।
এ মন্তব্যের পরই লোকসভায় আবারও হট্টগোল শুরু হয়। বিজেপি সদস্যরা ‘ইডিয়ট’ শব্দটিকে অসংসদীয় বলে অভিযোগ তোলেন।
সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, একজন শিক্ষার্থীর নামে এমন শব্দ ব্যবহার করা সংসদের মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তিনি ওই শব্দ সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান। পরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহও একই দাবি জানান।
হট্টগোলের মধ্যে একপর্যায়ে রাহুল গান্ধী বক্তব্য থামিয়ে বসে পড়েন। তখন কিরেন রিজিজু তাকে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার না করে বক্তব্য চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আনা সংশোধনী বিল সোমবার (২৭ জুলাই) উত্থাপন করা হয়েছিল লোকসভায়। দুদিন আলোচনা শেষে বুধবার তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। তবে ভোটাভুটির আগেই বিরোধী দলের সদস্যরা ওয়াকআউট করেন।
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দেশ জুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর কেন্দ্র সরকার এই সংশোধনী বিল আনে। বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানার বিধান কার্যকর হবে।

ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আনা সংশোধনী বিল নিয়ে লোকসভার বিতর্কে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লক্ষ্য করে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর মন্তব্য ঘিরে তুমুল হট্টগোল হয়েছে। ছাত্র আন্দোলন দমনে অমিত শাহ গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন রাহুল। এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘মিথ্যা’ দাবি করে তার কাছে ক্ষমা চাইতে বলেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি ও এনডিএ জোটের সংসদ সদস্যরা।
বিবিসি ও ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (২৯ জুলাই) ‘পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করা হলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তার ওপর আলোচনায় অংশ নেন।
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
রাহুলের এ বক্তব্যের পরপরই ক্ষমতাসীন দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। তাদের দাবি, ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর কোনো ঘটনাই ঘটেনি। বরং বিরোধীদলীয় নেতা সংসদে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেছেন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহও রাহুলের অভিযোগ খারিজ করে বলেন, ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলি চালানোর কোনো নির্দেশ সরকার দেয়নি।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, ‘সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুয়া মন্তব্য করেছেন। কোনো ধরনের গুলিই চলেনি। আমরা তার এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’
বক্তৃতায় রাহুল গান্ধী এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে নিজের কথোপকথনের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থী তাকে বলেছিলেন, প্রকৃত শিক্ষার্থী সবসময় নতুন কিছু শেখার জন্য উন্মুখ থাকে এবং সত্যের অনুসন্ধান করে।
এরপর রাহুল বলেন, তিনি ওই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, যারা নিজেদের সবজান্তা মনে করে, অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয় না এবং নিজেদের ঈশ্বর ভাবতে চায়, তাদের কী বলা যায়। তার দাবি, ওই শিক্ষার্থী জবাবে তাদের ‘ইডিয়ট’ বলে অভিহিত করেছিলেন।
এ মন্তব্যের পরই লোকসভায় আবারও হট্টগোল শুরু হয়। বিজেপি সদস্যরা ‘ইডিয়ট’ শব্দটিকে অসংসদীয় বলে অভিযোগ তোলেন।
সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, একজন শিক্ষার্থীর নামে এমন শব্দ ব্যবহার করা সংসদের মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তিনি ওই শব্দ সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান। পরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহও একই দাবি জানান।
হট্টগোলের মধ্যে একপর্যায়ে রাহুল গান্ধী বক্তব্য থামিয়ে বসে পড়েন। তখন কিরেন রিজিজু তাকে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার না করে বক্তব্য চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আনা সংশোধনী বিল সোমবার (২৭ জুলাই) উত্থাপন করা হয়েছিল লোকসভায়। দুদিন আলোচনা শেষে বুধবার তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। তবে ভোটাভুটির আগেই বিরোধী দলের সদস্যরা ওয়াকআউট করেন।
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দেশ জুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর কেন্দ্র সরকার এই সংশোধনী বিল আনে। বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানার বিধান কার্যকর হবে।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে