
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর এবার নতুন করে আরও বড় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বন্যার ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই নদীর প্রবাহ আটকে চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে একটি নতুন ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রতিবন্ধক হ্রদ তৈরি হয়েছে। এতে দ্রুত পানি জমছে এবং আগামী কয়েক দিনে হ্রদটির প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে চীন ও নেপাল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও নেপালের গণমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের খবরে উঠে এসেছে এসব শঙ্কার কথা। এর আগে বুধবারের আকস্মিক বন্যায় নেপালে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৯ জনে। এখনো সহস্রাধিক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্তের কাছে চোচেন খোলা ও পুরেপু স্যাংপো নদীর মিলনস্থলে তৈরি হওয়া হ্রদটিতে এরই মধ্যে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে। আগামী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি এতে প্রবেশ করতে পারে। ফলে হ্রদটির বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি উচ্চপর্যায়ে রয়েছে। সম্ভাব্য ভাঙনের সময় পানির প্রবাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে আগামী ১ সেপ্টেম্বরের দিকে।
চীনা কর্তৃপক্ষ হ্রদটির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি কম্পিউটার মডেলিং ব্যবহার করে সম্ভাব্য বন্যার গতিপথ ও প্রভাব বিশ্লেষণ করছে। হ্রদের পানি আরও বাড়লে আকস্মিক ঢল নেমে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত মানুষ এবং নিচু এলাকায় থাকা বাসিন্দাদের জন্য নতুন বিপদ তৈরি হতে পারে। ঝুঁকি বিবেচনায় উদ্ধারকারী দলগুলোকেও কিছু এলাকায় নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষও নদীর তীরবর্তী বাসিন্দা, যাত্রী ও উদ্ধারকর্মীদের বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে। তাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

নতুন করে বন্যার আশঙ্কার মধ্যেই বুধবারের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। নেপালের পুলিশ জানিয়েছে, দেশের আটটি জেলায় এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৮২৬ জনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে নেপালের দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ।
নিখোঁজদের মধ্যে নেপালি সেনাবাহিনীর ৪৪ জন, নেপাল পুলিশের ২৮ জন ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ১৩ জন সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের একটি বড় অংশও এখনো নিখোঁজ।
নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের হিসাবে, নিখোঁজ পর্যটকের সংখ্যা ৫৯০, যার মধ্যে ৪৭৬ জন বিদেশি নাগরিক। তাদের মধ্যে ১৭৭ জন ভারতীয়, ৬৩ জন মার্কিন, ৫৩ জন ইউক্রেনীয়, ৩৪ জন অস্ট্রেলীয় ও ৩৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক।

চীনের তিব্বত অঞ্চলেও অন্তত তিনজনের মৃত্যু ও ৫৫৮ জন নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ফলে নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় দেড় হাজারে পৌঁছেছে।
নেপাল সরকার উদ্ধারকাজে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ৯ হাজার ২৬০ জন সদস্য মোতায়েন করেছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত সড়ক ও সেতুর কারণে দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়লেও নদীর তীর, ধ্বংসস্তূপ ও নিচের দিকে প্রবাহিত নদীগুলোতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীনের নতুন হ্রদ থেকে সম্ভাব্য ঢল নামলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। বুধবারের বন্যায় যে নদীপথ এরই মধ্যে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেই একই পথে নতুন করে বিপুল পরিমাণ পানি যুক্ত হলে নিচের জনপদ, সড়ক, সেতু ও উদ্ধারকেন্দ্রগুলো ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই একদিকে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চলছে, অন্যদিকে উদ্ধারকারীদেরই এখন নতুন আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি এড়িয়ে কাজ করতে হচ্ছে।
চীন ও নেপালের কর্মকর্তারা বলছেন, আগামী কয়েক দিন পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কারণ নতুন হ্রদটি ভেঙে গেলে বুধবারের বিপর্যয়ের পর হিমালয় অঞ্চলে আরেক দফা আকস্মিক ঢল দেখা দিতে পারে।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর এবার নতুন করে আরও বড় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বন্যার ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই নদীর প্রবাহ আটকে চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে একটি নতুন ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রতিবন্ধক হ্রদ তৈরি হয়েছে। এতে দ্রুত পানি জমছে এবং আগামী কয়েক দিনে হ্রদটির প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে চীন ও নেপাল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও নেপালের গণমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের খবরে উঠে এসেছে এসব শঙ্কার কথা। এর আগে বুধবারের আকস্মিক বন্যায় নেপালে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৯ জনে। এখনো সহস্রাধিক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্তের কাছে চোচেন খোলা ও পুরেপু স্যাংপো নদীর মিলনস্থলে তৈরি হওয়া হ্রদটিতে এরই মধ্যে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে। আগামী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি এতে প্রবেশ করতে পারে। ফলে হ্রদটির বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি উচ্চপর্যায়ে রয়েছে। সম্ভাব্য ভাঙনের সময় পানির প্রবাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে আগামী ১ সেপ্টেম্বরের দিকে।
চীনা কর্তৃপক্ষ হ্রদটির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি কম্পিউটার মডেলিং ব্যবহার করে সম্ভাব্য বন্যার গতিপথ ও প্রভাব বিশ্লেষণ করছে। হ্রদের পানি আরও বাড়লে আকস্মিক ঢল নেমে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত মানুষ এবং নিচু এলাকায় থাকা বাসিন্দাদের জন্য নতুন বিপদ তৈরি হতে পারে। ঝুঁকি বিবেচনায় উদ্ধারকারী দলগুলোকেও কিছু এলাকায় নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষও নদীর তীরবর্তী বাসিন্দা, যাত্রী ও উদ্ধারকর্মীদের বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে। তাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

