
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহবাহী কফিন ইরাকে পৌঁছেছে। নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি স্বশরীরে উপস্থিত থেকে তার কফিন গ্রহণ করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ খামেনি এবং তার পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের কফিন বহনকারী বিশেষ বিমানটি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে ইরাকের নাজাফে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে এই মহান নেতার সম্মানে একটি বিশেষ সরকারি ও সামরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। ইরাকের শিয়া মুসলমানদের কাছে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও অনুকরণীয় নেতা হওয়ায় দেশটিতে আজ বুধবার (৮ জুলাই) রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ বুধবার নাজাফ এবং পবিত্র নগরী কারবালায় আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মরদেহ ইরাকের নাজাফে হযরত আলী (রা.)-এর মাজার এবং কারবালায় ইমাম হুসাইন (রা.) ও হযরত আব্বাস (রা.)-এর পবিত্র মাজারে নেওয়া হবে।
এই শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নাজাফ ও কারবালায় লাখো ইরাকি নাগরিক ও ভক্ত সমবেত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে গত রোববার ইরানের রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড স্কয়ারে আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ইরানের অন্যতম শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানী এই জানাজার নামাজে ইমামতি করেন।
উক্ত জানাজায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছাড়াও তার জামাতা ড. মেসবাহ-উল-হোদা বাঘেরি-কানি, মেয়ে জাহরা হাদ্দাদ-আদেল, ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মদী-গোলপায়েগানি এবং সাইয়েদেহ বুশরা হোসেইনির কফিন উপস্থিত ছিল।
পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইরাকের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আয়াতুল্লাহ খামেনির মরদেহ পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে। তার শেষ ইচ্ছানুযায়ী, আগামী ৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ইরানের মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজার (আ.) পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে।
রাজনীতি/এসআর

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহবাহী কফিন ইরাকে পৌঁছেছে। নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি স্বশরীরে উপস্থিত থেকে তার কফিন গ্রহণ করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ খামেনি এবং তার পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের কফিন বহনকারী বিশেষ বিমানটি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে ইরাকের নাজাফে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে এই মহান নেতার সম্মানে একটি বিশেষ সরকারি ও সামরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। ইরাকের শিয়া মুসলমানদের কাছে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও অনুকরণীয় নেতা হওয়ায় দেশটিতে আজ বুধবার (৮ জুলাই) রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ বুধবার নাজাফ এবং পবিত্র নগরী কারবালায় আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মরদেহ ইরাকের নাজাফে হযরত আলী (রা.)-এর মাজার এবং কারবালায় ইমাম হুসাইন (রা.) ও হযরত আব্বাস (রা.)-এর পবিত্র মাজারে নেওয়া হবে।
এই শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নাজাফ ও কারবালায় লাখো ইরাকি নাগরিক ও ভক্ত সমবেত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে গত রোববার ইরানের রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড স্কয়ারে আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ইরানের অন্যতম শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানী এই জানাজার নামাজে ইমামতি করেন।
উক্ত জানাজায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছাড়াও তার জামাতা ড. মেসবাহ-উল-হোদা বাঘেরি-কানি, মেয়ে জাহরা হাদ্দাদ-আদেল, ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মদী-গোলপায়েগানি এবং সাইয়েদেহ বুশরা হোসেইনির কফিন উপস্থিত ছিল।
পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইরাকের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আয়াতুল্লাহ খামেনির মরদেহ পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে। তার শেষ ইচ্ছানুযায়ী, আগামী ৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ইরানের মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজার (আ.) পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে।
রাজনীতি/এসআর

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, মঙ্গলবারের এই ভূমিকম্পের পর কুমামোতো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা ও মিয়াজাকি অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করে জাপান সরকার।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা নিয়মিত মার্কিন বিমান হামলা এবং পালটাপালটি আক্রমণ বন্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে একটি যুদ্ধবিরতীর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মেক্সিকো সিটির নিরাপত্তা বিষয়ক সচিবালয় ঘটনাটিকে একটি ‘সরাসরি লক্ষ্যভিত্তিক হামলা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গুলিতে ৪২ বছর বয়সি এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত অপর দুই ব্যক্তির বয়সই ৩৯ বছর। হামলা চালিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান।
১০ ঘণ্টা আগে
গ্যাসক্ষেত্রে হামলার প্রায় একই সময়ে সুলাইমানিয়া থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে কুর্দিস্তানের রাজধানী এরবিলেও পরপর বেশ কয়েকটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিস্ফোরণের তীব্রতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী,
১০ ঘণ্টা আগে