
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রেকর্ড তাপপ্রবাহের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই এবার একের পর এক দাবানলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দক্ষিণ ফ্রান্স। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে শত শত দমকল কর্মী, অগ্নিনির্বাপণ বিমান ও হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। দাবানলের কারণে প্রায় তিন হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ আগামী সপ্তাহে আবারও তাপমাত্রা বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে।
ইউরো নিউজের খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণ ফ্রান্সের অদ বিভাগে ছড়িয়ে পড়া একটি বড় দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০০ হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে। আগুনের ধোঁয়ায় আকাশ ঢেকে গেছে এবং আশপাশের বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ৬৯০ জন দমকলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের সহায়তায় ড্যাশ অগ্নিনির্বাপণ বিমান, কানাডেয়ার উভচর বিমান ও ‘ড্রাগন হেলিকপ্টার’ থেকে আগুনের ওপর অগ্নিনিরোধক রাসায়নিক ছিটানো হচ্ছে।
এদিকে পিরেনে-ওরিয়ঁতাল বিভাগের সাঁত-মারি-লা-মের শহরে শুরু হওয়া আরেক দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কানে-আঁ-রুসিয়োঁ এলাকায় পৌঁছায়। আগুনের কারণে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাসহ প্রায় তিন হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি ক্যাম্পসাইটে অবস্থান করছিলেন।
দাবানলে দুটি মোবাইল হোম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং বিস্তীর্ণ এলাকার গাছপালা পুড়ে গেছে। অনেক মানুষ সামান্য কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য হন। আগুন নিয়ন্ত্রণে ২০০ দমকল কর্মী ও চারটি অগ্নিনির্বাপণ বিমান কাজ করছে। এ সময় দুই দমকলকর্মী সামান্য আহত হয়েছেন।
দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা পিয়ের রেনো দ্য লা মোত জানান, শিল্পাঞ্চলে আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে দমকল কর্মীদের ‘কঠিন লড়াই’ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবীকেও কাজে লাগানো হয়েছে।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানান, বুধবার থেকে শুরু হওয়া বিভিন্ন বনাঞ্চলের আগুন নিয়ন্ত্রণে দেশ জুড়ে এক হাজার ২০০ দমকলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, আবহাওয়ার পরিস্থিতি এখনো আগুন ছড়িয়ে পড়ার জন্য অত্যন্ত অনুকূল।
আবহাওয়া সংস্থা মেতেও-ফ্রান্স জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে আবারও তাপমাত্রা বাড়বে। যদিও তা জুন মাসের রেকর্ড তাপপ্রবাহের মতো চরম হবে না। তবে দীর্ঘদিনের খরায় উদ্ভিদ ও বনভূমি তীব্র পানিশূন্যতায় ভুগছে। এর সঙ্গে ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলজুড়ে প্রবল বাতাস বইতে থাকায় দাবানলের ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) গত সপ্তাহে জানিয়েছে, জুনের রেকর্ড তাপপ্রবাহ শুধু মানুষের স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবেশ ও অবকাঠামোর ওপরই বড় প্রভাব ফেলেনি, একই সঙ্গে দাবানলের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।
ফ্রান্সের কিছু রাজনীতিক সরকারের জলবায়ু মোকাবিলার প্রস্তুতিকে অপর্যাপ্ত বলে সমালোচনা করেছেন। এ ইস্যুতে দেশটির গ্রিন পার্টি বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নুর সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবও জমা দিয়েছে।
এদিকে গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, দাবানলের পাশাপাশি জুনের তাপপ্রবাহে প্রাণহানির সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে। ফরাসি জনস্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে আগের সপ্তাহের তুলনায় অতিরিক্ত দুই হাজার ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংস্থাটির মতে, প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে।
এর আগে তাপপ্রবাহে অন্তত এক হাজার অতিরিক্ত মৃত্যুর প্রাথমিক হিসাব দেওয়া হয়েছিল। নতুন তথ্য অনুযায়ী, শুধু প্যারিস অঞ্চলে ওই সপ্তাহে মৃত্যুর সংখ্যা ৬২ শতাংশ বেড়েছে। পে দ্য লা লোয়ার অঞ্চলেও একই ধরনের বৃদ্ধি দেখা গেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ত বলেছেন, এ হিসাব প্রাথমিক, এখনো চূড়ান্ত নয়। তবে তিনি মনে করেন, ২০০৩ সালের ভয়াবহ তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি এবার তৈরি হবে না। ওই বছর তীব্র গরমে ফ্রান্সে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, যাদের বেশির ভাগই ছিলেন বৃদ্ধাশ্রমে থাকা বয়স্ক ব্যক্তি।
তবে প্যারিসের সরকারি হাসপাতাল ব্যবস্থার প্রধান নিকোলা রেভেলের মতে, চলতি বছরের জুনের তাপপ্রবাহে প্রাণহানি গত বছরের তুলনায় বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত বছরের তাপপ্রবাহে দেশটিতে প্রায় পাঁচ হাজার ৭০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

রেকর্ড তাপপ্রবাহের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই এবার একের পর এক দাবানলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দক্ষিণ ফ্রান্স। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে শত শত দমকল কর্মী, অগ্নিনির্বাপণ বিমান ও হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। দাবানলের কারণে প্রায় তিন হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ আগামী সপ্তাহে আবারও তাপমাত্রা বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে।
ইউরো নিউজের খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণ ফ্রান্সের অদ বিভাগে ছড়িয়ে পড়া একটি বড় দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০০ হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে। আগুনের ধোঁয়ায় আকাশ ঢেকে গেছে এবং আশপাশের বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ৬৯০ জন দমকলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের সহায়তায় ড্যাশ অগ্নিনির্বাপণ বিমান, কানাডেয়ার উভচর বিমান ও ‘ড্রাগন হেলিকপ্টার’ থেকে আগুনের ওপর অগ্নিনিরোধক রাসায়নিক ছিটানো হচ্ছে।
এদিকে পিরেনে-ওরিয়ঁতাল বিভাগের সাঁত-মারি-লা-মের শহরে শুরু হওয়া আরেক দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কানে-আঁ-রুসিয়োঁ এলাকায় পৌঁছায়। আগুনের কারণে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাসহ প্রায় তিন হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি ক্যাম্পসাইটে অবস্থান করছিলেন।
দাবানলে দুটি মোবাইল হোম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং বিস্তীর্ণ এলাকার গাছপালা পুড়ে গেছে। অনেক মানুষ সামান্য কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য হন। আগুন নিয়ন্ত্রণে ২০০ দমকল কর্মী ও চারটি অগ্নিনির্বাপণ বিমান কাজ করছে। এ সময় দুই দমকলকর্মী সামান্য আহত হয়েছেন।
দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা পিয়ের রেনো দ্য লা মোত জানান, শিল্পাঞ্চলে আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে দমকল কর্মীদের ‘কঠিন লড়াই’ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবীকেও কাজে লাগানো হয়েছে।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানান, বুধবার থেকে শুরু হওয়া বিভিন্ন বনাঞ্চলের আগুন নিয়ন্ত্রণে দেশ জুড়ে এক হাজার ২০০ দমকলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, আবহাওয়ার পরিস্থিতি এখনো আগুন ছড়িয়ে পড়ার জন্য অত্যন্ত অনুকূল।
আবহাওয়া সংস্থা মেতেও-ফ্রান্স জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে আবারও তাপমাত্রা বাড়বে। যদিও তা জুন মাসের রেকর্ড তাপপ্রবাহের মতো চরম হবে না। তবে দীর্ঘদিনের খরায় উদ্ভিদ ও বনভূমি তীব্র পানিশূন্যতায় ভুগছে। এর সঙ্গে ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলজুড়ে প্রবল বাতাস বইতে থাকায় দাবানলের ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) গত সপ্তাহে জানিয়েছে, জুনের রেকর্ড তাপপ্রবাহ শুধু মানুষের স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবেশ ও অবকাঠামোর ওপরই বড় প্রভাব ফেলেনি, একই সঙ্গে দাবানলের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।
ফ্রান্সের কিছু রাজনীতিক সরকারের জলবায়ু মোকাবিলার প্রস্তুতিকে অপর্যাপ্ত বলে সমালোচনা করেছেন। এ ইস্যুতে দেশটির গ্রিন পার্টি বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নুর সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবও জমা দিয়েছে।
এদিকে গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, দাবানলের পাশাপাশি জুনের তাপপ্রবাহে প্রাণহানির সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে। ফরাসি জনস্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে আগের সপ্তাহের তুলনায় অতিরিক্ত দুই হাজার ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংস্থাটির মতে, প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে।
এর আগে তাপপ্রবাহে অন্তত এক হাজার অতিরিক্ত মৃত্যুর প্রাথমিক হিসাব দেওয়া হয়েছিল। নতুন তথ্য অনুযায়ী, শুধু প্যারিস অঞ্চলে ওই সপ্তাহে মৃত্যুর সংখ্যা ৬২ শতাংশ বেড়েছে। পে দ্য লা লোয়ার অঞ্চলেও একই ধরনের বৃদ্ধি দেখা গেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ত বলেছেন, এ হিসাব প্রাথমিক, এখনো চূড়ান্ত নয়। তবে তিনি মনে করেন, ২০০৩ সালের ভয়াবহ তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি এবার তৈরি হবে না। ওই বছর তীব্র গরমে ফ্রান্সে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, যাদের বেশির ভাগই ছিলেন বৃদ্ধাশ্রমে থাকা বয়স্ক ব্যক্তি।
তবে প্যারিসের সরকারি হাসপাতাল ব্যবস্থার প্রধান নিকোলা রেভেলের মতে, চলতি বছরের জুনের তাপপ্রবাহে প্রাণহানি গত বছরের তুলনায় বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত বছরের তাপপ্রবাহে দেশটিতে প্রায় পাঁচ হাজার ৭০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
২১ ঘণ্টা আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
২১ ঘণ্টা আগে