
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারত থেকে কথিত অবৈধ বাংলাদেশি শনাক্ত করে বহিষ্কার ও সীমান্ত দিয়ে জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া তথা পুশইনের (ভারতের জন্য পুশব্যাক) প্রক্রিয়াকে ‘সম্পূর্ণ বেআইনি’ ও ‘সংবিধানের সঙ্গে পরিপন্থি’ বলে অভিহিত করেছেন ভারতের আসামের এমএলএ বা বিধায়ক বদরুদ্দিন আজমল।
আসামের বিরোধী দল অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (এআইইউডিএফ) এই প্রধান সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরও বলেন, কথিত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে আইন ও সংবিধান অনুসরণ করতেই হবে। সীমান্তে কাউকে জোর করে ঠেলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আজমল বলেন, ‘পুশব্যাক সম্পূর্ণ বেআইনি। এটি অবৈধ ও ভুল। এটি হওয়া উচিত নয়। এটি একটি নৃশংস কাজ। বর্তমান বিশ্ব আইন দিয়ে চলে, সংবিধান দিয়ে চলে। ভারতের সংবিধানের দৃষ্টিকোণ থেকে যারা এসব করছে, তারা আসলে সংবিধানকে সম্মান করে না।’
ভারতের গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, আজমলের এই মন্তব্য এমন একসময়ে এলো, যখন পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে কথিত অবৈধ বাংলাদেশিদের শনাক্ত, আটক ও বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই আলোচনায় রয়েছে ভারত থেকে পুশইনের ইস্যুটি। ওই নির্বাচনে জয় পেয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করে।
৪ মে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ৯ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নবগঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে অবস্থানরত ‘অবৈধ’ বাংলাদেশিদের শনাক্ত করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে।
এরপর থেকে গত দুই মাসে দেশের সীমান্তবর্তী প্রায় সব জেলাতেই পুশইনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএসএফ। সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজির সঙ্গে বিএসএফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কয়েকটি ঘটনায় বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্তে অবস্থান নিয়ে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারও পুশইনের চেষ্টায় কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা নিয়মিতভাবে নয়াদিল্লিকে কূটনৈতিক নোট পাঠাচ্ছে বলেও জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ভারত থেকে কথিত অবৈধ বাংলাদেশি শনাক্ত করে বহিষ্কার ও সীমান্ত দিয়ে জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া তথা পুশইনের (ভারতের জন্য পুশব্যাক) প্রক্রিয়াকে ‘সম্পূর্ণ বেআইনি’ ও ‘সংবিধানের সঙ্গে পরিপন্থি’ বলে অভিহিত করেছেন ভারতের আসামের এমএলএ বা বিধায়ক বদরুদ্দিন আজমল।
আসামের বিরোধী দল অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (এআইইউডিএফ) এই প্রধান সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরও বলেন, কথিত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে আইন ও সংবিধান অনুসরণ করতেই হবে। সীমান্তে কাউকে জোর করে ঠেলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আজমল বলেন, ‘পুশব্যাক সম্পূর্ণ বেআইনি। এটি অবৈধ ও ভুল। এটি হওয়া উচিত নয়। এটি একটি নৃশংস কাজ। বর্তমান বিশ্ব আইন দিয়ে চলে, সংবিধান দিয়ে চলে। ভারতের সংবিধানের দৃষ্টিকোণ থেকে যারা এসব করছে, তারা আসলে সংবিধানকে সম্মান করে না।’
ভারতের গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, আজমলের এই মন্তব্য এমন একসময়ে এলো, যখন পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে কথিত অবৈধ বাংলাদেশিদের শনাক্ত, আটক ও বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই আলোচনায় রয়েছে ভারত থেকে পুশইনের ইস্যুটি। ওই নির্বাচনে জয় পেয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করে।
৪ মে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ৯ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নবগঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে অবস্থানরত ‘অবৈধ’ বাংলাদেশিদের শনাক্ত করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে।
এরপর থেকে গত দুই মাসে দেশের সীমান্তবর্তী প্রায় সব জেলাতেই পুশইনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএসএফ। সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজির সঙ্গে বিএসএফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কয়েকটি ঘটনায় বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্তে অবস্থান নিয়ে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারও পুশইনের চেষ্টায় কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা নিয়মিতভাবে নয়াদিল্লিকে কূটনৈতিক নোট পাঠাচ্ছে বলেও জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
২১ ঘণ্টা আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
২১ ঘণ্টা আগে