
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দুর্নীতির দায়ে চীনের দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংহে ও লি শাংফুকে স্থগিত মৃত্যুদণ্ড সাজা দিয়েছেন দেশটির একটি সামরিক আদালত।
স্থগিত মৃত্যুদণ্ড সাজা হওয়ায় আগামী দুই বছর তাদের এ সাজা স্থগিত থাকবে। এরপর আইন অনুযায়ী এই দণ্ড কমে আমৃত্যু কারাবাসে রূপান্তরিত হবে। তবে শর্ত থাকবে, দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন কোনোভাবেই সাজা কমানোর আবেদন করতে পারবেন না কিংবা প্যারোলে মুক্তি পাবেন না।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার বরাতে বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিবিস এ খবর দিয়েছে।
চীনের সামরিক বাহিনীর সাবেক এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। রায়ে স্থগিত মৃত্যুদণ্ড সাজার পাশাপাশি তাদের সব ব্যক্তিগত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
২০২৩ সালের মার্চে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন লি শাংফু। তবে তার মেয়াদ ছিল খুবই সংক্ষিপ্ত। ২০২৩ সালের আগস্টে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। দুই মাস পর অক্টোবরে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
সাংফু প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে ওয়েই ফেংহের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। ওয়েই ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পূর্ণ মেয়াদে দেশটির সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
ওয়েই ফেংহে ও লি শাংফুর সাজা চীনের সামরিক বাহিনীতে সম্প্রতি শুরু হওয়া ব্যাপক দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ। এ অভিযানে গত কয়েক মাসে দেশটির বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শীর্ষ সামরিক জেনারেল ঝাং ইউক্সিয়াও রয়েছেন সে তালিকায়।
ওই সময় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছিলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে সেনাবাহিনী এক বিপ্লবী পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।’
জিনপিং অবশ্য দীর্ঘ দিন ধরেই একের পর এক দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছেন। সমালোচকদের অভিযোগ, এই অভিযানগুলোকে দুর্নীতি দমনের আবরণে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরিয়ে দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

দুর্নীতির দায়ে চীনের দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংহে ও লি শাংফুকে স্থগিত মৃত্যুদণ্ড সাজা দিয়েছেন দেশটির একটি সামরিক আদালত।
স্থগিত মৃত্যুদণ্ড সাজা হওয়ায় আগামী দুই বছর তাদের এ সাজা স্থগিত থাকবে। এরপর আইন অনুযায়ী এই দণ্ড কমে আমৃত্যু কারাবাসে রূপান্তরিত হবে। তবে শর্ত থাকবে, দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন কোনোভাবেই সাজা কমানোর আবেদন করতে পারবেন না কিংবা প্যারোলে মুক্তি পাবেন না।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার বরাতে বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিবিস এ খবর দিয়েছে।
চীনের সামরিক বাহিনীর সাবেক এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। রায়ে স্থগিত মৃত্যুদণ্ড সাজার পাশাপাশি তাদের সব ব্যক্তিগত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
২০২৩ সালের মার্চে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন লি শাংফু। তবে তার মেয়াদ ছিল খুবই সংক্ষিপ্ত। ২০২৩ সালের আগস্টে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। দুই মাস পর অক্টোবরে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
সাংফু প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে ওয়েই ফেংহের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। ওয়েই ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পূর্ণ মেয়াদে দেশটির সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
ওয়েই ফেংহে ও লি শাংফুর সাজা চীনের সামরিক বাহিনীতে সম্প্রতি শুরু হওয়া ব্যাপক দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ। এ অভিযানে গত কয়েক মাসে দেশটির বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শীর্ষ সামরিক জেনারেল ঝাং ইউক্সিয়াও রয়েছেন সে তালিকায়।
ওই সময় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছিলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে সেনাবাহিনী এক বিপ্লবী পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।’
জিনপিং অবশ্য দীর্ঘ দিন ধরেই একের পর এক দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছেন। সমালোচকদের অভিযোগ, এই অভিযানগুলোকে দুর্নীতি দমনের আবরণে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরিয়ে দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে