
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের শাস্তি প্রত্যাহারকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এবার ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একাধিক সদস্য। তাদের অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের পর ফিফার নেওয়া সিদ্ধান্ত ফুটবলের ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ব্যারি অ্যান্ড্রুজ, লারা ওল্টার্স এবং নিলস ফুগলসাং যৌথ বিবৃতিতে বিশ্বকাপ চলাকালে লাল কার্ডের শাস্তি কার্যকরের নিয়ম কার্যত পরিবর্তন করাকে ‘লজ্জাজনক’ এবং ‘ন্যায়বিচারের বিকৃতি’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাদের মতে, বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো প্রভাব ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা ফিফার নৈতিকতা কমিটির কাছে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্তের দাবি তোলে। একই সঙ্গে ট্রাম্পকে ফিফা ‘পিস প্রাইজ’ দেওয়াসহ রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা লঙ্ঘনের অভিযোগে অন্যান্য ঘটনাও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিবৃতিতে পার্লামেন্ট সদস্যরা বলেন, ‘আরও একবার আমরা দেখলাম, ইনফান্তিনো ও ফিফা ট্রাম্প প্রশাসনের দাবির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।’ তারা বলেন, ‘খেলাধুলার সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো এটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নিয়মের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। কিন্তু রাজনৈতিক চাপের কারণে কে খেলবে আর কে খেলবে না, যদি তা নির্ধারিত হতে শুরু করে, তাহলে ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতার ধারণাই ধ্বংস হয়ে যাবে।’
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নতুন এই উদ্যোগের ফলে বিতর্কটি এখন আর শুধু মাঠের সিদ্ধান্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা হিসেবে ফিফার স্বাধীনতা, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকা এবং সুশাসন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে এ পর্যন্ত ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অন্তত ৩৫ জন সদস্য এই তদন্ত দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

বিতর্কের সূত্রপাত যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানকে ঘিরে। গত ২ জুলাই বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে তিনি সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। ফিফার শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী, এ কারণে পরবর্তী ম্যাচে তার নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল। এ ধরনের শাস্তির বিরুদ্ধে সাধারণত আপিলের সুযোগও থাকে না।
তবে শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে হঠাৎ করেই বালোগানের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে ফিফা। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ইনফান্তিনোকে ফোন করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলেন। যদিও তিনি দাবি করেন, ফিফার ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করেননি; শুধু সিদ্ধান্তটি পুনরায় বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।
অন্যদিকে ইনফান্তিনোও নিশ্চিত করেছেন যে তিনি ট্রাম্পের ফোন পেয়েছিলেন। তবে তার দাবি, বিষয়টি ফিফার স্বাধীন বিচারিক সংস্থার বিবেচনায় ছিল এবং সিদ্ধান্তটি তারা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রভাবেই নিয়েছে।
ফিফাও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থার শৃঙ্খলা কমিটি। তবে বিশ্বকাপ চলাকালে কী আইনি ভিত্তিতে এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর থেকেই ইউরোপের ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এর আগে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ইউয়েফা) অভিযোগ করেছিল, ফিফা রাজনৈতিক কারণে নিজেদের নিয়মবিধি উপেক্ষা করেছে। একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বেলজিয়াম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, জার্মান ফুটবল ফেডারেশন ও নরওয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। ফিফার সাবেক সভাপতি সেপ ব্লাটারও এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন।

বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের শাস্তি প্রত্যাহারকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এবার ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একাধিক সদস্য। তাদের অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের পর ফিফার নেওয়া সিদ্ধান্ত ফুটবলের ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ব্যারি অ্যান্ড্রুজ, লারা ওল্টার্স এবং নিলস ফুগলসাং যৌথ বিবৃতিতে বিশ্বকাপ চলাকালে লাল কার্ডের শাস্তি কার্যকরের নিয়ম কার্যত পরিবর্তন করাকে ‘লজ্জাজনক’ এবং ‘ন্যায়বিচারের বিকৃতি’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাদের মতে, বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো প্রভাব ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা ফিফার নৈতিকতা কমিটির কাছে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্তের দাবি তোলে। একই সঙ্গে ট্রাম্পকে ফিফা ‘পিস প্রাইজ’ দেওয়াসহ রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা লঙ্ঘনের অভিযোগে অন্যান্য ঘটনাও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিবৃতিতে পার্লামেন্ট সদস্যরা বলেন, ‘আরও একবার আমরা দেখলাম, ইনফান্তিনো ও ফিফা ট্রাম্প প্রশাসনের দাবির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।’ তারা বলেন, ‘খেলাধুলার সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো এটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নিয়মের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। কিন্তু রাজনৈতিক চাপের কারণে কে খেলবে আর কে খেলবে না, যদি তা নির্ধারিত হতে শুরু করে, তাহলে ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতার ধারণাই ধ্বংস হয়ে যাবে।’
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নতুন এই উদ্যোগের ফলে বিতর্কটি এখন আর শুধু মাঠের সিদ্ধান্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা হিসেবে ফিফার স্বাধীনতা, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকা এবং সুশাসন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে এ পর্যন্ত ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অন্তত ৩৫ জন সদস্য এই তদন্ত দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

বিতর্কের সূত্রপাত যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানকে ঘিরে। গত ২ জুলাই বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে তিনি সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। ফিফার শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী, এ কারণে পরবর্তী ম্যাচে তার নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল। এ ধরনের শাস্তির বিরুদ্ধে সাধারণত আপিলের সুযোগও থাকে না।
তবে শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে হঠাৎ করেই বালোগানের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে ফিফা। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ইনফান্তিনোকে ফোন করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলেন। যদিও তিনি দাবি করেন, ফিফার ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করেননি; শুধু সিদ্ধান্তটি পুনরায় বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।
অন্যদিকে ইনফান্তিনোও নিশ্চিত করেছেন যে তিনি ট্রাম্পের ফোন পেয়েছিলেন। তবে তার দাবি, বিষয়টি ফিফার স্বাধীন বিচারিক সংস্থার বিবেচনায় ছিল এবং সিদ্ধান্তটি তারা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রভাবেই নিয়েছে।
ফিফাও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থার শৃঙ্খলা কমিটি। তবে বিশ্বকাপ চলাকালে কী আইনি ভিত্তিতে এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর থেকেই ইউরোপের ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এর আগে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ইউয়েফা) অভিযোগ করেছিল, ফিফা রাজনৈতিক কারণে নিজেদের নিয়মবিধি উপেক্ষা করেছে। একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বেলজিয়াম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, জার্মান ফুটবল ফেডারেশন ও নরওয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। ফিফার সাবেক সভাপতি সেপ ব্লাটারও এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন।

ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের নৌ এবং বিমানবাহিনী যৌথভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে অবস্থিত মোট ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তু নিশানা করে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার ভঙ্গুর চুক্তির অংশ হিসেবে গত ২১ জুন মার্কিন অর্থ বিভাগ আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের তেল রপ্তানির একটি বিশেষ অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সেই অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ খামেনি এবং তার পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের কফিন বহনকারী বিশেষ বিমানটি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে ইরাকের নাজাফে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে এই মহান নেতার সম্মানে একটি বিশেষ সরকারি ও সামরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। ইরাকের শিয়া মুসলমানদের কাছে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও অনুকর
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মধ্যরাতের এই হামলায় মূলত ইরানের কেশম, সিরিক এবং হরমুজ প্রণালির খার্গ দ্বীপকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে