
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের (এনএসএ) বৈঠকে যোগ দেবেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। আগামী ২২ ও ২৩ জুন এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত ডোভালের আমন্ত্রণে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য এবং সেন্ট্রাল কমিশন ফর ফরেন অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক ওয়াং ই আগামী ২২ থেকে ২৩ জুন ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উচ্চপ্রতিনিধিদের ১৬তম বৈঠকে অংশ নেবেন।
বর্তমানে ১১ সদস্যের জোট ব্রিকসের সভাপতি পদে রয়েছে ভারত। জোটের অন্য সদস্য দেশগুলো হলো— ব্রাজিল, রাশিয়া, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, ইথিওপিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, ইন্দোনেশিয়া ও সৌদি আরব।
এর আগে গত মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত ব্রিকসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে নয়াদিল্লি যাননি চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ওই সময় (১৩ থেকে ১৫ মে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিং সফরে ছিলেন। তাই গত প্রায় একবছরের মধ্যে এটিই হবে ওয়াং ইর প্রথম ভারত সফর। এর আগে গত বছরের আগস্টে তিনি নয়াদিল্লি সফর করেন। সফরে অজিত ডোভাল ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
দ্য প্রিন্ট বলছে, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে যখন বিভিন্ন আস্থা বৃদ্ধিমূলক পদক্ষেপ (সিবিএম) বাস্তবায়নের কাজ চলছে, ঠিক তখনই ওয়াং ই ভারত সফরে যাচ্ছেন।
এর আগে ২০২০ সালের গ্রীষ্মে গালওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ভারত ও চীনের সম্পর্ক চরম অবনতির পর্যায়ে পৌঁছায় এবং এরপর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সংলাপের পরিমাণ একেবারেই কমে গিয়েছিল।
পরে ২০২৪ সালে জয়শঙ্কর এবং ওয়াং ইর মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর দুই দেশের সেনা প্রত্যাহারের (ডিজএংগেজমেন্ট) চুক্তি চূড়ান্ত ও ঘোষণা করা হয়। এই চুক্তির পর থেকেই মূলত নয়াদিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যকার সম্পর্ক পুনরায় স্থিতিশীল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
২০২৪ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার কাজান শহরে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। সে সময় দুই নেতাই নিজ নিজ সরকারকে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়াগুলো পুনরায় সচল করার নির্দেশ দেন। এরপর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিকে অজিত ডোভাল বেইজিং সফর করেন এবং ওয়াং ইর সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে আলোচনা করেন।
পরে ২০২৫ সালের আগস্টে ওয়াং ইর ফিরতি ভারত সফরের মাধ্যমে দুই দেশের বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের (এসআর মেকানিজম) পরবর্তী দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়াতে কৈলাশ মানসসরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু করা এবং সরাসরি যাত্রীবাহী বিমান চলাচল চালুর মতো বেশ কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে ভারত ও চীন।
গত বছর তিয়ানজিনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মেলনের ফাঁকে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন নরেন্দ্র মোদি। ২০২৪ সালের পর এটি ছিল দুই নেতার মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠক।
চলতি বছরের শেষের দিকে কিরগিজস্তানের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এসসিও রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মেলনেও এই দুই নেতা অংশ নিতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহে নয়াদিল্লি সফরের সময় ওয়াং ই অজিত ডোভাল ও জয়শঙ্কর— উভয়ের সঙ্গেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের (এনএসএ) বৈঠকে যোগ দেবেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। আগামী ২২ ও ২৩ জুন এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত ডোভালের আমন্ত্রণে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য এবং সেন্ট্রাল কমিশন ফর ফরেন অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক ওয়াং ই আগামী ২২ থেকে ২৩ জুন ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উচ্চপ্রতিনিধিদের ১৬তম বৈঠকে অংশ নেবেন।
বর্তমানে ১১ সদস্যের জোট ব্রিকসের সভাপতি পদে রয়েছে ভারত। জোটের অন্য সদস্য দেশগুলো হলো— ব্রাজিল, রাশিয়া, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, ইথিওপিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, ইন্দোনেশিয়া ও সৌদি আরব।
এর আগে গত মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত ব্রিকসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে নয়াদিল্লি যাননি চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ওই সময় (১৩ থেকে ১৫ মে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিং সফরে ছিলেন। তাই গত প্রায় একবছরের মধ্যে এটিই হবে ওয়াং ইর প্রথম ভারত সফর। এর আগে গত বছরের আগস্টে তিনি নয়াদিল্লি সফর করেন। সফরে অজিত ডোভাল ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
দ্য প্রিন্ট বলছে, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে যখন বিভিন্ন আস্থা বৃদ্ধিমূলক পদক্ষেপ (সিবিএম) বাস্তবায়নের কাজ চলছে, ঠিক তখনই ওয়াং ই ভারত সফরে যাচ্ছেন।
এর আগে ২০২০ সালের গ্রীষ্মে গালওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ভারত ও চীনের সম্পর্ক চরম অবনতির পর্যায়ে পৌঁছায় এবং এরপর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সংলাপের পরিমাণ একেবারেই কমে গিয়েছিল।
পরে ২০২৪ সালে জয়শঙ্কর এবং ওয়াং ইর মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর দুই দেশের সেনা প্রত্যাহারের (ডিজএংগেজমেন্ট) চুক্তি চূড়ান্ত ও ঘোষণা করা হয়। এই চুক্তির পর থেকেই মূলত নয়াদিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যকার সম্পর্ক পুনরায় স্থিতিশীল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
২০২৪ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার কাজান শহরে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। সে সময় দুই নেতাই নিজ নিজ সরকারকে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়াগুলো পুনরায় সচল করার নির্দেশ দেন। এরপর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিকে অজিত ডোভাল বেইজিং সফর করেন এবং ওয়াং ইর সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে আলোচনা করেন।
পরে ২০২৫ সালের আগস্টে ওয়াং ইর ফিরতি ভারত সফরের মাধ্যমে দুই দেশের বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের (এসআর মেকানিজম) পরবর্তী দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়াতে কৈলাশ মানসসরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু করা এবং সরাসরি যাত্রীবাহী বিমান চলাচল চালুর মতো বেশ কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে ভারত ও চীন।
গত বছর তিয়ানজিনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মেলনের ফাঁকে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন নরেন্দ্র মোদি। ২০২৪ সালের পর এটি ছিল দুই নেতার মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠক।
চলতি বছরের শেষের দিকে কিরগিজস্তানের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এসসিও রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মেলনেও এই দুই নেতা অংশ নিতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহে নয়াদিল্লি সফরের সময় ওয়াং ই অজিত ডোভাল ও জয়শঙ্কর— উভয়ের সঙ্গেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে