
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মৃত্যুর চার মাসেরও বেশি সময় পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই)। যুদ্ধকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তার প্রকাশ্য জানাজা ও দাফন স্থগিত রাখা হয়েছিল বলে দাবি করেছে তেহরান। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় এখন দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছে দেশটি।
ইরান যুদ্ধের তীব্রতার কারণে নিহত হওয়ার পরপরই খামেনির প্রকাশ্য জানাজা স্থগিত করা হয়। বর্তমানে রাজধানী তেহরানে দাফনের প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর পবিত্র শহর কোম এবং ইরাকে বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালিত হবে। এরপর আগামী বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে অবস্থিত ইমাম রেজার মাজারে তাকে দাফন করা হবে।
ইসলামি রীতি অনুযায়ী মৃত্যুর পর দ্রুত দাফনের প্রচলন থাকলেও খামেনির দাফন তার মৃত্যুর চার মাসেরও বেশি সময় পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন দাফন না হওয়ায় এমনও গুঞ্জন ওঠে যে, খামেনির মরদেহ সাময়িকভাবে দাফন করা হয়েছিল।
তবে ইরানি কর্মকর্তারা তা নাকচ করে দিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং নিরাপত্তাজনিত অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণেই দাফন বিলম্বিত হয়েছে। তাদের দাবি, পুরো সময়জুড়ে মরদেহ ধর্মীয় বিধান মেনেই সংরক্ষণ করা হয়েছে। ইসলামে সাধারণত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে মরদেহ সংরক্ষণ নিরুৎসাহিত করা হয়।
সন্ত্রাসবাদবিষয়ক বিশ্লেষক ড. মোহাম্মদ ওমর ফক্স নিউজকে বলেন, ‘খামেনির মরদেহ প্রায় নিশ্চিতভাবেই রাসায়নিক সংরক্ষণ নয়, বরং হিমায়িত শীতল সংরক্ষণাগারে রাখা হয়েছিল। কারণ ইসলামে রাসায়নিক সংরক্ষণ অনুমোদিত নয়।’
তিনি বলেন, ‘ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে শিয়া শরিয়তে দাফনে বিলম্ব এবং শীতল পরিবেশে মরদেহ সংরক্ষণের অনুমতি রয়েছে। আর সর্বোচ্চ নেতার ক্ষেত্রে ধর্মীয় অনুমোদন পাওয়াও কঠিন নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের ফরেনসিক মর্গে এমনিতেই কয়েক মাস ধরে মৃতদেহ রাখা হয়, তাই চার মাস হিমায়িত অবস্থায় রাখা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। ধর্মীয় ও আইনি মানদণ্ড বলতে এটিই বোঝানো হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, ইরান সরকার এ শোকানুষ্ঠানকে জাতীয় ঐক্য ও সম্মিলিত শোকের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরতে চায়। শোকানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক প্রতীকে খামেনির মুষ্টিবদ্ধ হাতের ছবি এবং ‘আমাদের জেগে উঠতেই হবে’— এই স্লোগান ব্যবহার করা হয়েছে।

মৃত্যুর চার মাসেরও বেশি সময় পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই)। যুদ্ধকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তার প্রকাশ্য জানাজা ও দাফন স্থগিত রাখা হয়েছিল বলে দাবি করেছে তেহরান। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় এখন দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছে দেশটি।
ইরান যুদ্ধের তীব্রতার কারণে নিহত হওয়ার পরপরই খামেনির প্রকাশ্য জানাজা স্থগিত করা হয়। বর্তমানে রাজধানী তেহরানে দাফনের প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর পবিত্র শহর কোম এবং ইরাকে বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালিত হবে। এরপর আগামী বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে অবস্থিত ইমাম রেজার মাজারে তাকে দাফন করা হবে।
ইসলামি রীতি অনুযায়ী মৃত্যুর পর দ্রুত দাফনের প্রচলন থাকলেও খামেনির দাফন তার মৃত্যুর চার মাসেরও বেশি সময় পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন দাফন না হওয়ায় এমনও গুঞ্জন ওঠে যে, খামেনির মরদেহ সাময়িকভাবে দাফন করা হয়েছিল।
তবে ইরানি কর্মকর্তারা তা নাকচ করে দিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং নিরাপত্তাজনিত অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণেই দাফন বিলম্বিত হয়েছে। তাদের দাবি, পুরো সময়জুড়ে মরদেহ ধর্মীয় বিধান মেনেই সংরক্ষণ করা হয়েছে। ইসলামে সাধারণত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে মরদেহ সংরক্ষণ নিরুৎসাহিত করা হয়।
সন্ত্রাসবাদবিষয়ক বিশ্লেষক ড. মোহাম্মদ ওমর ফক্স নিউজকে বলেন, ‘খামেনির মরদেহ প্রায় নিশ্চিতভাবেই রাসায়নিক সংরক্ষণ নয়, বরং হিমায়িত শীতল সংরক্ষণাগারে রাখা হয়েছিল। কারণ ইসলামে রাসায়নিক সংরক্ষণ অনুমোদিত নয়।’
তিনি বলেন, ‘ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে শিয়া শরিয়তে দাফনে বিলম্ব এবং শীতল পরিবেশে মরদেহ সংরক্ষণের অনুমতি রয়েছে। আর সর্বোচ্চ নেতার ক্ষেত্রে ধর্মীয় অনুমোদন পাওয়াও কঠিন নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের ফরেনসিক মর্গে এমনিতেই কয়েক মাস ধরে মৃতদেহ রাখা হয়, তাই চার মাস হিমায়িত অবস্থায় রাখা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। ধর্মীয় ও আইনি মানদণ্ড বলতে এটিই বোঝানো হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, ইরান সরকার এ শোকানুষ্ঠানকে জাতীয় ঐক্য ও সম্মিলিত শোকের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরতে চায়। শোকানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক প্রতীকে খামেনির মুষ্টিবদ্ধ হাতের ছবি এবং ‘আমাদের জেগে উঠতেই হবে’— এই স্লোগান ব্যবহার করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে