
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউরোপ জুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে জুন মাসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড গড়েছে যুক্তরাজ্য। একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করেছে, ইউরোপ জুড়ে চলমান এই দাবদাহ মানুষের জীবনের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।
বুধবার (২৪ জুন) যুক্তরাজ্যের ওয়েস্ট সাসেক্সের উইগনহোল্ট এলাকায় তাপমাত্রা ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর মেট অফিস।
এর মাধ্যমে ১৯৫৭ ও ১৯৭৬ সালে গড়া জুন মাসের আগের সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের রেকর্ড ভেঙে গেছে। তবে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড এখনো ২০২২ সালের ১৯ জুলাই লিংকনশায়ারের কনিংসবিতে রেকর্ড হওয়া ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
চরম গরমের কারণে বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত বিরল ‘রেড এক্সট্রিম হিট’ সতর্কতা জারি করেছে মেট অফিস। এ ছাড়া শুক্রবার ও শনিবারের জন্যও অ্যাম্বার সতর্কতা বহাল রাখা হয়েছে।
অস্বাভাবিক গরমে যুক্তরাজ্যের স্কুল, হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম ও কর্মক্ষেত্রে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তাপপ্রবাহের কারণে ট্রেনের গতি কমিয়ে আনা হয়েছে, অনেক হাসপাতাল রোগীদের নির্ধারিত চিকিৎসাসেবা স্থগিত করেছে, কোথাও কোথাও স্কুল আগেভাগে ছুটি দিয়েছে বা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি সংকট মোকাবিলায় কিছু এলাকায় পাইপ দিয়ে বাগানে পানি ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মেট অফিসের প্রধান বিজ্ঞানী অধ্যাপক স্টিফেন বেলচার বলেন, জুন মাসে যুক্তরাজ্যে এমন তাপমাত্রা জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তব প্রভাবেরই প্রমাণ। তার মতে, অতিরিক্ত তাপ ও আর্দ্রতা মানুষের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি পরিবহন, জ্বালানি ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও ব্যাপক চাপ তৈরি করছে।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন, ইউরোপের এই তাপপ্রবাহ মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। তার ভাষায়, ইউরোপে তাপমাত্রা বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হারে বাড়ছে, ফলে ভবিষ্যতে আরও ঘন ঘন ও তীব্র তাপপ্রবাহ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও সহনশীল করে তুলতে দ্রুত বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
ইউরোপের অন্য দেশগুলোতেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ফ্রান্সে গরম থেকে বাঁচতে জলাশয়ে নামতে গিয়ে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটি টানা ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ রাত ও দিন পার করেছে। অন্যদিকে স্পেনে সোমবার প্রতি আটটি আবহাওয়া কেন্দ্রের একটিতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। জার্মানিতেও সপ্তাহান্তে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপে তাপপ্রবাহ এখন আগের তুলনায় আরও দীর্ঘস্থায়ী, তীব্র ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি এবং হৃদ্রোগ বা ফুসফুসের সমস্যায় ভোগা মানুষদের জন্য এ ধরনের চরম গরম সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

ইউরোপ জুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে জুন মাসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড গড়েছে যুক্তরাজ্য। একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করেছে, ইউরোপ জুড়ে চলমান এই দাবদাহ মানুষের জীবনের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।
বুধবার (২৪ জুন) যুক্তরাজ্যের ওয়েস্ট সাসেক্সের উইগনহোল্ট এলাকায় তাপমাত্রা ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর মেট অফিস।
এর মাধ্যমে ১৯৫৭ ও ১৯৭৬ সালে গড়া জুন মাসের আগের সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের রেকর্ড ভেঙে গেছে। তবে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড এখনো ২০২২ সালের ১৯ জুলাই লিংকনশায়ারের কনিংসবিতে রেকর্ড হওয়া ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
চরম গরমের কারণে বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত বিরল ‘রেড এক্সট্রিম হিট’ সতর্কতা জারি করেছে মেট অফিস। এ ছাড়া শুক্রবার ও শনিবারের জন্যও অ্যাম্বার সতর্কতা বহাল রাখা হয়েছে।
অস্বাভাবিক গরমে যুক্তরাজ্যের স্কুল, হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম ও কর্মক্ষেত্রে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তাপপ্রবাহের কারণে ট্রেনের গতি কমিয়ে আনা হয়েছে, অনেক হাসপাতাল রোগীদের নির্ধারিত চিকিৎসাসেবা স্থগিত করেছে, কোথাও কোথাও স্কুল আগেভাগে ছুটি দিয়েছে বা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি সংকট মোকাবিলায় কিছু এলাকায় পাইপ দিয়ে বাগানে পানি ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মেট অফিসের প্রধান বিজ্ঞানী অধ্যাপক স্টিফেন বেলচার বলেন, জুন মাসে যুক্তরাজ্যে এমন তাপমাত্রা জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তব প্রভাবেরই প্রমাণ। তার মতে, অতিরিক্ত তাপ ও আর্দ্রতা মানুষের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি পরিবহন, জ্বালানি ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও ব্যাপক চাপ তৈরি করছে।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন, ইউরোপের এই তাপপ্রবাহ মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। তার ভাষায়, ইউরোপে তাপমাত্রা বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হারে বাড়ছে, ফলে ভবিষ্যতে আরও ঘন ঘন ও তীব্র তাপপ্রবাহ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও সহনশীল করে তুলতে দ্রুত বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
ইউরোপের অন্য দেশগুলোতেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ফ্রান্সে গরম থেকে বাঁচতে জলাশয়ে নামতে গিয়ে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটি টানা ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ রাত ও দিন পার করেছে। অন্যদিকে স্পেনে সোমবার প্রতি আটটি আবহাওয়া কেন্দ্রের একটিতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। জার্মানিতেও সপ্তাহান্তে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপে তাপপ্রবাহ এখন আগের তুলনায় আরও দীর্ঘস্থায়ী, তীব্র ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি এবং হৃদ্রোগ বা ফুসফুসের সমস্যায় ভোগা মানুষদের জন্য এ ধরনের চরম গরম সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের উত্তর উপকূলীয় অঞ্চলগুলো। এর মধ্যে রয়েছে লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো এবং ফালকোন রাজ্য। এসব এলাকায় ভূমিকম্প ও পরবর্তী কম্পনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশগত কারণে এয়ারকনের ব্যবহার সীমিত রাখার নীতি অনুসরণ করে আসা দেশটি এখন বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে রেকর্ড তাপমাত্রা, অন্যদিকে হাসপাতাল, স্কুল ও গণসেবার ওপর বাড়তে থাকা চাপ— এ পরিস্থিতি ফ্রান্সের রাজনীতি, পরিবেশনীতি ও জনস্বাস্থ্যের আলোচনাকে নতুন মোড় দিয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ঝাঁকুনিটির উৎপত্তিস্থল ছিল ইউমারে থেকে ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব এবং ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
১৮ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশে ফেরার পরপরই চিকিৎসককে বিশেষায়িত হাসপাতালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ভর্তি করা হয় এবং তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
১ দিন আগে