
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি সংকটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বড় একটি তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে জিলং শহরে অবস্থিত ভিভা এনার্জির গ্যাসোলিন উৎপাদন ইউনিটে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভিক্টোরিয়া ফায়ার রেসকিউ সার্ভিসের ডেপুটি কমিশনার মিশেল কাউলিংয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার সচল থাকা মাত্র দুটি তেল শোধনাগারের মধ্যে জিলং শোধনাগারটি অন্যতম। দৈনিক ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন এই শোধনাগারটি ভিক্টোরিয়া রাজ্যের অর্ধেকেরও বেশি জ্বালানি চাহিদা পূরণ করে থাকে। জাতীয়ভাবে এটি মোট চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহ করে।
অস্ট্রেলিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস বোয়েন বলেন, ‘এটি ইতিবাচক কোনো ঘটনা নয়। পেট্রোল উৎপাদন কিছু সময়ের জন্য ব্যাহত হতে পারে। তবে এই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত প্রভাব কতটা হবে তা নির্ধারণে সময় লাগবে।’
তবে শোধনাগারটি বর্তমানে সীমিত পরিসরে জেট ফুয়েল ও ডিজেল উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে উৎপাদন কমিয়ে আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি এমন সময় ঘটল, যখন দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জ্বালানি সরবরাহ নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে মালয়েশিয়ায় গেছেন। এর আগে তিনি সিঙ্গাপুর ও ব্রুনেই সফর করেছেন।
বুধবার রাত ১১টার দিকে ফায়ার রেসকিউ সার্ভিস ও জরুরি বাহিনী আগুনের খবর পায়। জিলং শোধনাগারটি মেলবোর্ন থেকে প্রায় এক ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত।
অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আশপাশে ধোঁয়ার প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে দমকল বিভাগ। যান চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিশ্চিত নয়। তবে অস্ট্রেলিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক সরবরাহ চাপ তৈরি হয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় অস্ট্রেলিয়ার কিছু এলাকায় অতিরিক্ত জ্বালানি কেনার প্রবণতা শুরু হয়, ফলে চাহিদা দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়েছে।
উৎপাদন ন্যূনতম পর্যায়ে
ভিভা এনার্জির প্রধান নির্বাহী স্কট ওয়ায়াট জানান, বর্তমানে মূল অগ্রাধিকার হলো আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা। এরপর ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করে নিরাপদভাবে উৎপাদন পুনরায় শুরু করা হবে। তিনি বলেন, ‘অন্যান্য ইউনিটগুলো চালু থাকলেও নিরাপত্তার স্বার্থে উৎপাদন ন্যূনতম পর্যায়ে রাখা হয়েছে।’
আগুনের প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত ভিভা এনার্জির শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখা হয়েছে।
এদিকে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, জনসাধারণের জন্য সরাসরি কোনো ঝুঁকি নেই, তবে ধোঁয়ার কারণে আশপাশের কিছু এলাকায় প্রভাব পড়তে পারে। ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি সংকটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বড় একটি তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে জিলং শহরে অবস্থিত ভিভা এনার্জির গ্যাসোলিন উৎপাদন ইউনিটে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভিক্টোরিয়া ফায়ার রেসকিউ সার্ভিসের ডেপুটি কমিশনার মিশেল কাউলিংয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার সচল থাকা মাত্র দুটি তেল শোধনাগারের মধ্যে জিলং শোধনাগারটি অন্যতম। দৈনিক ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন এই শোধনাগারটি ভিক্টোরিয়া রাজ্যের অর্ধেকেরও বেশি জ্বালানি চাহিদা পূরণ করে থাকে। জাতীয়ভাবে এটি মোট চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহ করে।
অস্ট্রেলিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস বোয়েন বলেন, ‘এটি ইতিবাচক কোনো ঘটনা নয়। পেট্রোল উৎপাদন কিছু সময়ের জন্য ব্যাহত হতে পারে। তবে এই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত প্রভাব কতটা হবে তা নির্ধারণে সময় লাগবে।’
তবে শোধনাগারটি বর্তমানে সীমিত পরিসরে জেট ফুয়েল ও ডিজেল উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে উৎপাদন কমিয়ে আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি এমন সময় ঘটল, যখন দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জ্বালানি সরবরাহ নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে মালয়েশিয়ায় গেছেন। এর আগে তিনি সিঙ্গাপুর ও ব্রুনেই সফর করেছেন।
বুধবার রাত ১১টার দিকে ফায়ার রেসকিউ সার্ভিস ও জরুরি বাহিনী আগুনের খবর পায়। জিলং শোধনাগারটি মেলবোর্ন থেকে প্রায় এক ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত।
অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আশপাশে ধোঁয়ার প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে দমকল বিভাগ। যান চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিশ্চিত নয়। তবে অস্ট্রেলিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক সরবরাহ চাপ তৈরি হয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় অস্ট্রেলিয়ার কিছু এলাকায় অতিরিক্ত জ্বালানি কেনার প্রবণতা শুরু হয়, ফলে চাহিদা দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়েছে।
উৎপাদন ন্যূনতম পর্যায়ে
ভিভা এনার্জির প্রধান নির্বাহী স্কট ওয়ায়াট জানান, বর্তমানে মূল অগ্রাধিকার হলো আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা। এরপর ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করে নিরাপদভাবে উৎপাদন পুনরায় শুরু করা হবে। তিনি বলেন, ‘অন্যান্য ইউনিটগুলো চালু থাকলেও নিরাপত্তার স্বার্থে উৎপাদন ন্যূনতম পর্যায়ে রাখা হয়েছে।’
আগুনের প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত ভিভা এনার্জির শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখা হয়েছে।
এদিকে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, জনসাধারণের জন্য সরাসরি কোনো ঝুঁকি নেই, তবে ধোঁয়ার কারণে আশপাশের কিছু এলাকায় প্রভাব পড়তে পারে। ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে প্রতিনিধি পরিষদেও (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) একই ধরনের প্রস্তাব অল্প ব্যবধানে পাস হয়েছিল। ফলে প্রথমবারের মতো কংগ্রেসের উভয় কক্ষই একজন প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব অনুমোদন করল।
৭ ঘণ্টা আগে
কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রীনিবাসন মুরালিধর এক বিবৃতিতে বলেন, তদন্তে পাওয়া প্রমাণ স্পষ্টভাবে দেখায়, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং তাদের হত্যা করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মঙ্গলবার বলেন, সুইজারল্যান্ডে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির কোনো বৈঠক হয়নি। পাশাপাশি জাতিসংঘের এই পারমাণবিক তদারকি সংস্থাকে ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়ারও কোনো পরিকল্পনা নেই।
১৯ ঘণ্টা আগে