
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ বিশেষজ্ঞ ফ্রান্সেসকা আলবানেজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের সমালোচনা করায় তার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘন করা হয়েছে—মার্কিন আদালতের এমন রায়ের পর ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
এক সপ্তাহ আগে এক ফেডারেল বিচারক সাময়িকভাবে ওই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছিলেন। বিচারকের মতে, গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের সমালোচনা করায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন সম্ভবত তার মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘন করেছে।
ফ্রান্সেসকা আলবানেজ একজন ইতালীয় আইনজীবী এবং ইসরাইল অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চল নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এই দায়িত্বে থেকে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে (আইসিসি) ইসরাইলি ও মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মামলা করার সুপারিশ করেছিলেন। এ ছাড়া তিনি একটি প্রতিবেদনে কয়েকটি বড় মার্কিন কোম্পানিকে গাজায় ইসরাইলের ‘চলমান গণহত্যামূলক অভিযানে’ সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করেন।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র আলবানেজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ ছিল, তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তা, কোম্পানি ও ব্যবসায়িক নির্বাহীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উৎসাহিত করেছিলেন। খবর আল আরাবিয়ার।
নিষেধাজ্ঞার ফলে তার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ এবং সেখানে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা নিষিদ্ধ হয়েছিল।
পরে আলবানেজের স্বামী ও তার মার্কিন নাগরিক মেয়ে ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
ওয়াশিংটনের মার্কিন জেলা বিচারক রিচার্ড লিওনে গত ১৩ মে রায়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাস করলেও মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর অধীনে আলবানেজের মতপ্রকাশের অধিকার বহাল থাকে।
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন মূলত তার প্রকাশিত মতামত ও বার্তার কারণেই তার বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে।
রায়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল জানায়, আদালতের আদেশ কার্যকর থাকা পর্যন্ত আলবানেজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন বা প্রয়োগ করা হবে না।
তবে এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
রাজনীতি/এসআর

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ বিশেষজ্ঞ ফ্রান্সেসকা আলবানেজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের সমালোচনা করায় তার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘন করা হয়েছে—মার্কিন আদালতের এমন রায়ের পর ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
এক সপ্তাহ আগে এক ফেডারেল বিচারক সাময়িকভাবে ওই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছিলেন। বিচারকের মতে, গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের সমালোচনা করায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন সম্ভবত তার মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘন করেছে।
ফ্রান্সেসকা আলবানেজ একজন ইতালীয় আইনজীবী এবং ইসরাইল অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চল নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এই দায়িত্বে থেকে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে (আইসিসি) ইসরাইলি ও মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মামলা করার সুপারিশ করেছিলেন। এ ছাড়া তিনি একটি প্রতিবেদনে কয়েকটি বড় মার্কিন কোম্পানিকে গাজায় ইসরাইলের ‘চলমান গণহত্যামূলক অভিযানে’ সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করেন।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র আলবানেজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ ছিল, তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তা, কোম্পানি ও ব্যবসায়িক নির্বাহীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উৎসাহিত করেছিলেন। খবর আল আরাবিয়ার।
নিষেধাজ্ঞার ফলে তার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ এবং সেখানে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা নিষিদ্ধ হয়েছিল।
পরে আলবানেজের স্বামী ও তার মার্কিন নাগরিক মেয়ে ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
ওয়াশিংটনের মার্কিন জেলা বিচারক রিচার্ড লিওনে গত ১৩ মে রায়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাস করলেও মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর অধীনে আলবানেজের মতপ্রকাশের অধিকার বহাল থাকে।
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন মূলত তার প্রকাশিত মতামত ও বার্তার কারণেই তার বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে।
রায়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল জানায়, আদালতের আদেশ কার্যকর থাকা পর্যন্ত আলবানেজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন বা প্রয়োগ করা হবে না।
তবে এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
রাজনীতি/এসআর

তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ না থাকলে ইরান ইতোমধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করে ফেলতো। তার ভাষায়, “আমরা যদি নয় মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর হামলা না করতাম, তাহলে তারা এখনই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতো এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতো।”
১২ ঘণ্টা আগে
গত ১৩ মে ফল প্রকাশের পর থেকে ৪ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী মোট ১১ লাখ উত্তরপত্র দেখতে চেয়ে শিক্ষা বোর্ডের কাছে আবেদন করেছে, যা দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন। ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষায় এ বছর প্রায় ১৭ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।
১২ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি এলাকায় অবস্থানরত বিদেশি সামরিক বাহিনীগুলোকেও সতর্ক করেছে তেহরান। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, সামুদ্রিক চলাচল বা প্রণালির ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হলে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনার পর একটি খসড়া চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, যা এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে আলোচনার টেবিলে অগ্রগতির খবর মিললেও সামরিক উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষণ নেই। গত কয়েক দিনে ইরানে দ্বিতীয় দফায়
১ দিন আগে