
ভয়েস অব আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল ঘুরিয়ে দিতে চীন, ইরান ও রাশিয়া ব্যাপকভাবে আমেরিকান ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে নতুন প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সম্প্রতি এমন দুটি হুমকি নিয়ে প্রতিবেদন পেশ করেছে গোয়েন্দা বিভাগ। সফটওয়্যার সংস্থা মাইক্রোসফট থেকে একটি ও সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা রেকর্ডেড ফিউচার থেকে অন্য প্রতিদেনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে এসব দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাইবার কর্মীদের ক্রমবর্ধমান তৎপরতার বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া গেছে। এদের সবার লক্ষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের বুথে যাওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময় আগে জনমতকে প্রভাবিত করা।
মাইক্রোসফটের বক্তব্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বড় আঘাতটি এসেছে চীন-সম্পৃক্ত সাইবার কর্মীদের পক্ষ থেকে, যারা গবেষকদের কাছে ‘স্প্যামোফ্লেজ’ বা ‘তাইজি ফ্লাড’ নামে পরিচিত।
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, ‘চীনের প্রভাবিত করার অভিযান সম্প্রতি নতুন মোড় নিয়েছে। তারা বেশ কয়েকজন ডাউন-ব্যালট প্রার্থী ও কংগ্রেসের সদস্যের দিকে নজর দিয়েছে।’
প্রতিষ্ঠানটি সংস্থা আরও উল্লেখ করেছে, চীন সেপ্টেম্বর থেকে এই কর্মকাণ্ড শুরু করেছে এবং কমপক্ষে চারজন উল্লেখযোগ্য রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাকে নিশানা করেছে তারা। এই আইনপ্রণেতারা বেইজিং সরকারের সমালোচক হিসেবে পরিচিত।
সম্প্রতি চীন-সম্পৃক্ত একাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে টেক্সাসের রিপাবলিকান মাইকেল ম্যাককলকে নিশানা করা হয়েছে এবং হাউজ ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ‘ব্যক্তিগত মুনাফার জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার’ করেছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
গত মাসের শেষের দিকে আরেকটি ‘স্প্যামোফ্ল্যাজ’ টেনেসির রিপাবলিকান সিনেটর মার্শা ব্ল্যাকবার্নকে নিশানা করেছিল বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট। চলতি বছরের শুরুতে একই রকম প্রচেষ্টা দেখা গেছে, ৫ নভেম্বরে নির্বাচনে ব্ল্যাকবার্নের প্রতিপক্ষের হয়ে প্রচার করা হয়েছে।
আরও যাদের টার্গেট করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যালাবামার রিপাবলিকান প্রতিনিধি ব্যারি মুর। ইসরায়েলকে সমর্থন করার জন্য তিনি সমালোচিত হয়েছেন। সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান রিপাবলিকান মার্কো রুবিয়োকে নিশানা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে।
ওয়াশিংটনে চীনের দূতাবাস মাইক্রোসফটের প্রতিবেদনে তোলা অভিযোগগুলিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এদিকে মাইক্রোসফট ও রেকর্ডেড ফিউচার তাদের রিপোর্টে সতর্ক করেছে, মার্কিন নির্বাচন প্রভাবিত করার তৎপরতায় বেইজিং একা নয়, অন্য দেশগুলোও যুক্ত রয়েছে।
প্রতিবেদনগুলোতে নির্দিষ্টভাবে সতর্ক করা হয়েছে, রাশিয়া-সম্পৃক্ত সাইবার কর্মী, যারা গবেষকদের কাছে ‘স্টর্ম-১৬৭৯’ বা ‘অপারেশন ওভারলোড’ নামে পরিচিত, গত কয়েক মাস ধরে তাদের কর্মকাণ্ডের গতি বেড়েছে।
মাইক্রোসফটের রিপোর্ট বলছে, দুই সপ্তাহেরও কম সময় আগে ইরান পরিচালিত এক অনলাইন ব্যক্তিত্ব নিজেকে মিথ্যাভাবে আমেরিকান বলে পরিচয় দিতে শুরু করেন এবং উভয় প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে সমর্থন করছেন বলে আমেরিকানদের এই ভোট বয়কট করার আহ্বান জানান।
চীনের মতো রাশিয়া ও ইরান বারবার দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার উদ্যোগে সঙ্গে তারা কোনোভাবেই যুক্ত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল ঘুরিয়ে দিতে চীন, ইরান ও রাশিয়া ব্যাপকভাবে আমেরিকান ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে নতুন প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সম্প্রতি এমন দুটি হুমকি নিয়ে প্রতিবেদন পেশ করেছে গোয়েন্দা বিভাগ। সফটওয়্যার সংস্থা মাইক্রোসফট থেকে একটি ও সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা রেকর্ডেড ফিউচার থেকে অন্য প্রতিদেনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে এসব দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাইবার কর্মীদের ক্রমবর্ধমান তৎপরতার বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া গেছে। এদের সবার লক্ষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের বুথে যাওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময় আগে জনমতকে প্রভাবিত করা।
মাইক্রোসফটের বক্তব্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বড় আঘাতটি এসেছে চীন-সম্পৃক্ত সাইবার কর্মীদের পক্ষ থেকে, যারা গবেষকদের কাছে ‘স্প্যামোফ্লেজ’ বা ‘তাইজি ফ্লাড’ নামে পরিচিত।
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, ‘চীনের প্রভাবিত করার অভিযান সম্প্রতি নতুন মোড় নিয়েছে। তারা বেশ কয়েকজন ডাউন-ব্যালট প্রার্থী ও কংগ্রেসের সদস্যের দিকে নজর দিয়েছে।’
প্রতিষ্ঠানটি সংস্থা আরও উল্লেখ করেছে, চীন সেপ্টেম্বর থেকে এই কর্মকাণ্ড শুরু করেছে এবং কমপক্ষে চারজন উল্লেখযোগ্য রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাকে নিশানা করেছে তারা। এই আইনপ্রণেতারা বেইজিং সরকারের সমালোচক হিসেবে পরিচিত।
সম্প্রতি চীন-সম্পৃক্ত একাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে টেক্সাসের রিপাবলিকান মাইকেল ম্যাককলকে নিশানা করা হয়েছে এবং হাউজ ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ‘ব্যক্তিগত মুনাফার জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার’ করেছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
গত মাসের শেষের দিকে আরেকটি ‘স্প্যামোফ্ল্যাজ’ টেনেসির রিপাবলিকান সিনেটর মার্শা ব্ল্যাকবার্নকে নিশানা করেছিল বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট। চলতি বছরের শুরুতে একই রকম প্রচেষ্টা দেখা গেছে, ৫ নভেম্বরে নির্বাচনে ব্ল্যাকবার্নের প্রতিপক্ষের হয়ে প্রচার করা হয়েছে।
আরও যাদের টার্গেট করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যালাবামার রিপাবলিকান প্রতিনিধি ব্যারি মুর। ইসরায়েলকে সমর্থন করার জন্য তিনি সমালোচিত হয়েছেন। সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান রিপাবলিকান মার্কো রুবিয়োকে নিশানা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে।
ওয়াশিংটনে চীনের দূতাবাস মাইক্রোসফটের প্রতিবেদনে তোলা অভিযোগগুলিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এদিকে মাইক্রোসফট ও রেকর্ডেড ফিউচার তাদের রিপোর্টে সতর্ক করেছে, মার্কিন নির্বাচন প্রভাবিত করার তৎপরতায় বেইজিং একা নয়, অন্য দেশগুলোও যুক্ত রয়েছে।
প্রতিবেদনগুলোতে নির্দিষ্টভাবে সতর্ক করা হয়েছে, রাশিয়া-সম্পৃক্ত সাইবার কর্মী, যারা গবেষকদের কাছে ‘স্টর্ম-১৬৭৯’ বা ‘অপারেশন ওভারলোড’ নামে পরিচিত, গত কয়েক মাস ধরে তাদের কর্মকাণ্ডের গতি বেড়েছে।
মাইক্রোসফটের রিপোর্ট বলছে, দুই সপ্তাহেরও কম সময় আগে ইরান পরিচালিত এক অনলাইন ব্যক্তিত্ব নিজেকে মিথ্যাভাবে আমেরিকান বলে পরিচয় দিতে শুরু করেন এবং উভয় প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে সমর্থন করছেন বলে আমেরিকানদের এই ভোট বয়কট করার আহ্বান জানান।
চীনের মতো রাশিয়া ও ইরান বারবার দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার উদ্যোগে সঙ্গে তারা কোনোভাবেই যুক্ত নয়।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে