
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্য সংকট ঘিরে বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসা হরমুজ প্রণালি এবার সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌ বাহিনী।
আইআরজিসি জানিয়েছে, আগে নিরাপদ চলাচলের জন্য যে করিডোরটি নির্দিষ্ট করা হয়েছিল, তার ওপরও এখন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। ইরানের বন্দর ও জাহাজগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে শনিবার গভীর রাতে আইআরজিসির এ এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার ইরান বলেছিল, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে এবং নির্দিষ্ট টোল পরিশোধ করে জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারবে। নতুন বিবৃতি বলছে, এবার টোল দিয়ে জাহাজ চলাচলের সুযোগও তারা বন্ধ করে দিয়েছে। অর্থাৎ হরমুজ প্রণালি যুদ্ধবিরতির আগের সময়ের মতো পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, আগে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ও ফি দিয়ে জাহাজ চলাচলের যে সুযোগ ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনকারী যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা শুরু করলে ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয়। প্রায় ৪০ দিনের যুদ্ধের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। ওই যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শর্ত ছিল, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে হবে।
ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকর করে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসে। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনায় শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় দুই দেশ। পরদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণা দেন। এতে হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়।
ইরান মনে করছে, হরমুজ প্রণালিতে তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের এ অবরোধ দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সে কারণেই তারা এই প্রণালি ফের পুরোপুরি বন্ধের দিকে হাঁটল।
হরমুজ প্রণালি মূলত ইরান ও ওমানের জলসীমায় অবস্থিত সংকীণ একটি জলপথ, যেটি সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহন করে থাকে। এ ছাড়া এলএনজি পরিবহনেরও গুরুত্বপূর্ণ রুট এটি। ইরান যুদ্ধের শুরু থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় সারা বিশ্বেই জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকট ঘিরে বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসা হরমুজ প্রণালি এবার সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌ বাহিনী।
আইআরজিসি জানিয়েছে, আগে নিরাপদ চলাচলের জন্য যে করিডোরটি নির্দিষ্ট করা হয়েছিল, তার ওপরও এখন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। ইরানের বন্দর ও জাহাজগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে শনিবার গভীর রাতে আইআরজিসির এ এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার ইরান বলেছিল, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে এবং নির্দিষ্ট টোল পরিশোধ করে জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারবে। নতুন বিবৃতি বলছে, এবার টোল দিয়ে জাহাজ চলাচলের সুযোগও তারা বন্ধ করে দিয়েছে। অর্থাৎ হরমুজ প্রণালি যুদ্ধবিরতির আগের সময়ের মতো পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, আগে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ও ফি দিয়ে জাহাজ চলাচলের যে সুযোগ ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনকারী যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা শুরু করলে ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয়। প্রায় ৪০ দিনের যুদ্ধের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। ওই যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শর্ত ছিল, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে হবে।
ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকর করে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসে। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনায় শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় দুই দেশ। পরদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণা দেন। এতে হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়।
ইরান মনে করছে, হরমুজ প্রণালিতে তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের এ অবরোধ দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সে কারণেই তারা এই প্রণালি ফের পুরোপুরি বন্ধের দিকে হাঁটল।
হরমুজ প্রণালি মূলত ইরান ও ওমানের জলসীমায় অবস্থিত সংকীণ একটি জলপথ, যেটি সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহন করে থাকে। এ ছাড়া এলএনজি পরিবহনেরও গুরুত্বপূর্ণ রুট এটি। ইরান যুদ্ধের শুরু থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় সারা বিশ্বেই জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সংকট নিয়ে যেকোনো সময় বড় ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলমান অচলাবস্থা ভাঙতে তিনি আরও বড় পরিসরে বোমা হামলার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, এমন আশঙ্কা থেকে মার্কিন শীর্ষ উপদেষ্টারা ইতোমধ্যে পুনরায় সামরিক অভিযান
৫ ঘণ্টা আগে
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে বাসে ভয়াবহ আগুন লেগে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৫ জন। শনিবার দেশটির উদ্ধারকর্মী ও পুলিশের বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
শনিবার (১৬ মে) দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে টাইমস অব ওমানের খবরে বলা হয়, গাড়ি চালু থাকা অবস্থায় দীর্ঘ সময় ভেতরে অবস্থান করায় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন চার ভাই। এ ঘটনার পর আবদ্ধ গাড়ির ভেতরে ঘুমানো থেকে বিরত থাকতে সতর্কতা জারি করেছে রয়্যাল ওমান পুলিশ।
২০ ঘণ্টা আগে
আব্বাস আরাগচি বলেন, পরস্পরবিরোধী বার্তা আমেরিকানদের আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইরানিদের মনে সন্দেহ জাগিয়েছে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানি মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়নি, তবে এটি ‘কঠিন পরিস্থিতির’ মধ্যে রয়েছে। ইরান যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার চেষ্টা করছে, কিন্তু লড়াইয়ে ফিরে যেতেও প্রস্তুত।
১ দিন আগে