
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় যুদ্ধ বন্ধে ইসরায়েলের কাছে হামাসের দাবি মেনে নেওয়া হবে না জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হামাসের হাতে জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের গাজা আক্রমণে বিরতি দিতে মিশরের কায়রোয় আলোচনা চলছে। ঠিক এই সময় নেতানিয়াহু এমন কথা বললেন। রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিকে হামাস জোর দিয়ে বলেছে- যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হবে কিনা সেটিই হলো মূল স্টিকিং পয়েন্ট। অন্যদিকে নেতানিয়াহু বলছেন, প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী গাজার নিয়ন্ত্রণ হামাসের কাছে থাকবে, এটি ইসরায়েলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
গতকাল শনিবার কায়রোতে কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকারীরা হামাসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময়ে তারা হামাসের কাছ থেকে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া শোনেন। প্রস্তাবে ৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে জিম্মিদের ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হয়।
হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াহর একজন উপদেষ্টা বলেছেন, তাদের সংগঠন ‘সম্পূর্ণ গুরুত্ব সহকারে’ সর্বশেষ প্রস্তাবটি দেখছে। যেকোনো চুক্তিতে স্পষ্টভাবে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ও যুদ্ধের সম্পূর্ণ সমাপ্তি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
রোববার নেতানিয়াহু এক বক্তব্যে বলেন, আমরা এমন পরিস্থিতি মেনে নিতে প্রস্তুত নই যেখানে হামাস ব্যাটালিয়নগুলো নিজেদের বাঙ্কার থেকে বেরিয়ে আসে ও আবার গাজার নিয়ন্ত্রণ নেয়; তাদের সামরিক অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করে ও আশপাশের ইসরায়েলের নাগরিকদের হুমকি হয়ে ওঠে। ইসরায়েল হামাসের দাবিতে রাজি হবে না।
দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তাও নিজেদের গণমাধ্যমে বলেছেন, ইসরায়েল কোনো অবস্থায় আমাদের অপহৃতদের মুক্ত করার চুক্তির অংশ হিসেবে যুদ্ধ শেষ করতে রাজি হবে না। আইডিএফ রাফাহতে প্রবেশ করবে এবং সেখানে অবশিষ্ট হামাস ব্যাটালিয়নগুলোকে ধ্বংস করবে। আমাদের বন্দীদের মুক্ত করার আগে সেনারা একটি সাময়িক বিরতীতে রয়েছে।
এর আগে হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রস্তাব মানবে না বলে দাবি করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হামাসের এক সিনিয়র কর্মকর্তা। তার ভাষ্যে, এটি সম্পূর্ণভাবে গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটাবে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইসরায়েলি নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ব্যক্তিগতভাবে চুক্তিকে বাধাগ্রস্ত করছেন। হামাস কোনো অবস্থাতেই এই প্রস্তাবে রাজি হবে না। কারণ, প্রস্তাবে গাজা যুদ্ধের সম্পূর্ণ অবসান এবং সেখান থেকে ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত নেই।
উল্লেখ্য, এর আগেও গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় আলোচনা চলে। কিন্তু সেটি এক পর্যায়ে থমকে যায়। কারণ, হামাসের দাবি একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি। কিন্তু নেতানিয়াহু বারবার গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় অভিযান চালানোর বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসছেন। রাফাহ বর্তমানে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়স্থল।
গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায়। ওইদিনই ইসরায়েল গাজায় প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা শুরু করে। অব্যাহত হামলায় এপর্যন্ত ৩৪ হাজার ৬৫৪ জন বেসামরিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এদের অধিকাংশ নারী ও শিশু।

গাজায় যুদ্ধ বন্ধে ইসরায়েলের কাছে হামাসের দাবি মেনে নেওয়া হবে না জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হামাসের হাতে জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের গাজা আক্রমণে বিরতি দিতে মিশরের কায়রোয় আলোচনা চলছে। ঠিক এই সময় নেতানিয়াহু এমন কথা বললেন। রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিকে হামাস জোর দিয়ে বলেছে- যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হবে কিনা সেটিই হলো মূল স্টিকিং পয়েন্ট। অন্যদিকে নেতানিয়াহু বলছেন, প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী গাজার নিয়ন্ত্রণ হামাসের কাছে থাকবে, এটি ইসরায়েলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
গতকাল শনিবার কায়রোতে কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকারীরা হামাসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময়ে তারা হামাসের কাছ থেকে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া শোনেন। প্রস্তাবে ৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে জিম্মিদের ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হয়।
হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াহর একজন উপদেষ্টা বলেছেন, তাদের সংগঠন ‘সম্পূর্ণ গুরুত্ব সহকারে’ সর্বশেষ প্রস্তাবটি দেখছে। যেকোনো চুক্তিতে স্পষ্টভাবে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ও যুদ্ধের সম্পূর্ণ সমাপ্তি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
রোববার নেতানিয়াহু এক বক্তব্যে বলেন, আমরা এমন পরিস্থিতি মেনে নিতে প্রস্তুত নই যেখানে হামাস ব্যাটালিয়নগুলো নিজেদের বাঙ্কার থেকে বেরিয়ে আসে ও আবার গাজার নিয়ন্ত্রণ নেয়; তাদের সামরিক অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করে ও আশপাশের ইসরায়েলের নাগরিকদের হুমকি হয়ে ওঠে। ইসরায়েল হামাসের দাবিতে রাজি হবে না।
দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তাও নিজেদের গণমাধ্যমে বলেছেন, ইসরায়েল কোনো অবস্থায় আমাদের অপহৃতদের মুক্ত করার চুক্তির অংশ হিসেবে যুদ্ধ শেষ করতে রাজি হবে না। আইডিএফ রাফাহতে প্রবেশ করবে এবং সেখানে অবশিষ্ট হামাস ব্যাটালিয়নগুলোকে ধ্বংস করবে। আমাদের বন্দীদের মুক্ত করার আগে সেনারা একটি সাময়িক বিরতীতে রয়েছে।
এর আগে হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রস্তাব মানবে না বলে দাবি করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হামাসের এক সিনিয়র কর্মকর্তা। তার ভাষ্যে, এটি সম্পূর্ণভাবে গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটাবে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইসরায়েলি নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ব্যক্তিগতভাবে চুক্তিকে বাধাগ্রস্ত করছেন। হামাস কোনো অবস্থাতেই এই প্রস্তাবে রাজি হবে না। কারণ, প্রস্তাবে গাজা যুদ্ধের সম্পূর্ণ অবসান এবং সেখান থেকে ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত নেই।
উল্লেখ্য, এর আগেও গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় আলোচনা চলে। কিন্তু সেটি এক পর্যায়ে থমকে যায়। কারণ, হামাসের দাবি একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি। কিন্তু নেতানিয়াহু বারবার গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় অভিযান চালানোর বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসছেন। রাফাহ বর্তমানে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়স্থল।
গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায়। ওইদিনই ইসরায়েল গাজায় প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা শুরু করে। অব্যাহত হামলায় এপর্যন্ত ৩৪ হাজার ৬৫৪ জন বেসামরিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এদের অধিকাংশ নারী ও শিশু।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মাশহাদের দিকে এগিয়ে যায় খামেনির মরদেহবাহী ট্রাক। রাস্তার দুই পাশে কালো পোশাক পরা লাখো শোকাহত মানুষ ইরানের পতাকা, খামেনির ছবি ও বিপ্লবী স্লোগান লেখা লাল প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ধীরগতিতে এগিয়ে চলা শবযাত্রার সময় পুরো শহরে শোক, ধর্মীয় আবেগ ও প্রতিশোধের আহ্বানের মিশ্র পরিবেশ
১২ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এ খবর দিয়েছে গালফ নিউজ। খবরে বলা হয়েছে, বিগ টিকেট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিজয়ী বাংলাদেশি মোহাম্মদ আতিক হাসানের টিকিট নম্বর ছিল ৩৫৯৬৮৫। তবে তিনি কত দিন ধরে এই ড্রতে অংশ নিচ্ছিলেন বা পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যবহার করবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে
দূতাবাস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে ব্যাংক ও পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সারচার্জ বা প্রসেসিং ফি প্রযোজ্য হবে, যা সেবাগ্রহীতাকে বহন করতে হবে। প্রযোজ্য সারচার্জের হার ব্যবহৃত পেমেন্ট পদ্ধতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আসামের বিরোধী দল অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (এআইইউডিএফ) এই প্রধান সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরও বলেন, কথিত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে আইন ও সংবিধান অনুসরণ করতেই হবে। সীমান্তে কাউকে জোর করে ঠেলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
১৪ ঘণ্টা আগে