
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তার বিষয়ে তথ্য পেতে সর্বোচ্চ এক কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তথ্যদাতাদের প্রয়োজনে পুনর্বাসনের সুযোগও দেওয়ার কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনাল এ খবর দিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (২৪ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি এ ঘোষণা দেয়।
যে পাঁচ কর্মকর্তার বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে, তারা হলেন— আইআরজিসির কমান্ডার আহমাদ ভাহিদি, খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের প্রধান আলি আবদোল্লাহি, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের ড্রোন ইউনিটের কমান্ডার সাঈদ আগাজানি, আইআরজিসির সাইবার-ইলেকট্রনিক কমান্ডের প্রধান হামিদরেজা লাশগারিয়ান ও আইআরজিসির গোয়েন্দা সংস্থার কমান্ডার মাজিদ খাদেমি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মসূচিটি বলেছে, এসব কর্মকর্তা এমন আইআরজিসি ইউনিটের নেতৃত্ব দেন, যেগুলো মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা এবং গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ক্ষতিকর সাইবার অভিযান পরিচালনা করেছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, আইআরজিসি ইরানের রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদ ব্যবহারে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।
আইআরজিসি ইরানের সামরিক কাঠামোর অংশ হলেও এর ক্ষমতা শুধু সামরিক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ নয়। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর গঠিত এই বাহিনী ধীরে ধীরে ইরানের পররাষ্ট্রনীতি, নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, আইআরজিসি বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে তৈরি, অর্থায়ন ও পরিচালনার পাশাপাশি বিদেশে হামলার সঙ্গেও জড়িত।
২০১৯ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র আইআরজিসিকে ‘ফরেন টেরোরিস্ট অর্গানাইজেশন’ বা বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের জন্য আইআরজিসিকে বস্তুগত সহায়তা দেওয়া বা এর সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের লেনদেন করা তখন থেকে নিষিদ্ধ। এর আগে ২০১৭ সালে সংগঠনটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিষয়ক আর্থিক নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছিল মার্কিন অর্থ দপ্তর।
নতুন পুরস্কার ঘোষণার তালিকায় থাকা আহমাদ ভাহিদি আইআরজিসির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কর্মকর্তা। তিনি এর আগে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। আলি আবদোল্লাহি নেতৃত্ব দেন খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সকে— ইরানের সামরিক পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাঠামো।
অন্যদিকে সাঈদ আগাজানি আইআরজিসির ড্রোন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত এবং হামিদরেজা লাশগারিয়ান সাইবার ও ইলেকট্রনিক অভিযান পরিচালনাকারী ইউনিটের প্রধান। মাজিদ খাদেমি আইআরজিসির গোয়েন্দা কাঠামোর দায়িত্বে রয়েছেন।
এই পুরস্কার ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা তীব্র। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে দুই দেশের সংঘাতের পর আইআরজিসি ইরানের সামরিক প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে আরও সামনে এসেছে।
রয়টার্সের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের সময় আইআরজিসি ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে।
এর আগে মার্চেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শীর্ষ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিষয়ে তথ্যের জন্য সর্বোচ্চ ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। সে তালিকায় নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ও আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ছিলেন।
এবারের পদক্ষেপকে তাই শুধু ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে পুরস্কার ঘোষণা হিসেবে নয়, আইআরজিসির নেতৃত্ব, অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক ও বিদেশে পরিচালিত কার্যক্রমের ওপর ওয়াশিংটনের চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক কর্মকাণ্ড ও সরবরাহ নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞাও জোরদার করছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তার বিষয়ে তথ্য পেতে সর্বোচ্চ এক কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তথ্যদাতাদের প্রয়োজনে পুনর্বাসনের সুযোগও দেওয়ার কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনাল এ খবর দিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (২৪ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি এ ঘোষণা দেয়।
