
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাশিয়ার দখল করে নেওয়া অঞ্চল থেকে কিয়েভ সৈন্য না সরালে আরও ভূখণ্ড দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাব নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
পুতিন বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্র যে প্রস্তাব করেছে, তা ভবিষ্যৎ চুক্তির ভিত্তি হতে পারে। তবে ইউক্রেনের সৈন্যরা অনেক অঞ্চলে রয়ে গেছে। কিয়েভ এসব সেনাসদস্যদের সরিয়ে না নিলে রুশ সেনারা জোর করে আরও ভূখণ্ড দখল করে নেবে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, যুদ্ধকবলিত ইউক্রেনীয় শহর পোকরোভস্কের উত্তরাংশে রুশ সেনারা আরও অগ্রসর হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, তাদের সেনারা সিভেরস্কের দক্ষিণে একটি গ্রাম দখল করে নিয়েছে।
তবে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় পোকরোভস্ক ফ্রন্টে মস্কোর বেশ কয়েকটি হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। শহরের ভেতরে রুশ ইউনিটগুলোকেও ধ্বংস করা হচ্ছে।
রাশিয়ার সামরিক আক্রমণের কারণে জাপোরিজজিয়া অঞ্চলে ইউক্রেনের পুরো সেক্টোরাল ফ্রন্টলাইন সেনারা ধ্বংসের মুখে রয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ সরকার। পোকরোভস্ককে দনেৎস্কের প্রবেশদ্বার হিসেবে আখ্যা দিয়ে মস্কোর দাবি, শহরটি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে দনেৎস্ক অঞ্চলের ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত সবচেয়ে বড় দুই শহর ক্রামাতোরস্ক ও স্লোভিয়ানস্কের দিকে অগ্রসর হওয়ার ভিত্তি তৈরি হবে।
এদিকে যুদ্ধ ইস্যুতে রাশিয়ার হুমকি বা কোনো আলটিমেটাম নয়, বিশ্ব সম্প্রদায়ের নির্ধারিত শর্তের ওপর শান্তি নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ইউক্রেনীয় ও মার্কিন প্রতিনিধি দল চলতি সপ্তাহেই যুদ্ধ শেষ করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করবে, যা শান্তি আনার পাশাপাশি কিয়েভের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদানে সহায়তা করবে।

রাশিয়ার দখল করে নেওয়া অঞ্চল থেকে কিয়েভ সৈন্য না সরালে আরও ভূখণ্ড দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাব নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
পুতিন বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্র যে প্রস্তাব করেছে, তা ভবিষ্যৎ চুক্তির ভিত্তি হতে পারে। তবে ইউক্রেনের সৈন্যরা অনেক অঞ্চলে রয়ে গেছে। কিয়েভ এসব সেনাসদস্যদের সরিয়ে না নিলে রুশ সেনারা জোর করে আরও ভূখণ্ড দখল করে নেবে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, যুদ্ধকবলিত ইউক্রেনীয় শহর পোকরোভস্কের উত্তরাংশে রুশ সেনারা আরও অগ্রসর হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, তাদের সেনারা সিভেরস্কের দক্ষিণে একটি গ্রাম দখল করে নিয়েছে।
তবে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় পোকরোভস্ক ফ্রন্টে মস্কোর বেশ কয়েকটি হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। শহরের ভেতরে রুশ ইউনিটগুলোকেও ধ্বংস করা হচ্ছে।
রাশিয়ার সামরিক আক্রমণের কারণে জাপোরিজজিয়া অঞ্চলে ইউক্রেনের পুরো সেক্টোরাল ফ্রন্টলাইন সেনারা ধ্বংসের মুখে রয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ সরকার। পোকরোভস্ককে দনেৎস্কের প্রবেশদ্বার হিসেবে আখ্যা দিয়ে মস্কোর দাবি, শহরটি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে দনেৎস্ক অঞ্চলের ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত সবচেয়ে বড় দুই শহর ক্রামাতোরস্ক ও স্লোভিয়ানস্কের দিকে অগ্রসর হওয়ার ভিত্তি তৈরি হবে।
এদিকে যুদ্ধ ইস্যুতে রাশিয়ার হুমকি বা কোনো আলটিমেটাম নয়, বিশ্ব সম্প্রদায়ের নির্ধারিত শর্তের ওপর শান্তি নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ইউক্রেনীয় ও মার্কিন প্রতিনিধি দল চলতি সপ্তাহেই যুদ্ধ শেষ করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করবে, যা শান্তি আনার পাশাপাশি কিয়েভের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদানে সহায়তা করবে।

শুক্রবার ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা কৌশলগত উপকূলীয় শহর মোকায় হুথি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর এক দিন আগে হুথিরা লোহিত সাগরের পুরো উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল।
১৮ ঘণ্টা আগে
সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিটি ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেখানে থাকা প্রধান অস্ত্রের গুদাম এবং ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
ইরানের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা আরও বড়। কারণ এটি ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। প্রায় ৯ কোটি মানুষের দেশটির রয়েছে শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো, বিশাল ভূখণ্ড, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক পরিচয়। ফলে তেহরানে সরকার পতন ঘটানো গেলেও
২১ ঘণ্টা আগে
ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সুনজয় সুধীর রয়টার্সকে বলেন, যুদ্ধ শেষ করার চাবিকাঠি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাতে। তার মতে, ভারত কঠিন আলোচনাগুলো চালু রাখার সুযোগ তৈরি করেছে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো একই টেবিলে বসতে পারে, কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করতে পারে এবং যেসব বিষয়ে তাদের স্বার্থের মিল রয়েছ
১ দিন আগে