
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাতের দ্বিতীয় দিনেও পালটাপালটি হামলা অব্যাহত রয়েছে। দুই দেশই দাবি করেছে, তারা প্রতিপক্ষের বড় ধরনের ক্ষতি করে চলেছে।
এর মধ্যে ইরানের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতও পাক-আফগান সংঘাতে মধ্যস্ততা করার আগ্রহের কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রকারান্তরে সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তানকে। চলমান পরিস্থিতিতে আলোচনায় বসার আগ্রহের কথা জানিয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার।
বিবিসি, আলজাজিরা ও বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি বাহিনী শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে আফগানিস্তানের আরও বেশ কয়েকটি সেনা চৌকিতে হামলা চালিয়েছে। তালেবান কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, তারা পাকিস্তানের একাধিক সামরিক ক্যাম্পে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আফগানিস্তানের কিলা সাইফুল্লাহ সেক্টরে অবস্থিত আলা জিরগা থানা চৌকি, কিলা সাইফুল্লাহ সেক্টরে অবস্থিত রহিম থানা চৌকি, আজম ওয়ারসক সেক্টরের শাগা চৌকি এবং খাইবার, ওমারি ও নোশকি সেক্টরে অবস্থিত বিভিন্ন চৌকিতে পাকিস্তানি বাহিনী হামলা চালিয়েছে।
এদিকে আফগান গণমাধ্যম টোলো নিউজ জানিয়েছে, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মিরানশাহ ও স্পিনওয়াম এলাকায় সামরিক ক্যাম্পে ড্রোন হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তান। ড্রোন হামলার পর স্পিনওয়াম সেনা ঘাঁটিতে আগুন ধরে যায়।
এদিকে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আত্তাউল্লাহ তারার তার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে জানিয়েছেন, অভিযানের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী ৩৩১ জন আফগান তালেবান সদস্যকে হত্যা করেছে এবং আরও পাঁচ শতাধিককে আহত করেছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী ১০৪টি চৌকি ধ্বংস করেছে এবং ২২টি চৌকি দখলে নিয়েছে।
অন্যদিকে আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের একজন মুখপাত্র দাবি করেন, তাদের হামলায় ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন। হামলায় পাকিস্তানের ১৯টি সেনা চৌকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি স্বীকার করে নেন, পাকিস্তানের হামলায় আটজন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১১ জন।
দুই দেশের মধ্যে চলমান এই সংঘাতে আফগানিস্তানের সরকার তালেবানের পক্ষ থেকে আলোচনায় বসার আগ্রহের কথা জানা গেছে। পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।
আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি কাতারের জুনিয়র পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-খুলাইফির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। মুত্তাকি তাকে জানিয়েছেন, আফগানিস্তান বরাবরই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতার ভিত্তিতে যেকোনো সমস্যার সমাধানে বিশ্বাসী।
তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদও নমনীয় সুরে কথা বলেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, বর্তমান সংকট নিরসনে যুদ্ধের চেয়ে সংলাপকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।
সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়ায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ওপর তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) হামলার জেরে ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের নানগারহার ও পকতিয়া প্রদেশে টিটিপির ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। এতে দুই প্রদেশে প্রায় ৮০ জন নিহত হন।
এর প্রতিশোধ হিসেবে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ডুরান্ড লাইনের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানি সেনা চৌকিতে আফগান বাহিনীর অতর্কিত হামলায় ৫৫ জন সেনা নিহত ও কয়েকজন অপহৃত হন। এরপর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করে পাকিস্তান, শুরু হয় ‘অপারেশন গজব-লিল হক’। এ অভিযানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৩৩১ জন আফগান তালেবান সদস্য নিহত এবং আরও পাঁচ শতাধিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাতের দ্বিতীয় দিনেও পালটাপালটি হামলা অব্যাহত রয়েছে। দুই দেশই দাবি করেছে, তারা প্রতিপক্ষের বড় ধরনের ক্ষতি করে চলেছে।
এর মধ্যে ইরানের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতও পাক-আফগান সংঘাতে মধ্যস্ততা করার আগ্রহের কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রকারান্তরে সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তানকে। চলমান পরিস্থিতিতে আলোচনায় বসার আগ্রহের কথা জানিয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার।
বিবিসি, আলজাজিরা ও বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি বাহিনী শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে আফগানিস্তানের আরও বেশ কয়েকটি সেনা চৌকিতে হামলা চালিয়েছে। তালেবান কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, তারা পাকিস্তানের একাধিক সামরিক ক্যাম্পে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আফগানিস্তানের কিলা সাইফুল্লাহ সেক্টরে অবস্থিত আলা জিরগা থানা চৌকি, কিলা সাইফুল্লাহ সেক্টরে অবস্থিত রহিম থানা চৌকি, আজম ওয়ারসক সেক্টরের শাগা চৌকি এবং খাইবার, ওমারি ও নোশকি সেক্টরে অবস্থিত বিভিন্ন চৌকিতে পাকিস্তানি বাহিনী হামলা চালিয়েছে।
এদিকে আফগান গণমাধ্যম টোলো নিউজ জানিয়েছে, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মিরানশাহ ও স্পিনওয়াম এলাকায় সামরিক ক্যাম্পে ড্রোন হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তান। ড্রোন হামলার পর স্পিনওয়াম সেনা ঘাঁটিতে আগুন ধরে যায়।
এদিকে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আত্তাউল্লাহ তারার তার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে জানিয়েছেন, অভিযানের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী ৩৩১ জন আফগান তালেবান সদস্যকে হত্যা করেছে এবং আরও পাঁচ শতাধিককে আহত করেছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী ১০৪টি চৌকি ধ্বংস করেছে এবং ২২টি চৌকি দখলে নিয়েছে।
অন্যদিকে আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের একজন মুখপাত্র দাবি করেন, তাদের হামলায় ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন। হামলায় পাকিস্তানের ১৯টি সেনা চৌকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি স্বীকার করে নেন, পাকিস্তানের হামলায় আটজন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১১ জন।
দুই দেশের মধ্যে চলমান এই সংঘাতে আফগানিস্তানের সরকার তালেবানের পক্ষ থেকে আলোচনায় বসার আগ্রহের কথা জানা গেছে। পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।
আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি কাতারের জুনিয়র পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-খুলাইফির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। মুত্তাকি তাকে জানিয়েছেন, আফগানিস্তান বরাবরই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতার ভিত্তিতে যেকোনো সমস্যার সমাধানে বিশ্বাসী।
তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদও নমনীয় সুরে কথা বলেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, বর্তমান সংকট নিরসনে যুদ্ধের চেয়ে সংলাপকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।
সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়ায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ওপর তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) হামলার জেরে ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের নানগারহার ও পকতিয়া প্রদেশে টিটিপির ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। এতে দুই প্রদেশে প্রায় ৮০ জন নিহত হন।
এর প্রতিশোধ হিসেবে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ডুরান্ড লাইনের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানি সেনা চৌকিতে আফগান বাহিনীর অতর্কিত হামলায় ৫৫ জন সেনা নিহত ও কয়েকজন অপহৃত হন। এরপর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করে পাকিস্তান, শুরু হয় ‘অপারেশন গজব-লিল হক’। এ অভিযানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৩৩১ জন আফগান তালেবান সদস্য নিহত এবং আরও পাঁচ শতাধিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১ দিন আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে