
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্য সফরের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তার এই সফরের অন্যতম আলোচনার বিষয় হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি।
ভয়েস অব আমেরিকার খবরে বলা হয়েছে, সফরে সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়জাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি।
গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের অন্য কোথাও সরাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব নিয়ে সৌদি আরব ও অন্যান্য আরব দেশের বিরোধিতার আবহেই মার্কো রুবিও এই সফর করছেন।
ট্রাম্প প্রস্তাব দিয়েছেন, ফিলিস্তিনিরা প্রতিবেশী দেশগুলোতে সরে যাবে এবং যুক্তরাষ্ট্র গাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই ভূখণ্ডের পুনরায় উন্নয়ন ঘটাবে। ট্রাম্পের আশা, সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হোক। তবে সৌদির কর্মকর্তারা বলছেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পথ প্রশস্ত না হলে তাদের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না।
গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ পরিকল্পনাকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রুবিও বলেছেন, হামাসকে 'নিশ্চিহ্ন করতেই হবে' এবং 'সামরিক বা প্রশাসনিক শক্তি হিসেবে তারা (হামাস) থাকতে পারবে না।'
সৌদি আরবে যাওয়ার আগে জেরুজালেমে গিয়েছিলেন রুবিও। সেখানে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে তিনি বলেন, যতদিন হামাস সহিংসতা ব্যবহার করে এমন একটি বাহিনী হিসেবে থাকবে যারা সরকার চালাতে পারে, শাসন করতে পারে বা হুমকি দিতে পারে, ততদিন শান্তি অসম্ভব।
২০১৩ সালের অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত মাসে প্রথমবারের মতো যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্ব শেষ হতে চলেছে। এই যুদ্ধবিরতির অন্যতম শর্ত ছিল দুপক্ষের জিম্মায় থাকা বন্দি ও জিম্মি বিনিময়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হামাস তাদের কাছে থাকা জিম্মিদের মুক্তি না দিলে তাদের 'সর্বনাশ' হবে। ট্রাম্পের কথার সঙ্গে সুর মিলিয়ে ইসরায়েলি নেতারাও বলেছেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলায় (যা যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটায়) অপহৃত বাকি কয়েক ডজন জিম্মিকে হামাস মুক্তি না দিলে তাদের জন্য 'জাহান্নামের দরজা খুলে যাবে'।
ইসরায়েল কারাগারে বন্দি প্রায় ৪০০ ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে হামাস গত শনিবারও তিনজন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। তবে অপহরণ করা কয়েক ডজন জিম্মি এখনো আটক রয়েছে তাদের কাছে।

মধ্যপ্রাচ্য সফরের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তার এই সফরের অন্যতম আলোচনার বিষয় হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি।
ভয়েস অব আমেরিকার খবরে বলা হয়েছে, সফরে সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়জাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি।
গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের অন্য কোথাও সরাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব নিয়ে সৌদি আরব ও অন্যান্য আরব দেশের বিরোধিতার আবহেই মার্কো রুবিও এই সফর করছেন।
ট্রাম্প প্রস্তাব দিয়েছেন, ফিলিস্তিনিরা প্রতিবেশী দেশগুলোতে সরে যাবে এবং যুক্তরাষ্ট্র গাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই ভূখণ্ডের পুনরায় উন্নয়ন ঘটাবে। ট্রাম্পের আশা, সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হোক। তবে সৌদির কর্মকর্তারা বলছেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পথ প্রশস্ত না হলে তাদের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না।
গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ পরিকল্পনাকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রুবিও বলেছেন, হামাসকে 'নিশ্চিহ্ন করতেই হবে' এবং 'সামরিক বা প্রশাসনিক শক্তি হিসেবে তারা (হামাস) থাকতে পারবে না।'
সৌদি আরবে যাওয়ার আগে জেরুজালেমে গিয়েছিলেন রুবিও। সেখানে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে তিনি বলেন, যতদিন হামাস সহিংসতা ব্যবহার করে এমন একটি বাহিনী হিসেবে থাকবে যারা সরকার চালাতে পারে, শাসন করতে পারে বা হুমকি দিতে পারে, ততদিন শান্তি অসম্ভব।
২০১৩ সালের অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত মাসে প্রথমবারের মতো যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্ব শেষ হতে চলেছে। এই যুদ্ধবিরতির অন্যতম শর্ত ছিল দুপক্ষের জিম্মায় থাকা বন্দি ও জিম্মি বিনিময়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হামাস তাদের কাছে থাকা জিম্মিদের মুক্তি না দিলে তাদের 'সর্বনাশ' হবে। ট্রাম্পের কথার সঙ্গে সুর মিলিয়ে ইসরায়েলি নেতারাও বলেছেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলায় (যা যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটায়) অপহৃত বাকি কয়েক ডজন জিম্মিকে হামাস মুক্তি না দিলে তাদের জন্য 'জাহান্নামের দরজা খুলে যাবে'।
ইসরায়েল কারাগারে বন্দি প্রায় ৪০০ ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে হামাস গত শনিবারও তিনজন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। তবে অপহরণ করা কয়েক ডজন জিম্মি এখনো আটক রয়েছে তাদের কাছে।

ইরানের এই কবি আরও বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য মানুষটি এখনো কেন বেঁচে আছে? ট্রাম্পের জন্য পৃথিবী আর নিরাপদ নয়। যে ব্যক্তি আমাদের ইমামকে হত্যা করেছে, তাকে আমরা কেন হত্যা করব না? যদি তা না করি, সেটাই হবে আমাদের জন্য লজ্জার।
১২ ঘণ্টা আগে
আলি খামেনির জন্য নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-শিশু নির্বিশেষে লাখ লাখ মানুষের রাস্তায় নেমে আসা এবং তার জন্য কান্নায় ভেঙে পড়ার দৃশ্যে ‘বিস্মিত হয়েছেন’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, তার ধারণা ছিল ইরানের জনগণ আলি খামেনিকে ঘৃণা করে!
১৪ ঘণ্টা আগে
গত মাসে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সই হওয়া একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘ চার মাসব্যাপী চলা সংঘাত অবসানের ঘোষণা আসে। এই চুক্তির আওতায় পারস্য উপসাগরে যুদ্ধপূর্ব সামুদ্রিক চলাচল পুনরায় শুরুর বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়। তবে উপসাগরের ভেতরে ও বাইরে জাহাজ চলাচল নিয়ে বিতর্ক এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।
১৬ ঘণ্টা আগে
এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের জন্য হওয়া প্রাথমিক চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ৬০ দিন পর্যন্ত বাণিজ্যিক জাহাজগুলো কোনো ফি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারবে। তবে এই ৬০ দিনের পর কী নিয়ম হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
১৭ ঘণ্টা আগে