
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস দেনাতে যুক্তরাষ্ট্রের টর্পেডো হামলার ঘটনায় তেহরান সব ধরনের আইনি ও রাজনৈতিক পথে পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
তিনি বলেন, হামলার সময় জাহাজটি যুদ্ধক্ষেত্র থেকে কয়েক শ কিলোমিটার দূরে ছিল। ওই সময় জাহাজটি নিরস্ত্র অবস্থায় নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করছিল। ঠিক সেই সময় কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই একটি মার্কিন সাবমেরিন থেকে এতে হামলা চালানো হয়। এ হামলা নিঃসন্দেহে একটি যুদ্ধাপরাধ, যা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ থাকবে।
ইরানের রেডিও সার্ভিসের অনলািইন সংস্করণ পার্সটুডের খবরে বলা হয়েছে, হামলার পর ‘দেনা’য় নিহতদের ব্যবহৃত সামগ্রীর একটি প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে আরাগচি এসব কথা বলেন। তিনি এ হামলাকে ‘একটি সুস্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ’ বলে অভিহিত করেছেন। বলেন, এটি কোনো নৌ বাহিনীর বিজয় নয়; বরং শত্রুর দুর্বলতারই প্রমাণ।
গত ৪ মার্চ ভারত আয়োজিত বহুজাতিক নৌ মহড়া মিলান ২০২৬-এ অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফেরার পথে হামলার শিকার হয় ‘দেনা’। ওই সময় ফ্রিগেটটি শ্রীলঙ্কার গল উপকূল থেকে প্রায় ১৯ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল। তখন মার্কিন নৌ বাহিনীর ইউএসএস শার্লট নামে একটি সাবমেরিন থেকে ছোড়া একটি মার্ক ৪৮ টর্পেডো জাহাজটিতে আঘাত হানে।
ইরান কর্তৃপক্ষের তথ্য, হামলার সময় জাহাজটি নিরস্ত্র ছিল এবং এতে ১৩৬ জন নাবিক ছিলেন। এর মধ্যে হামলায় নিহত হন ১০৪ জন, আরও ৩২ জন আহত হন।
তেহরান এ হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে। হামলায় জড়িত মার্কিন কর্মকর্তাদের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে জাতিসংঘের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছে।
যুদ্ধক্ষেত্র থেকে অনেক দূরে থাকা একটি প্রতিরক্ষাহীন লক্ষ্যবস্তুর ওপর এ হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত আঘাত’ বলে অভিহিত করেন আরাগচিও। বলেন, এই শহিদদের পবিত্র রক্ত আমরা কখনো ভুলব না এবং এর বিচার চাওয়া থেকেও সরে আসব না।
এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন বিভাগ নৌ বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে হামলা-সংক্রান্ত সব নথি ও প্রমাণ সংগ্রহ করছে বলেও জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মার্কিন হামলায় নিহত ইরানের কোনো নাগরিকের রক্ত বৃথা যাবে না জানিয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেনা’র নাবিকদের আত্মত্যাগ, মিনাবের শিশুদেরসহ অন্যান্য শহিদদের আত্মোৎসর্গের সঙ্গে মিলিত হয়ে যুদ্ধে ইরানের বিজয় নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে। আমি কখনোই বিশ্বাস করি না যে এই প্রিয় মানুষগুলোর রক্ত বৃথা গেছে। বরং তাদের রক্ত ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শক্তিশালী বৃক্ষকে সেচ দিয়েছে এবং আমাদের এমন শত্রুদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের পথ তৈরি করেছে।

ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস দেনাতে যুক্তরাষ্ট্রের টর্পেডো হামলার ঘটনায় তেহরান সব ধরনের আইনি ও রাজনৈতিক পথে পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
তিনি বলেন, হামলার সময় জাহাজটি যুদ্ধক্ষেত্র থেকে কয়েক শ কিলোমিটার দূরে ছিল। ওই সময় জাহাজটি নিরস্ত্র অবস্থায় নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করছিল। ঠিক সেই সময় কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই একটি মার্কিন সাবমেরিন থেকে এতে হামলা চালানো হয়। এ হামলা নিঃসন্দেহে একটি যুদ্ধাপরাধ, যা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ থাকবে।
ইরানের রেডিও সার্ভিসের অনলািইন সংস্করণ পার্সটুডের খবরে বলা হয়েছে, হামলার পর ‘দেনা’য় নিহতদের ব্যবহৃত সামগ্রীর একটি প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে আরাগচি এসব কথা বলেন। তিনি এ হামলাকে ‘একটি সুস্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ’ বলে অভিহিত করেছেন। বলেন, এটি কোনো নৌ বাহিনীর বিজয় নয়; বরং শত্রুর দুর্বলতারই প্রমাণ।
গত ৪ মার্চ ভারত আয়োজিত বহুজাতিক নৌ মহড়া মিলান ২০২৬-এ অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফেরার পথে হামলার শিকার হয় ‘দেনা’। ওই সময় ফ্রিগেটটি শ্রীলঙ্কার গল উপকূল থেকে প্রায় ১৯ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল। তখন মার্কিন নৌ বাহিনীর ইউএসএস শার্লট নামে একটি সাবমেরিন থেকে ছোড়া একটি মার্ক ৪৮ টর্পেডো জাহাজটিতে আঘাত হানে।
ইরান কর্তৃপক্ষের তথ্য, হামলার সময় জাহাজটি নিরস্ত্র ছিল এবং এতে ১৩৬ জন নাবিক ছিলেন। এর মধ্যে হামলায় নিহত হন ১০৪ জন, আরও ৩২ জন আহত হন।
তেহরান এ হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে। হামলায় জড়িত মার্কিন কর্মকর্তাদের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে জাতিসংঘের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছে।
যুদ্ধক্ষেত্র থেকে অনেক দূরে থাকা একটি প্রতিরক্ষাহীন লক্ষ্যবস্তুর ওপর এ হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত আঘাত’ বলে অভিহিত করেন আরাগচিও। বলেন, এই শহিদদের পবিত্র রক্ত আমরা কখনো ভুলব না এবং এর বিচার চাওয়া থেকেও সরে আসব না।
এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন বিভাগ নৌ বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে হামলা-সংক্রান্ত সব নথি ও প্রমাণ সংগ্রহ করছে বলেও জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মার্কিন হামলায় নিহত ইরানের কোনো নাগরিকের রক্ত বৃথা যাবে না জানিয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেনা’র নাবিকদের আত্মত্যাগ, মিনাবের শিশুদেরসহ অন্যান্য শহিদদের আত্মোৎসর্গের সঙ্গে মিলিত হয়ে যুদ্ধে ইরানের বিজয় নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে। আমি কখনোই বিশ্বাস করি না যে এই প্রিয় মানুষগুলোর রক্ত বৃথা গেছে। বরং তাদের রক্ত ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শক্তিশালী বৃক্ষকে সেচ দিয়েছে এবং আমাদের এমন শত্রুদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের পথ তৈরি করেছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য অর্জনে কৃষি, উৎপাদনশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), অবকাঠামো এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে সমন্বিত প্রবৃদ্ধির কৌশল বাস্তবায়ন করছে সরকার। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়েও কাজ চলছে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
১ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (অ্যাটাকমস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)। দুটি সূত্রের ভাষ্য, এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
২ দিন আগে