
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়, জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে খামেনির রচনাবলি সংরক্ষণ ও প্রকাশনা বিষয়ক দফতর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক বিমান হামলায় টানা ৩৬ বছর ৬ মাস ইরানের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকা এই শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবশেষে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তার শেষকৃত্যের তারিখ ঘোষণা করল দেশটির প্রশাসন।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, খামেনির জানাজা, শ্রদ্ধা নিবেদন ও দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে:
৪ ও ৫ জুলাই তেহরানের ইমাম খোমেইনি মোসাল্লাতে সর্বস্তরের মানুষের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ রাখা হবে। ৬ জুলাই রাজধানী তেহরানে খামেনির মূল জানাজার যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। ৭ জুলাই ধর্মীয় নগরী কোমে দ্বিতীয় জানাজার যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। ৯ জুলাই মাশহাদ নগরীতে শেষ জানাজার যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা ও জানাজা শেষে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ইরানের মাশহাদ শহরের পবিত্র ‘ইমাম রেজা (আ.)’-এর মাজারে দাফন করা হবে।
খামেনির দফতর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের সাধারণ জনগণ, বিশ্বের স্বাধীনচেতা মানুষ, ইসলামের অনুসারী এবং ইরানের শুভাকাঙ্ক্ষীদের এই শোক ও শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ নেওয়ার বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।
১৯৮৯ সালে ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি টানা ৩৬ বছর ৬ মাস ইরানের শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
রাজনীতি/এসআর

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়, জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে খামেনির রচনাবলি সংরক্ষণ ও প্রকাশনা বিষয়ক দফতর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক বিমান হামলায় টানা ৩৬ বছর ৬ মাস ইরানের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকা এই শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবশেষে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তার শেষকৃত্যের তারিখ ঘোষণা করল দেশটির প্রশাসন।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, খামেনির জানাজা, শ্রদ্ধা নিবেদন ও দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে:
৪ ও ৫ জুলাই তেহরানের ইমাম খোমেইনি মোসাল্লাতে সর্বস্তরের মানুষের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ রাখা হবে। ৬ জুলাই রাজধানী তেহরানে খামেনির মূল জানাজার যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। ৭ জুলাই ধর্মীয় নগরী কোমে দ্বিতীয় জানাজার যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। ৯ জুলাই মাশহাদ নগরীতে শেষ জানাজার যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা ও জানাজা শেষে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ইরানের মাশহাদ শহরের পবিত্র ‘ইমাম রেজা (আ.)’-এর মাজারে দাফন করা হবে।
খামেনির দফতর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের সাধারণ জনগণ, বিশ্বের স্বাধীনচেতা মানুষ, ইসলামের অনুসারী এবং ইরানের শুভাকাঙ্ক্ষীদের এই শোক ও শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ নেওয়ার বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।
১৯৮৯ সালে ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি টানা ৩৬ বছর ৬ মাস ইরানের শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
রাজনীতি/এসআর

লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তিটিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরের সম্ভাবনা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এরপরই এই যুদ্ধবিরতির খবর এলো।
২০ ঘণ্টা আগে
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জাহাজ পরিচালনাকারীদের হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করার অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সরকারি ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদনে জাহাজের সঠিক যোগাযোগ তথ্য, রুট ও সময়সূচি উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে প্রণালিতে প্রবেশ কিংবা বের
২১ ঘণ্টা আগে