
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে (বৃহস্পতিবার) আবারও পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় বসতে পারে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) গত আলোচনার সঙ্গে জড়িত পাঁচটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনও কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করা হয়নি, তবে দুই দেশই চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ আলোচনায় ফিরতে পারে। ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘কোনো চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হয়নি, তবে প্রতিনিধি দলগুলো শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত সময় খোলা রাখছে।’
গত শনিবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা কোনো সমাধান ছাড়াই শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন পরই এমন খবর সামনে এলো। গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার পর (বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর ৪টার দিকে) ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ৪ দিন পর পাকিস্তানের রাজধানীতে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে আয়োজিত এ বৈঠক ছিল গত এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে দুই দেশের কর্মকর্তাদের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। এমনকি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই ছিল সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক যোগাযোগ।
রয়টার্স বলছে, আলোচনা পুনরায় শুরু করতে দুই দেশের প্রতিনিধিদের আবারও ইসলামাবাদে পাঠানোর বিষয়ে উভয় পক্ষকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আলোচনার বিষয়ে অবগত পাকিস্তানের দুটি সূত্র জানায়, পরবর্তী দফার আলোচনার সময় নিয়ে ইসলামাবাদ উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং এই বৈঠকটি সম্ভবত সপ্তাহান্তেই অনুষ্ঠিত হবে।
পাকিস্তান সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি যে তারা দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য প্রস্তুত।’ তবে এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সামরিক বাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কোনো সাড়া দেয়নি। হোয়াইট হাউস থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
গত দফার আলোচনায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। সেখানে হরমুজ প্রণালীসহ বেশ কিছু অমীমাংসিত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রধান এই পথটি ইরান কার্যত বন্ধ করে দিলেও যুক্তরাষ্ট্র তা পুনরায় খুলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এ ছাড়া ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং তেহরানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়েও কথা হয়।
আলোচনা শেষে ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এখান থেকে একটি অত্যন্ত সহজ প্রস্তাব নিয়ে যাচ্ছি; এটি একটি সমঝোতার পথ যা আমাদের চূড়ান্ত এবং সেরা প্রস্তাব।’

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে (বৃহস্পতিবার) আবারও পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় বসতে পারে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) গত আলোচনার সঙ্গে জড়িত পাঁচটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনও কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করা হয়নি, তবে দুই দেশই চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ আলোচনায় ফিরতে পারে। ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘কোনো চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হয়নি, তবে প্রতিনিধি দলগুলো শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত সময় খোলা রাখছে।’
গত শনিবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা কোনো সমাধান ছাড়াই শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন পরই এমন খবর সামনে এলো। গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার পর (বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর ৪টার দিকে) ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ৪ দিন পর পাকিস্তানের রাজধানীতে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে আয়োজিত এ বৈঠক ছিল গত এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে দুই দেশের কর্মকর্তাদের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। এমনকি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই ছিল সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক যোগাযোগ।
রয়টার্স বলছে, আলোচনা পুনরায় শুরু করতে দুই দেশের প্রতিনিধিদের আবারও ইসলামাবাদে পাঠানোর বিষয়ে উভয় পক্ষকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আলোচনার বিষয়ে অবগত পাকিস্তানের দুটি সূত্র জানায়, পরবর্তী দফার আলোচনার সময় নিয়ে ইসলামাবাদ উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং এই বৈঠকটি সম্ভবত সপ্তাহান্তেই অনুষ্ঠিত হবে।
পাকিস্তান সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি যে তারা দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য প্রস্তুত।’ তবে এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সামরিক বাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কোনো সাড়া দেয়নি। হোয়াইট হাউস থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
গত দফার আলোচনায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। সেখানে হরমুজ প্রণালীসহ বেশ কিছু অমীমাংসিত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রধান এই পথটি ইরান কার্যত বন্ধ করে দিলেও যুক্তরাষ্ট্র তা পুনরায় খুলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এ ছাড়া ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং তেহরানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়েও কথা হয়।
আলোচনা শেষে ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এখান থেকে একটি অত্যন্ত সহজ প্রস্তাব নিয়ে যাচ্ছি; এটি একটি সমঝোতার পথ যা আমাদের চূড়ান্ত এবং সেরা প্রস্তাব।’

পুলিশ জানায়, কিং ডেভিড জুনিয়র স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাসটি একটি শিক্ষা সফর শেষে ফিরছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নামার সময় বাসটিতে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে চালক বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। নিয়ন্ত্রণহীন বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে গিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বিশ
১০ ঘণ্টা আগে
গত মাসের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আবারও প্রতিদিনের হামলা-পালটা হামলার পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেই ধারাবাহিকতায় টানা ষষ্ঠ রাতের মতো ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে শুক্রবার উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালানোর দাবি
১৫ ঘণ্টা আগে
হুতিদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, জাহাজ চলাচলে হামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে গোষ্ঠীটি। ইয়েমেনের হোদেইদাহ ও এডেন উপসাগরের দিকে নজর রাখা পার্বত্য এলাকায় এবং লোহিত সাগরের প্রবেশপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোতায়েন করেছে। এখন শুধু হামলা শুরুর নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে তা
১ দিন আগে
স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আর অনুমতি ছাড়া তাদের শিক্ষাগত লক্ষ্য পরিবর্তন করতে পারবেন না বা অন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর হতে পারবেন না। এ ছাড়া ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার জন্য যে ৬০ দিনের ‘গ্রেস পিরিয়ড’ ছিল, তা কমিয়ে ৩০ দিন করা হয়েছে।
১ দিন আগে