নতুন করে বন্যার আশঙ্কার মধ্যেই বুধবারের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। নেপালের পুলিশ জানিয়েছে, দেশের আটটি জেলায় এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৮২৬ জনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে নেপালের দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ।
নিখোঁজদের মধ্যে নেপালি সেনাবাহিনীর ৪৪ জন, নেপাল পুলিশের ২৮ জন ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ১৩ জন সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের একটি বড় অংশও এখনো নিখোঁজ।
নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের হিসাবে, নিখোঁজ পর্যটকের সংখ্যা ৫৯০, যার মধ্যে ৪৭৬ জন বিদেশি নাগরিক। তাদের মধ্যে ১৭৭ জন ভারতীয়, ৬৩ জন মার্কিন, ৫৩ জন ইউক্রেনীয়, ৩৪ জন অস্ট্রেলীয় ও ৩৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক।

চীনের তিব্বত অঞ্চলেও অন্তত তিনজনের মৃত্যু ও ৫৫৮ জন নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ফলে নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় দেড় হাজারে পৌঁছেছে।
নেপাল সরকার উদ্ধারকাজে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ৯ হাজার ২৬০ জন সদস্য মোতায়েন করেছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত সড়ক ও সেতুর কারণে দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়লেও নদীর তীর, ধ্বংসস্তূপ ও নিচের দিকে প্রবাহিত নদীগুলোতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীনের নতুন হ্রদ থেকে সম্ভাব্য ঢল নামলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। বুধবারের বন্যায় যে নদীপথ এরই মধ্যে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেই একই পথে নতুন করে বিপুল পরিমাণ পানি যুক্ত হলে নিচের জনপদ, সড়ক, সেতু ও উদ্ধারকেন্দ্রগুলো ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই একদিকে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চলছে, অন্যদিকে উদ্ধারকারীদেরই এখন নতুন আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি এড়িয়ে কাজ করতে হচ্ছে।
চীন ও নেপালের কর্মকর্তারা বলছেন, আগামী কয়েক দিন পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কারণ নতুন হ্রদটি ভেঙে গেলে বুধবারের বিপর্যয়ের পর হিমালয় অঞ্চলে আরেক দফা আকস্মিক ঢল দেখা দিতে পারে।

গত আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত নতুন করে তীব্র রূপ নেয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযুক্তকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'বাব এল মান্দেব' প্রণালি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় হুথি যোদ্ধারা। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্
৫ ঘণ্টা আগে
সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হুতিরা তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের কাহবুব পর্বতমালা দখলের চেষ্টা করছে। ওই এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিতে পারলে রেড সি উপকূলের হুতি-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন দক্ষিণাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হতে পারে। বর্তমানে আল-ওয়াজিয়াহ ও রাস আল-আরা এল
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে মার্কিন নাগরিক ও কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (ওএফএসি) থেকে বিশেষ অনুমতি না নিয়ে আইসিসিকে অর্থ, পণ্য বা সেবা দিতে পারবে না। এর আওতায় আদালটির সঙ্গে কাজ করা তৃতীয় পক্ষের প্রতিষ্ঠানও পড়তে পারে।
১৫ ঘণ্টা আগে
পেজেশকিয়ান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যুদ্ধ চললেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির জন্য ভিসা অনুমোদন করেছে। তবে তাদের চলাচল ও অন্যান্য কার্যক্রমে বিধিনিষেধ থাকবে।
১৬ ঘণ্টা আগে