যে পাঁচ কর্মকর্তার বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে, তারা হলেন— আইআরজিসির কমান্ডার আহমাদ ভাহিদি, খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের প্রধান আলি আবদোল্লাহি, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের ড্রোন ইউনিটের কমান্ডার সাঈদ আগাজানি, আইআরজিসির সাইবার-ইলেকট্রনিক কমান্ডের প্রধান হামিদরেজা লাশগারিয়ান ও আইআরজিসির গোয়েন্দা সংস্থার কমান্ডার মাজিদ খাদেমি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মসূচিটি বলেছে, এসব কর্মকর্তা এমন আইআরজিসি ইউনিটের নেতৃত্ব দেন, যেগুলো মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা এবং গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ক্ষতিকর সাইবার অভিযান পরিচালনা করেছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, আইআরজিসি ইরানের রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদ ব্যবহারে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।
আইআরজিসি ইরানের সামরিক কাঠামোর অংশ হলেও এর ক্ষমতা শুধু সামরিক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ নয়। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর গঠিত এই বাহিনী ধীরে ধীরে ইরানের পররাষ্ট্রনীতি, নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, আইআরজিসি বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে তৈরি, অর্থায়ন ও পরিচালনার পাশাপাশি বিদেশে হামলার সঙ্গেও জড়িত।
২০১৯ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র আইআরজিসিকে ‘ফরেন টেরোরিস্ট অর্গানাইজেশন’ বা বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের জন্য আইআরজিসিকে বস্তুগত সহায়তা দেওয়া বা এর সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের লেনদেন করা তখন থেকে নিষিদ্ধ। এর আগে ২০১৭ সালে সংগঠনটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিষয়ক আর্থিক নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছিল মার্কিন অর্থ দপ্তর।
নতুন পুরস্কার ঘোষণার তালিকায় থাকা আহমাদ ভাহিদি আইআরজিসির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কর্মকর্তা। তিনি এর আগে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। আলি আবদোল্লাহি নেতৃত্ব দেন খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সকে— ইরানের সামরিক পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাঠামো।
অন্যদিকে সাঈদ আগাজানি আইআরজিসির ড্রোন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত এবং হামিদরেজা লাশগারিয়ান সাইবার ও ইলেকট্রনিক অভিযান পরিচালনাকারী ইউনিটের প্রধান। মাজিদ খাদেমি আইআরজিসির গোয়েন্দা কাঠামোর দায়িত্বে রয়েছেন।
এই পুরস্কার ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা তীব্র। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে দুই দেশের সংঘাতের পর আইআরজিসি ইরানের সামরিক প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে আরও সামনে এসেছে।
রয়টার্সের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের সময় আইআরজিসি ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে।
এর আগে মার্চেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শীর্ষ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিষয়ে তথ্যের জন্য সর্বোচ্চ ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। সে তালিকায় নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ও আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ছিলেন।
এবারের পদক্ষেপকে তাই শুধু ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে পুরস্কার ঘোষণা হিসেবে নয়, আইআরজিসির নেতৃত্ব, অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক ও বিদেশে পরিচালিত কার্যক্রমের ওপর ওয়াশিংটনের চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক কর্মকাণ্ড ও সরবরাহ নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞাও জোরদার করছে।

গত বছর চীনের ওপর একের পর এক উচ্চ শুল্ক ও প্রযুক্তি-নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বেইজিংকে চাপে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু তাতে চীনের আচরণ বদলানোর বদলে উলটো যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই চাপ তৈরি হয়। বিশেষ করে ইলেকট্রনিকস, সামরিক সরঞ্জাম ও উচ্চপ্রযুক্তিতে ব্যবহৃত বিরল খনিজের সরবরাহে চীনের শক্তিশালী অবস্থান ওয়
৫ ঘণ্টা আগে
ভোট শেষে প্রকাশিত একাধিক এক্সিট পোলে উঠে এসেছে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দল ইউনাইটেড রাশিয়া অন্য দলগুলোর চেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। প্রাথমিক গণনাতেও দলটি ৫৭ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে শীর্ষে রয়েছে। ফলে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম রুশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের আধিপত্য বজায় থাকারই আভাস
৫ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার জন্য এবারের নির্বাচন আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যুদ্ধবিরোধী একমাত্র নিবন্ধিত দল ইয়াবলোকোকে কার্যত এ নির্বাচনি লড়াই থেকে বাইরে রাখা হয়েছে। বিরোধী কয়েকজন নেতা কারাগারে বা নির্বাসনে রয়েছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
অধিবেশনে আগামী মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) শুরু হচ্ছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সাধারণ বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এতে অংশ নেবেন। এর জন্য সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে নিউইয়র্কের পথে রওয়ানা হওয়ার কথা রয়েছে তার।
১৬ ঘণ্টা আগে