
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য পরিষেবার ওপর চাপ সামাল দিতে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা।
শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) কানাডার অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি একথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য পরিষেবার ওপর চাপ সামাল দিতে দ্বিতীয় বছরের মতো ২০২৫ সালে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে।
কানাডার অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটিতে চলতি বছর চার লাখ ৩৭ হাজার শিক্ষার্থীকে পড়াশোনার অনুমতি দেবে। যা গত বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ কম।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুত জনসংখ্যা বাড়তে থাকায় কানাডায় আবাসন সংকট তৈরি হয়। এ চাপ সামাল দিতে গত বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্টাডি পারমিটের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করে দেশটির সরকার।
কানাডা সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশটিতে অনুমতি পাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল সাড়ে ছয় লাখ। এতে দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়, যা গত ১০ বছর আগের সংখ্যার চেয়ে তিন গুণ বেশি। ফলে দেশটিতে আবাসন খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাসহ অন্যান্য পরিষেবায় চাপ বেড়েছে।

আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য পরিষেবার ওপর চাপ সামাল দিতে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা।
শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) কানাডার অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি একথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য পরিষেবার ওপর চাপ সামাল দিতে দ্বিতীয় বছরের মতো ২০২৫ সালে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে।
কানাডার অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটিতে চলতি বছর চার লাখ ৩৭ হাজার শিক্ষার্থীকে পড়াশোনার অনুমতি দেবে। যা গত বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ কম।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুত জনসংখ্যা বাড়তে থাকায় কানাডায় আবাসন সংকট তৈরি হয়। এ চাপ সামাল দিতে গত বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্টাডি পারমিটের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করে দেশটির সরকার।
কানাডা সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশটিতে অনুমতি পাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল সাড়ে ছয় লাখ। এতে দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়, যা গত ১০ বছর আগের সংখ্যার চেয়ে তিন গুণ বেশি। ফলে দেশটিতে আবাসন খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাসহ অন্যান্য পরিষেবায় চাপ বেড়েছে।

তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদের ভেতরে লাখো ইরানি সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের কফিন ঘিরে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ও তার পরিবারকে শেষ বিদায় জানাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ সেখানে সমবেত হয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্যমতে, ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ কিলোমিটার গতির বাতাস এবং ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া নিয়ে ঝড়টি গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ওপর দিয়ে অতিক্রম করছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ এই ঝড় ভয়াব
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের এই কবি আরও বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য মানুষটি এখনো কেন বেঁচে আছে? ট্রাম্পের জন্য পৃথিবী আর নিরাপদ নয়। যে ব্যক্তি আমাদের ইমামকে হত্যা করেছে, তাকে আমরা কেন হত্যা করব না? যদি তা না করি, সেটাই হবে আমাদের জন্য লজ্জার।
১৮ ঘণ্টা আগে
আলি খামেনির জন্য নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-শিশু নির্বিশেষে লাখ লাখ মানুষের রাস্তায় নেমে আসা এবং তার জন্য কান্নায় ভেঙে পড়ার দৃশ্যে ‘বিস্মিত হয়েছেন’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, তার ধারণা ছিল ইরানের জনগণ আলি খামেনিকে ঘৃণা করে!
১৯ ঘণ্টা আগে