
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য নেভাডার উত্তরে একটি এলাকায় প্রশিক্ষণের সময় দেশটির বিমান বাহিনীর একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ‘লাইটনিং-২ স্টেলথ’ মডেলের এই যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে এর পাইলট সফলভাবে ইজেক্ট করায় প্রাণে বেঁচে গেলেও আহত হয়েছেন।
মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ইকোনোমিক টাইমস জানায়, বিধ্বস্ত হওয়া যুদ্ধবিমানটি নেভাডা থেকে প্রায় ২৫ মাইল উত্তর-পূর্বে নেভাডা টেস্ট অ্যান্ড ট্রেনিং রেঞ্জে আছড়ে পড়ে। জায়গাটি মূলত উন্নত ফ্লাইট অপারেশন এবং অস্ত্র ব্যবস্থা পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত একটি নিয়ন্ত্রিত সামরিক বিমান চলাচল এলাকা। এটি সাধারণ নাগরিকদের বসতি থেকে অনেক দূরে হওয়ায় দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, বিমানটি মাটিতে পড়ার আগেই পাইলট সফলভাবে ইজেক্ট করেছেন এবং তাৎক্ষণিক জরুরি সেবা দল তাকে উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা রিপোর্টে বলা হয়েছে, তিনি হালকা আঘাতগ্রস্ত এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
ইকোনোমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্ঘটনার কারণ প্রসঙ্গে মার্কিন বিমান বাহিনী এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। বিমান ও নিরাপত্তা তদন্ত বোর্ডের তদন্তকারীরা বিমানটিকে পরীক্ষা করবেন এবং ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার বিশ্লেষণ করবেন। তারা এ দুর্ঘটনার পেছনে বিমানের সিস্টেম ত্রুটি, পরিবেশগত শর্ত বা মানবিক ভুলের মতো কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখবেন।
‘এফ-৩৫ লাইটনিং-২’ হলো পঞ্চম-প্রজন্মের স্টেলথ মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান, যা বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত যুদ্ধবিমানের মধ্যে একটি। মার্কিন যৌথ স্ট্রাইক ফাইটার প্রোগ্রামের অধীনে তৈরি এ বিমান এয়ার-টু-এয়ার ও এয়ার-টু-গ্রাউন্ড মিশন পরিচালনা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার পরিচালনা এবং গোয়েন্দা, নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম।
বিমানটি ২০১০-এর দশকে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে প্রথমবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটি অত্যাধুনিক হলেও সামরিক বাহিনীতে প্রবেশের পর থেকে প্রশিক্ষণ এবং পরীক্ষামূলক পরিস্থিতিতে একাধিক বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য নেভাডার উত্তরে একটি এলাকায় প্রশিক্ষণের সময় দেশটির বিমান বাহিনীর একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ‘লাইটনিং-২ স্টেলথ’ মডেলের এই যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে এর পাইলট সফলভাবে ইজেক্ট করায় প্রাণে বেঁচে গেলেও আহত হয়েছেন।
মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ইকোনোমিক টাইমস জানায়, বিধ্বস্ত হওয়া যুদ্ধবিমানটি নেভাডা থেকে প্রায় ২৫ মাইল উত্তর-পূর্বে নেভাডা টেস্ট অ্যান্ড ট্রেনিং রেঞ্জে আছড়ে পড়ে। জায়গাটি মূলত উন্নত ফ্লাইট অপারেশন এবং অস্ত্র ব্যবস্থা পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত একটি নিয়ন্ত্রিত সামরিক বিমান চলাচল এলাকা। এটি সাধারণ নাগরিকদের বসতি থেকে অনেক দূরে হওয়ায় দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, বিমানটি মাটিতে পড়ার আগেই পাইলট সফলভাবে ইজেক্ট করেছেন এবং তাৎক্ষণিক জরুরি সেবা দল তাকে উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা রিপোর্টে বলা হয়েছে, তিনি হালকা আঘাতগ্রস্ত এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
ইকোনোমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্ঘটনার কারণ প্রসঙ্গে মার্কিন বিমান বাহিনী এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। বিমান ও নিরাপত্তা তদন্ত বোর্ডের তদন্তকারীরা বিমানটিকে পরীক্ষা করবেন এবং ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার বিশ্লেষণ করবেন। তারা এ দুর্ঘটনার পেছনে বিমানের সিস্টেম ত্রুটি, পরিবেশগত শর্ত বা মানবিক ভুলের মতো কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখবেন।
‘এফ-৩৫ লাইটনিং-২’ হলো পঞ্চম-প্রজন্মের স্টেলথ মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান, যা বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত যুদ্ধবিমানের মধ্যে একটি। মার্কিন যৌথ স্ট্রাইক ফাইটার প্রোগ্রামের অধীনে তৈরি এ বিমান এয়ার-টু-এয়ার ও এয়ার-টু-গ্রাউন্ড মিশন পরিচালনা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার পরিচালনা এবং গোয়েন্দা, নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম।
বিমানটি ২০১০-এর দশকে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে প্রথমবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটি অত্যাধুনিক হলেও সামরিক বাহিনীতে প্রবেশের পর থেকে প্রশিক্ষণ এবং পরীক্ষামূলক পরিস্থিতিতে একাধিক বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ইরান। আগামী শুক্রবার দুই পক্ষের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সম্ভাব্য এই সমঝোতা নিয়ে দেশটির কট্টরপন্থি মহলে ‘জোরালো আপত্তি’ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ— চুক্তিতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো স্পষ্ট নিশ্চয়তা নেই। এ ছ
৫ ঘণ্টা আগে
নেতানিয়াহুর প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি (নেতানিয়াহু) একজন জটিল মানুষ। সত্যি বলতে, এর (চুক্তি) জন্য আমাদের কাছে তার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কারণ, ইরানের কাছে যদি পারমাণবিক অস্ত্র থাকত, ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকত না।’
৬ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ নেতারা। তারা এই সমঝোতাকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এতদ্বারা হরমুজ প্রণালি কোনো টোল বা শুল্ক ছাড়াই উন্মুক্ত করার পূর্ণ অনুমোদন দিচ্ছি এবং একই সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিচ্ছি।’ বিশ্ববাসীর উদ্দেশে নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ট্রাম্প আরও যোগ করেন, ‘বিশ্বের জাহাজগুলো, তোমাদের ইঞ্জিন চালু করো। এবার তেল স
৯ ঘণ্টা আগে