ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ইইউর

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১২ মে ২০২৬, ১৯: ২৫
ইইউর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কায়া কাল্লাস। ছবি: সংগৃহীত

দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে দখলদার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ঝুলে থাকা নিষেধাজ্ঞায় সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ঐকমত্যের পর ইইউর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কায়া কাল্লাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে বলেন, ‘অচলাবস্থা কাটিয়ে (নিষেধাজ্ঞা) বাস্তবায়নের এটাই উপযুক্ত সময়।’

সোমবার (১১ মে) ব্রাসেলস থেকে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল ব্যারো বলেন, পশ্চিম তীরে চরমপন্থা ও সহিংস উপনিবেশ স্থাপন প্রক্রিয়ায় সমর্থনকারী প্রধান ইসরাইলি সংগঠনগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে ইইউ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘এ ধরনের গুরুতর ও অসহনীয় কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।’

ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা ও বসতি সম্প্রসারণের জবাবে নেওয়া এ পদক্ষেপ এতদিন আটকে ছিল হাঙ্গেরির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের বিরোধিতার কারণে। তবে ক্ষমতার পালাবদলে পিটার মাগইয়ার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভেটো প্রত্যাহারের এ পথ তৈরি হয়েছে।

ইইউ কর্মকর্তারা জানান, সাত জন বসতি স্থাপনকারী বা বসতি স্থাপনকারী সংগঠনকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। একইসঙ্গে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপে সম্মত হয়েছে জোটটি।

নতুন এ নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ইইউর এ উদ্যোগের নিন্দা জানিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ইইউ কোনোরকমের ভিত্তি ছাড়াই শুধু রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে খেয়ালখুশি মতো এবং রাজনৈতিকভাবে ইসরায়েলি নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।’

ইসরায়েলের কট্টরপন্থী নেতা ও জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির ইইউকে ‘ইহুদি-বিদ্বেষী’ বলে কড়া সমালোচনা করেছেন।

সূত্র : আল-জাজিরা।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে বড় সুবিধা পাবে আইআরজিসির ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।

৬ ঘণ্টা আগে

‘বিশ্বাসঘাতক’ ট্রাম্পের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায় ক্ষোভ, এককভাবে লড়াইয়ের পক্ষে ইসরায়েলিরা

৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।

৬ ঘণ্টা আগে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা: সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন উইটকফ ও আরাগচি

লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে

ইরান ইস্যুই গড়তে পারে জে ডি ভ্যান্সের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

৯ ঘণ্টা আগে