
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নাইজারের উত্তরাঞ্চলে সাহারা মরুভূমির এক প্রত্যন্ত এলাকায় একটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়ার পর তীব্র তৃষ্ণা ও পানিশূন্যতায় অন্তত ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মরুভূমির প্রতিকূল পরিবেশে আটকা পড়া যাত্রীদের মধ্যে মাত্র দুইজন জীবিত উদ্ধার হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, নিহতরা মুসলিম ধর্মীয় উৎসব পালন শেষে প্রতিবেশী দেশ মালি থেকে নিজ দেশে ফিরছিলেন। যাত্রাপথে নাইজার-আলজেরিয়া সীমান্তের প্রধান পারাপার কেন্দ্র ‘আসামাকা’ থেকে ৮০ কিলোমিটারেরও বেশি পশ্চিমে ট্রাকটি বিকল হয়ে পড়ে।
নাইজারের আগাদেজ অঞ্চলের গভর্নর এক বিবৃতিতে জানান, ট্রাক বিকল হওয়ার পর যাত্রীরা মরুভূমির মধ্যে আটকা পড়েন। ওই এলাকায় তাপমাত্রা ছিল অত্যন্ত বেশি এবং আশপাশে পানির কোনো উৎস কিংবা সরবরাহ ব্যবস্থা ছিল না। ফলে তাদের বেঁচে থাকা ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠে।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, চালক ও যাত্রীরা কয়েকদিন ধরে ট্রাকটি মেরামতের চেষ্টা চালান। তবে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পানির মজুত ফুরিয়ে গেলে তৃষ্ণা ও পানিশূন্যতায় একে একে প্রাণ হারান অন্তত ৪৯ জন। পরে ট্রাকের ভেতর এবং আশপাশের এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বেঁচে যাওয়া দুই ব্যক্তি দীর্ঘ পথ হেঁটে লোকালয়ে পৌঁছে ঘটনাটি কর্তৃপক্ষকে জানান। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে গণকবরে দাফনের ব্যবস্থা করে।
এদিকে ফেরার পথে উদ্ধারকারী দল মরুভূমিতে আটকে থাকা আরও একটি ট্রাকের সন্ধান পায়। ওই ট্রাকে ৬০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। ব্যাটারি বিকল হয়ে যাওয়ায় তারা তিনদিন ধরে মরুভূমিতে আটকা পড়ে ছিলেন।
আগাদেজ গভর্নর জানান, ট্রাকটি মালির হারুবা শহর থেকে ছেড়ে এসেছিল, যা নাইজার সীমান্ত থেকে ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত। উদ্ধারকারী দল আটকে পড়া যাত্রীদের পানি সরবরাহ করে এবং ট্রাকটি মেরামতে সহায়তা করে নিরাপদে যাত্রা পুনরায় শুরু করার ব্যবস্থা করে।
উল্লেখ্য, পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপগামী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য সাহারা মরুভূমির এই অঞ্চল অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ ট্রানজিট করিডোর। প্রতিবছর চরম তাপদাহ, পানির সংকট এবং দুর্গম পরিবেশের কারণে এ পথে বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
রাজনীতি/আইআর

নাইজারের উত্তরাঞ্চলে সাহারা মরুভূমির এক প্রত্যন্ত এলাকায় একটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়ার পর তীব্র তৃষ্ণা ও পানিশূন্যতায় অন্তত ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মরুভূমির প্রতিকূল পরিবেশে আটকা পড়া যাত্রীদের মধ্যে মাত্র দুইজন জীবিত উদ্ধার হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, নিহতরা মুসলিম ধর্মীয় উৎসব পালন শেষে প্রতিবেশী দেশ মালি থেকে নিজ দেশে ফিরছিলেন। যাত্রাপথে নাইজার-আলজেরিয়া সীমান্তের প্রধান পারাপার কেন্দ্র ‘আসামাকা’ থেকে ৮০ কিলোমিটারেরও বেশি পশ্চিমে ট্রাকটি বিকল হয়ে পড়ে।
নাইজারের আগাদেজ অঞ্চলের গভর্নর এক বিবৃতিতে জানান, ট্রাক বিকল হওয়ার পর যাত্রীরা মরুভূমির মধ্যে আটকা পড়েন। ওই এলাকায় তাপমাত্রা ছিল অত্যন্ত বেশি এবং আশপাশে পানির কোনো উৎস কিংবা সরবরাহ ব্যবস্থা ছিল না। ফলে তাদের বেঁচে থাকা ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠে।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, চালক ও যাত্রীরা কয়েকদিন ধরে ট্রাকটি মেরামতের চেষ্টা চালান। তবে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পানির মজুত ফুরিয়ে গেলে তৃষ্ণা ও পানিশূন্যতায় একে একে প্রাণ হারান অন্তত ৪৯ জন। পরে ট্রাকের ভেতর এবং আশপাশের এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বেঁচে যাওয়া দুই ব্যক্তি দীর্ঘ পথ হেঁটে লোকালয়ে পৌঁছে ঘটনাটি কর্তৃপক্ষকে জানান। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে গণকবরে দাফনের ব্যবস্থা করে।
এদিকে ফেরার পথে উদ্ধারকারী দল মরুভূমিতে আটকে থাকা আরও একটি ট্রাকের সন্ধান পায়। ওই ট্রাকে ৬০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। ব্যাটারি বিকল হয়ে যাওয়ায় তারা তিনদিন ধরে মরুভূমিতে আটকা পড়ে ছিলেন।
আগাদেজ গভর্নর জানান, ট্রাকটি মালির হারুবা শহর থেকে ছেড়ে এসেছিল, যা নাইজার সীমান্ত থেকে ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত। উদ্ধারকারী দল আটকে পড়া যাত্রীদের পানি সরবরাহ করে এবং ট্রাকটি মেরামতে সহায়তা করে নিরাপদে যাত্রা পুনরায় শুরু করার ব্যবস্থা করে।
উল্লেখ্য, পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপগামী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য সাহারা মরুভূমির এই অঞ্চল অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ ট্রানজিট করিডোর। প্রতিবছর চরম তাপদাহ, পানির সংকট এবং দুর্গম পরিবেশের কারণে এ পথে বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
রাজনীতি/আইআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে