
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশ হিসেবে দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছে অস্ট্রিয়া, পর্তুগাল, জিম্বাবুয়ে, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং কিরগিজস্তান। ইউরোপ অঞ্চল থেকে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও হেরে গেছে প্রভাবশালী দেশ জার্মানি।
বুধবার (৩ জুন) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সদস্য রাষ্ট্রগুলো গোপন ব্যালটে দেওয়া ভোটে এ পাঁচ দেশকে নির্বাচিত করে। এসব দেশ ২০২৭-২৮ সাল মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
পাঁচটি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্যদেশ নিয়ে গঠিত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদই একমাত্র সংস্থা যা যেকোনো আইনি বাধ্যবাধকতামূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং শক্তি প্রয়োগের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এর মধ্যে পাঁচ স্থায়ী দেশ ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
বাকি অস্থায়ী ১০টি অস্থায়ী দেশ নির্বাচিত হয় দুই বছরের জন্য। প্রতি বছর পাঁচটি করে দেশ যুক্ত হয় এ তালিকায়। বর্তমানে বাহরাইন, কলম্বিয়া, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, লাটভিয়া, লাইবেরিয়া, ডেনমার্ক, গ্রিস, সোমালিয়া, পানামা ও পাকিস্তান নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
এই ১০ দেশের মধ্যে প্রথম পাঁচটি দেশের মেয়াদ রয়েছে ২০২৭ সাল পর্যন্ত। শেষ পাঁচ দেশের মেয়াদ শেষ হচ্ছে এ বছরই। তাদের প্রতিস্থাপন করতেই বুধবার নতুন পাঁচটি দেশ নির্বাচন করা হয়, যারা দায়িত্ব নেবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি।
এ নির্বাচনে ‘পশ্চিম ইউরোপ ও অন্যান্য দেশ’ গ্রুপের জন্য নির্ধারিত দুটি আসনের জন্য জার্মানি, পর্তুগাল ও অস্ট্রিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। শক্তিশালী লবিং করেও শেষ পর্যন্ত ভোটে বড় ধাক্কা খেয়েছে জার্মানি। ১০৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান পায় দেশটি। অন্যদিকে ১৩৪ ভোট পেয়ে পর্তুগাল ও ১৩১ ভোট পেয়ে অস্ট্রিয়া সদস্যপদ নিশ্চিত করে।
এদিকে ‘এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপে’ একটি আসনের বিপরীতে ফিলিপাইন ও কিরগিজস্তানের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। চার দফা ভোটগ্রহণের পর প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে কিরগিজস্তান। তারা ১৪২-৪৯ ভোটের ব্যবধানে ফিলিপাইনকে হারিয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নিরাপত্তা পরিষদের আসনটি লুফে নেয়।
অন্যদিকে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং জিম্বাবুয়ে নিজ নিজ আঞ্চলিক গ্রুপ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশ হিসেবে দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছে অস্ট্রিয়া, পর্তুগাল, জিম্বাবুয়ে, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং কিরগিজস্তান। ইউরোপ অঞ্চল থেকে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও হেরে গেছে প্রভাবশালী দেশ জার্মানি।
বুধবার (৩ জুন) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সদস্য রাষ্ট্রগুলো গোপন ব্যালটে দেওয়া ভোটে এ পাঁচ দেশকে নির্বাচিত করে। এসব দেশ ২০২৭-২৮ সাল মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
পাঁচটি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্যদেশ নিয়ে গঠিত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদই একমাত্র সংস্থা যা যেকোনো আইনি বাধ্যবাধকতামূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং শক্তি প্রয়োগের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এর মধ্যে পাঁচ স্থায়ী দেশ ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
বাকি অস্থায়ী ১০টি অস্থায়ী দেশ নির্বাচিত হয় দুই বছরের জন্য। প্রতি বছর পাঁচটি করে দেশ যুক্ত হয় এ তালিকায়। বর্তমানে বাহরাইন, কলম্বিয়া, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, লাটভিয়া, লাইবেরিয়া, ডেনমার্ক, গ্রিস, সোমালিয়া, পানামা ও পাকিস্তান নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
এই ১০ দেশের মধ্যে প্রথম পাঁচটি দেশের মেয়াদ রয়েছে ২০২৭ সাল পর্যন্ত। শেষ পাঁচ দেশের মেয়াদ শেষ হচ্ছে এ বছরই। তাদের প্রতিস্থাপন করতেই বুধবার নতুন পাঁচটি দেশ নির্বাচন করা হয়, যারা দায়িত্ব নেবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি।
এ নির্বাচনে ‘পশ্চিম ইউরোপ ও অন্যান্য দেশ’ গ্রুপের জন্য নির্ধারিত দুটি আসনের জন্য জার্মানি, পর্তুগাল ও অস্ট্রিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। শক্তিশালী লবিং করেও শেষ পর্যন্ত ভোটে বড় ধাক্কা খেয়েছে জার্মানি। ১০৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান পায় দেশটি। অন্যদিকে ১৩৪ ভোট পেয়ে পর্তুগাল ও ১৩১ ভোট পেয়ে অস্ট্রিয়া সদস্যপদ নিশ্চিত করে।
এদিকে ‘এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপে’ একটি আসনের বিপরীতে ফিলিপাইন ও কিরগিজস্তানের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। চার দফা ভোটগ্রহণের পর প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে কিরগিজস্তান। তারা ১৪২-৪৯ ভোটের ব্যবধানে ফিলিপাইনকে হারিয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নিরাপত্তা পরিষদের আসনটি লুফে নেয়।
অন্যদিকে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং জিম্বাবুয়ে নিজ নিজ আঞ্চলিক গ্রুপ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে