
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় কেবল ‘ন্যায়সংগত ও সমন্বিত চুক্তি’ই গ্রহণ করবে ইরান। আজ বুধবার এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই প্রক্রিয়ায় ‘দারুণ অগ্রগতি’ হয়েছে। আর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরান যুদ্ধে ‘আক্রমণাত্মক’ পর্যায় শেষ হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, আজ বুধবার বেইজিংয়ে চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ইর সঙ্গে বৈঠক শেষে আরাগচি বলেন, ‘আলোচনায় আমরা আমাদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আমরা কেবল একটি ন্যায়সঙ্গত ও পূর্ণাঙ্গ চুক্তিই মেনে নেব।’
তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত বিরতির বিষয়ে আরাগচি সরাসরি কিছু বলেননি। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অভিযানে সাময়িক বিরতি দেওয়া হতে পারে, যাতে দুই পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সহজ হয়।
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘আমরা পারস্পরিকভাবে একমত হয়েছি যে, অবরোধ পুরোপুরি বহাল থাকবে। তবে প্রজেক্ট ফ্রিডম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে, যাতে চুক্তিটি চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরিত করা যায় কি না তা দেখা যায়।’
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি এখন ‘খুবই দুর্বল পর্যায়ে’ নেমে এসেছে এবং প্রকাশ্যে শক্ত অবস্থান নিলেও তেহরান আসলে শান্তি চায়। তিনি ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত চুক্তির পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।’
আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই সংঘাত ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। জ্বালানির দাম বাড়ায় ভোটারদের ওপর এর প্রভাব পড়ছে। ট্রাম্প বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের তথাকথিত আসন্ন হুমকি দূর করা। তিনি ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং হামাস ও হিজবুল্লাহকে সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি নিজেদের জাহাজ ছাড়া সব ধরনের নৌযান চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেয়। প্রণালিটি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ব্যবহার করে ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ মিশন বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করতে ব্যর্থ হয়। বরং এতে ইরানের নতুন হামলার উসকানি তৈরি হয়। তেহরান জানায়, তারা তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা বাড়িয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের বড় অংশকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা প্রণালিটির অপর প্রান্তে অবস্থিত।
এই মিশন চলাকালে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রণালি ও আশপাশে একাধিক জাহাজে আঘাত হানে। এর মধ্যে একটি দক্ষিণ কোরীয় মালবাহী জাহাজও ছিল, যার ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। তেহরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভেতরেও হামলা চালায়। এর মধ্যে ছিল দেশটির একমাত্র বড় তেল বন্দর, যা প্রণালির বাইরের উপকূলে অবস্থিত এবং এই পথ এড়িয়ে কিছু রপ্তানি চালু রাখতে সক্ষম হয়েছিল।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী জানায়, সোমবার তারা ইরানের কয়েকটি ছোট নৌযানে আঘাত হেনেছে। ট্রাম্প মিশনটি স্থগিত করা হয়েছে বলে ঘোষণা দেওয়ার পর ব্রেন্ট ক্রুড তেলের ফিউচার প্রায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারের নিচে নেমে আসে।
হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি। কী ধরনের অগ্রগতি হয়েছে বা এই বিরতি কতদিন স্থায়ী হবে, সে সম্পর্কেও কিছু জানানো হয়নি। পুরো যুদ্ধজুড়ে ট্রাম্প তার সামরিক কৌশল পরিবর্তনের ঘোষণা দিতে গিয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির কথা বললেও, এর পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি।
মঙ্গলবারের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রশাসনের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন, ইরানকে প্রণালির জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে দেওয়া যাবে না।
৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বোমা হামলা সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার কয়েকদিন পর, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পাকিস্তানে এক দফা শান্তি আলোচনা করে। তবে দ্বিতীয় দফা আলোচনার আয়োজনের চেষ্টা এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক দাবি তোলার অভিযোগ করেছে।
অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গতকাল মঙ্গলবার বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে। যুদ্ধবিরতির প্রায় এক মাস পর কংগ্রেসে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে তিনি এই মন্তব্য করেন। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এপিক ফিউরি অভিযান শেষ। প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসকে তা জানিয়েছেন। আমরা ওই ধাপটি শেষ করেছি।’
এর আগে হোয়াইট হাউস আইনপ্রণেতাদের জানায়, যুদ্ধবিরতির কারণে সংঘাত শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে ৬০ দিনের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা এড়ানো হয়। তবে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে হামলা হলে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে। গত রোববার তিনি ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করেন, যার লক্ষ্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা। উল্লেখ্য, ইরানে হামলার জবাবে প্রণালীটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তেহরান।
রুবিও বলেন, ‘এটি কোনো আক্রমণাত্মক অভিযান নয়; এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক অভিযান। এর অর্থ খুবই সহজ—আমাদের ওপর আগে হামলা না হলে আমরা গুলি চালাব না।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে ‘নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করেছে।’ তিনি বলেন, ‘তারা (ইরান) এখন তাদের অর্থনীতির ওপর ভয়াবহ ধ্বংসের মুখোমুখি।’ তবে একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ট্রাম্প এখনও ইরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান।
রাজনীতি/একে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় কেবল ‘ন্যায়সংগত ও সমন্বিত চুক্তি’ই গ্রহণ করবে ইরান। আজ বুধবার এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই প্রক্রিয়ায় ‘দারুণ অগ্রগতি’ হয়েছে। আর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরান যুদ্ধে ‘আক্রমণাত্মক’ পর্যায় শেষ হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, আজ বুধবার বেইজিংয়ে চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ইর সঙ্গে বৈঠক শেষে আরাগচি বলেন, ‘আলোচনায় আমরা আমাদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আমরা কেবল একটি ন্যায়সঙ্গত ও পূর্ণাঙ্গ চুক্তিই মেনে নেব।’
তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত বিরতির বিষয়ে আরাগচি সরাসরি কিছু বলেননি। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অভিযানে সাময়িক বিরতি দেওয়া হতে পারে, যাতে দুই পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সহজ হয়।
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘আমরা পারস্পরিকভাবে একমত হয়েছি যে, অবরোধ পুরোপুরি বহাল থাকবে। তবে প্রজেক্ট ফ্রিডম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে, যাতে চুক্তিটি চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরিত করা যায় কি না তা দেখা যায়।’
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি এখন ‘খুবই দুর্বল পর্যায়ে’ নেমে এসেছে এবং প্রকাশ্যে শক্ত অবস্থান নিলেও তেহরান আসলে শান্তি চায়। তিনি ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত চুক্তির পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।’
আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই সংঘাত ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। জ্বালানির দাম বাড়ায় ভোটারদের ওপর এর প্রভাব পড়ছে। ট্রাম্প বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের তথাকথিত আসন্ন হুমকি দূর করা। তিনি ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং হামাস ও হিজবুল্লাহকে সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি নিজেদের জাহাজ ছাড়া সব ধরনের নৌযান চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেয়। প্রণালিটি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ব্যবহার করে ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ মিশন বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করতে ব্যর্থ হয়। বরং এতে ইরানের নতুন হামলার উসকানি তৈরি হয়। তেহরান জানায়, তারা তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা বাড়িয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের বড় অংশকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা প্রণালিটির অপর প্রান্তে অবস্থিত।
এই মিশন চলাকালে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রণালি ও আশপাশে একাধিক জাহাজে আঘাত হানে। এর মধ্যে একটি দক্ষিণ কোরীয় মালবাহী জাহাজও ছিল, যার ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। তেহরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভেতরেও হামলা চালায়। এর মধ্যে ছিল দেশটির একমাত্র বড় তেল বন্দর, যা প্রণালির বাইরের উপকূলে অবস্থিত এবং এই পথ এড়িয়ে কিছু রপ্তানি চালু রাখতে সক্ষম হয়েছিল।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী জানায়, সোমবার তারা ইরানের কয়েকটি ছোট নৌযানে আঘাত হেনেছে। ট্রাম্প মিশনটি স্থগিত করা হয়েছে বলে ঘোষণা দেওয়ার পর ব্রেন্ট ক্রুড তেলের ফিউচার প্রায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারের নিচে নেমে আসে।
হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি। কী ধরনের অগ্রগতি হয়েছে বা এই বিরতি কতদিন স্থায়ী হবে, সে সম্পর্কেও কিছু জানানো হয়নি। পুরো যুদ্ধজুড়ে ট্রাম্প তার সামরিক কৌশল পরিবর্তনের ঘোষণা দিতে গিয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির কথা বললেও, এর পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি।
মঙ্গলবারের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রশাসনের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন, ইরানকে প্রণালির জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে দেওয়া যাবে না।
৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বোমা হামলা সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার কয়েকদিন পর, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পাকিস্তানে এক দফা শান্তি আলোচনা করে। তবে দ্বিতীয় দফা আলোচনার আয়োজনের চেষ্টা এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক দাবি তোলার অভিযোগ করেছে।
অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গতকাল মঙ্গলবার বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে। যুদ্ধবিরতির প্রায় এক মাস পর কংগ্রেসে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে তিনি এই মন্তব্য করেন। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এপিক ফিউরি অভিযান শেষ। প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসকে তা জানিয়েছেন। আমরা ওই ধাপটি শেষ করেছি।’
এর আগে হোয়াইট হাউস আইনপ্রণেতাদের জানায়, যুদ্ধবিরতির কারণে সংঘাত শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে ৬০ দিনের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা এড়ানো হয়। তবে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে হামলা হলে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে। গত রোববার তিনি ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করেন, যার লক্ষ্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা। উল্লেখ্য, ইরানে হামলার জবাবে প্রণালীটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তেহরান।
রুবিও বলেন, ‘এটি কোনো আক্রমণাত্মক অভিযান নয়; এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক অভিযান। এর অর্থ খুবই সহজ—আমাদের ওপর আগে হামলা না হলে আমরা গুলি চালাব না।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে ‘নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করেছে।’ তিনি বলেন, ‘তারা (ইরান) এখন তাদের অর্থনীতির ওপর ভয়াবহ ধ্বংসের মুখোমুখি।’ তবে একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ট্রাম্প এখনও ইরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান।
রাজনীতি/একে

বীরভূম থেকে আসানসোল, কিংবা দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কলকাতা—একাধিক জেলায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ আর পাল্টাপাল্টি হামলায় জনজীবন বিপর্যস্ত। একদিকে যখন তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে বিজেপি কর্মীদের হত্যার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির।
৪ ঘণ্টা আগে
আরব সাগরে গুরুতর কারিগরি ত্রুটির কারণে অকেজো হয়ে পড়া একটি ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করেছে পাকিস্তান নৌবাহিনী। জাহাজটি থেকে বিপদ সংকেত পাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে নাবিকদের খাদ্য, চিকিৎসা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশটি দীর্ঘ দিন ধরেই অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই এলাকায় এর আগেও একাধিক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর তথ্যমতে, ওই অঞ্চলে আফগানিস্তান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সাথে নিয়মিত সংঘ
৬ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় দমকল বিভাগ জানিয়েছে, শপিং সেন্টারটির বাইরের আবরণে অতিরিক্ত দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করায় আগুন দ্রুত পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, পুরো বাণিজ্যিক ভবনটি আগুনের লেলিহান শিখায় ভস্মীভূত হচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে