
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সামরিক ব্যয় ও কেনাকাটায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর দীর্ঘদিনের নির্ভরতা কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। এর জন্য তিনি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প শক্তিশালী করার পাশাপাশি বৈশ্বিক অংশীদারি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তুরস্কের রাষ্ট্রায়াত্ত বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (১১ এপ্রিল) মন্ট্রিয়ালে লিবারেল পার্টির জাতীয় সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে এমন পরিকল্পনা ও প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।
মার্ক কার্নি বলেন, ‘আমাদের সামরিক খাতে প্রতি ডলারের মধ্যে ৭০ সেন্টই যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর দিন শেষ।’ তার এমন বক্তব্যের সময় উপস্থিত প্রতিনিধিরা দাঁড়িয়ে ও করতালি দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে কার্নি বলেন, ‘আমরা কানাডাকে শক্তিশালী করব কানাডিয়ান স্টিল, কানাডিয়ান অ্যালুমিনিয়াম, কানাডিয়ান কাঠ ও কানাডিয়ান শ্রমিক দিয়ে।’
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ককে তাৎক্ষণিক বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এগুলো মোকাবিলা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদে বড় চ্যালেঞ্জ হলো জাতীয় ঐক্য ও সাধারণ স্বার্থ বজায় রাখা।
‘বাই কানাডিয়ান’ নীতির কথা উল্লেখ করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কার্নি বলেন, এই উদ্যোগ দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি বিদেশি বাজারের ওপর নির্ভরতা কমাবে। আগামী এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে রপ্তানি দ্বিগুণ করার লক্ষ্যও নির্ধারণ করেছে কানাডা।
এদিকে কানাডার ক্রয়নীতি নিয়ে সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভের দপ্তর, যারা একে বাণিজ্যের জন্য প্রতিবন্ধক হিসেবে উল্লেখ করেছে।
কানাডার নতুন প্রতিরক্ষা শিল্প কৌশলে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অংশীদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে। নতুন কৌশল অনুযায়ী, দেশটির প্রায় অর্ধেক প্রতিরক্ষা উৎপাদন রপ্তানিমুখী, যার মধ্যে প্রায় ৬৯ শতাংশ যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ‘ফাইভ আইজ’ জোটভুক্ত দেশগুলোতে।
এ পরিকল্পনায় দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ ৭০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা খাতটিতে জাতীয় সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ।

সামরিক ব্যয় ও কেনাকাটায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর দীর্ঘদিনের নির্ভরতা কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। এর জন্য তিনি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প শক্তিশালী করার পাশাপাশি বৈশ্বিক অংশীদারি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তুরস্কের রাষ্ট্রায়াত্ত বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (১১ এপ্রিল) মন্ট্রিয়ালে লিবারেল পার্টির জাতীয় সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে এমন পরিকল্পনা ও প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।
মার্ক কার্নি বলেন, ‘আমাদের সামরিক খাতে প্রতি ডলারের মধ্যে ৭০ সেন্টই যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর দিন শেষ।’ তার এমন বক্তব্যের সময় উপস্থিত প্রতিনিধিরা দাঁড়িয়ে ও করতালি দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে কার্নি বলেন, ‘আমরা কানাডাকে শক্তিশালী করব কানাডিয়ান স্টিল, কানাডিয়ান অ্যালুমিনিয়াম, কানাডিয়ান কাঠ ও কানাডিয়ান শ্রমিক দিয়ে।’
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ককে তাৎক্ষণিক বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এগুলো মোকাবিলা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদে বড় চ্যালেঞ্জ হলো জাতীয় ঐক্য ও সাধারণ স্বার্থ বজায় রাখা।
‘বাই কানাডিয়ান’ নীতির কথা উল্লেখ করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কার্নি বলেন, এই উদ্যোগ দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি বিদেশি বাজারের ওপর নির্ভরতা কমাবে। আগামী এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে রপ্তানি দ্বিগুণ করার লক্ষ্যও নির্ধারণ করেছে কানাডা।
এদিকে কানাডার ক্রয়নীতি নিয়ে সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভের দপ্তর, যারা একে বাণিজ্যের জন্য প্রতিবন্ধক হিসেবে উল্লেখ করেছে।
কানাডার নতুন প্রতিরক্ষা শিল্প কৌশলে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অংশীদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে। নতুন কৌশল অনুযায়ী, দেশটির প্রায় অর্ধেক প্রতিরক্ষা উৎপাদন রপ্তানিমুখী, যার মধ্যে প্রায় ৬৯ শতাংশ যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ‘ফাইভ আইজ’ জোটভুক্ত দেশগুলোতে।
এ পরিকল্পনায় দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ ৭০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা খাতটিতে জাতীয় সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে