
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতে সরকারি নিয়োগ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অন্যান্য অনিয়ম ঠেকাতে আরও কঠোর আইন আনার পথে এগিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এ লক্ষ্যে ‘পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ লোকসভায় পাস হয়েছে। রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশ জুড়ে আন্দোলনের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কঠোর আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের বিদ্যমান আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয় সরকার।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি ও আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, সোমবার (২৭ জুলাই) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ বিলটি লোকসভায় উত্থাপন করেন। দুদিন আলোচনা শেষে বুধবার (২৯ জুলাই) এটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। ভোটাভুটির আগে বিরোধী সদস্যরা ওয়াকআউট করেন।
সংশোধনী বিলে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর প্রশাসনকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা প্রয়োজনে যেকোনো দায়রা আদালতকে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত মামলার বিচারের জন্য বিশেষ ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে।
সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, এসব আদালতে প্রতিদিন শুনানি চালানোর ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের তিন মাসের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে।
বিলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষায় অনিয়মের তদন্ত দ্রুত শেষ করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের মামলার তদন্ত দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে।
এর জন্য প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করতে পারবে। একই সঙ্গে এসব মামলার পরিচালনার জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে এক বা একাধিক বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি নিয়োগের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চে আপিল করা যাবে। সেই আপিলও তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।
নতুন আইনে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ন্যূনতম পাঁচ বছর ও সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এর পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে যদি সংঘবদ্ধভাবে বা সংগঠিত চক্রের মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে ন্যূনতম সাত বছরের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ১০ কোটি রুপি জরিমানা করা যাবে।
কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো পৃথক আইন করা হয়েছিল। সেই আইনের আওতায় ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (ইউপিএসসি), স্টাফ সিলেকশন কমিশন (এসএসসি), রেলওয়ে, ব্যাংকিং খাতের নিয়োগ পরীক্ষা ও ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) পরিচালিত পরীক্ষাগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তবে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দেশ জুড়ে সমালোচনা ও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর বিদ্যমান আইনকে আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র সরকার। নতুন সংশোধনী বিলের মাধ্যমে তদন্ত, বিচার ও শাস্তির বিধান আরও কঠোর এবং সময়সীমাবদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভারতে সরকারি নিয়োগ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অন্যান্য অনিয়ম ঠেকাতে আরও কঠোর আইন আনার পথে এগিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এ লক্ষ্যে ‘পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ লোকসভায় পাস হয়েছে। রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশ জুড়ে আন্দোলনের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কঠোর আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের বিদ্যমান আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয় সরকার।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি ও আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, সোমবার (২৭ জুলাই) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ বিলটি লোকসভায় উত্থাপন করেন। দুদিন আলোচনা শেষে বুধবার (২৯ জুলাই) এটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। ভোটাভুটির আগে বিরোধী সদস্যরা ওয়াকআউট করেন।
সংশোধনী বিলে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর প্রশাসনকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা প্রয়োজনে যেকোনো দায়রা আদালতকে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত মামলার বিচারের জন্য বিশেষ ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে।
সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, এসব আদালতে প্রতিদিন শুনানি চালানোর ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের তিন মাসের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে।
বিলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষায় অনিয়মের তদন্ত দ্রুত শেষ করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের মামলার তদন্ত দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে।
এর জন্য প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করতে পারবে। একই সঙ্গে এসব মামলার পরিচালনার জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে এক বা একাধিক বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি নিয়োগের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চে আপিল করা যাবে। সেই আপিলও তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।
নতুন আইনে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ন্যূনতম পাঁচ বছর ও সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এর পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে যদি সংঘবদ্ধভাবে বা সংগঠিত চক্রের মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে ন্যূনতম সাত বছরের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ১০ কোটি রুপি জরিমানা করা যাবে।
কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো পৃথক আইন করা হয়েছিল। সেই আইনের আওতায় ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (ইউপিএসসি), স্টাফ সিলেকশন কমিশন (এসএসসি), রেলওয়ে, ব্যাংকিং খাতের নিয়োগ পরীক্ষা ও ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) পরিচালিত পরীক্ষাগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তবে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দেশ জুড়ে সমালোচনা ও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর বিদ্যমান আইনকে আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র সরকার। নতুন সংশোধনী বিলের মাধ্যমে তদন্ত, বিচার ও শাস্তির বিধান আরও কঠোর এবং সময়সীমাবদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২০ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে