
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে সফরকালে সশস্ত্র ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) সদস্যদের হাতে আটকে পড়ার অভিযোগ তুলে আইডিএফের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ করেছেন মার্কিন কংগ্রেসম্যান রো খান্না। তার দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত আইডিএফ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বদলে প্রতিনিধি দলকে আরও কিছু সময় আটকে রাখেন। অথচ ঘটনার পর আইডিএফ যে ব্যাখ্যা দিয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইডিএফ সদস্য ও সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট এই আইনপ্রণেতা বলেন, “আইডিএফ মিথ্যা বলছে। তারা সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীদের মার্কিন নাগরিকদের আটকে রাখতে দিয়েছে, এমনকি একজন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তাকেও।”
খান্নার ভাষ্য অনুযায়ী, সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীরা এম-৪ রাইফেল প্রদর্শন করে তাদের বহরের গাড়ির টায়ারে লাথি মারেন, বিদ্রূপ করেন এবং পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। পরে আইডিএফ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরিবর্তে প্রতিনিধি দলকে আরও কিছু সময় সেখানে আটকে রাখেন।
গত বুধবার দক্ষিণ হেবরনের জানুতা গ্রামের কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে রো খান্না দেখান, কীভাবে বসতি স্থাপনকারীরা তাদের বহরের পথ আটকে রাখে। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ওই এলাকায় ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে ইসরায়েল সরকার-সমর্থিত ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ চালানো হচ্ছে।
তবে ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে আইডিএফ। তাদের দাবি, সেনাসদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বসতি স্থাপনকারীদের সরিয়ে দেন এবং সড়ক চলাচল স্বাভাবিক করেন।
কিন্তু এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন রো খান্না। তিনি বলেন, নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজেই প্রমাণ মিলবে যে চারজন আইডিএফ সদস্য প্রতিনিধি দলকে আটকে রাখার ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
এ ঘটনায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, গাড়ি আটকে দেওয়া ব্যক্তিরা কেবল ‘কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল তরুণ’ এবং তারা আইন মেনে চলা বসতি স্থাপনকারীদের প্রতিনিধিত্ব করেন না।
এর জবাবে খান্না বলেন, নেতানিয়াহুর উচিত ওই সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারী এবং সংশ্লিষ্ট আইডিএফ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া।
তিনি বিশেষভাবে বসতি স্থাপনকারী ইনন লেভির নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেন, জানুতা এলাকার ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত। একই সঙ্গে এক ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। অথচ ভিডিও প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা করেনি বলে দাবি করেন খান্না।
অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, সফরের আগে ইসরায়েল সরকারের সঙ্গে কোনো সমন্বয় না করেই রো খান্না ইচ্ছাকৃতভাবে আলোচিত একটি পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করেছেন। এমনকি গাজা থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ইসরায়েলি জিম্মিদের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তাবও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বলে অভিযোগ তাদের।
এসব অভিযোগ নাকচ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রো খান্না লেখেন, “ইসরায়েল সরকার চারজন আইডিএফ সদস্যকে আড়াল করতে মিথ্যা বলছে। আমি আগে জিম্মিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি এবং ৭ অক্টোবরের হামলার নিন্দাও জানিয়েছি। কিন্তু তাই বলে মার্কিন নাগরিকদের আটকে রাখার ঘটনা বৈধ হয়ে যায় না।”
ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটারও খান্নার সমালোচনা করেছেন। তার দাবি, পশ্চিম তীরে এই সফর ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সম্ভাব্য ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে আলোচনায় আসতেই এমন সফর করেছেন এই কংগ্রেসম্যান।
তবে রো খান্নার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন সফরসঙ্গী মানবাধিকার সংগঠন ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’-এর পরিচালক নাদাভ ওয়েইমান। তিনি বলেন, প্রথমে সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীরা এবং পরে আইডিএফ সদস্যরা এসে প্রতিনিধি দলকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখেন। তার ভাষায়, “আইডিএফ মিথ্যা বলছে, আর এটি প্রথমবার নয়।”

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে সফরকালে সশস্ত্র ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) সদস্যদের হাতে আটকে পড়ার অভিযোগ তুলে আইডিএফের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ করেছেন মার্কিন কংগ্রেসম্যান রো খান্না। তার দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত আইডিএফ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বদলে প্রতিনিধি দলকে আরও কিছু সময় আটকে রাখেন। অথচ ঘটনার পর আইডিএফ যে ব্যাখ্যা দিয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইডিএফ সদস্য ও সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট এই আইনপ্রণেতা বলেন, “আইডিএফ মিথ্যা বলছে। তারা সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীদের মার্কিন নাগরিকদের আটকে রাখতে দিয়েছে, এমনকি একজন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তাকেও।”
খান্নার ভাষ্য অনুযায়ী, সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীরা এম-৪ রাইফেল প্রদর্শন করে তাদের বহরের গাড়ির টায়ারে লাথি মারেন, বিদ্রূপ করেন এবং পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। পরে আইডিএফ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরিবর্তে প্রতিনিধি দলকে আরও কিছু সময় সেখানে আটকে রাখেন।
গত বুধবার দক্ষিণ হেবরনের জানুতা গ্রামের কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে রো খান্না দেখান, কীভাবে বসতি স্থাপনকারীরা তাদের বহরের পথ আটকে রাখে। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ওই এলাকায় ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে ইসরায়েল সরকার-সমর্থিত ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ চালানো হচ্ছে।
তবে ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে আইডিএফ। তাদের দাবি, সেনাসদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বসতি স্থাপনকারীদের সরিয়ে দেন এবং সড়ক চলাচল স্বাভাবিক করেন।
কিন্তু এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন রো খান্না। তিনি বলেন, নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজেই প্রমাণ মিলবে যে চারজন আইডিএফ সদস্য প্রতিনিধি দলকে আটকে রাখার ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
এ ঘটনায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, গাড়ি আটকে দেওয়া ব্যক্তিরা কেবল ‘কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল তরুণ’ এবং তারা আইন মেনে চলা বসতি স্থাপনকারীদের প্রতিনিধিত্ব করেন না।
এর জবাবে খান্না বলেন, নেতানিয়াহুর উচিত ওই সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারী এবং সংশ্লিষ্ট আইডিএফ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া।
তিনি বিশেষভাবে বসতি স্থাপনকারী ইনন লেভির নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেন, জানুতা এলাকার ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত। একই সঙ্গে এক ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। অথচ ভিডিও প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা করেনি বলে দাবি করেন খান্না।
অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, সফরের আগে ইসরায়েল সরকারের সঙ্গে কোনো সমন্বয় না করেই রো খান্না ইচ্ছাকৃতভাবে আলোচিত একটি পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করেছেন। এমনকি গাজা থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ইসরায়েলি জিম্মিদের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তাবও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বলে অভিযোগ তাদের।
এসব অভিযোগ নাকচ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রো খান্না লেখেন, “ইসরায়েল সরকার চারজন আইডিএফ সদস্যকে আড়াল করতে মিথ্যা বলছে। আমি আগে জিম্মিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি এবং ৭ অক্টোবরের হামলার নিন্দাও জানিয়েছি। কিন্তু তাই বলে মার্কিন নাগরিকদের আটকে রাখার ঘটনা বৈধ হয়ে যায় না।”
ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটারও খান্নার সমালোচনা করেছেন। তার দাবি, পশ্চিম তীরে এই সফর ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সম্ভাব্য ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে আলোচনায় আসতেই এমন সফর করেছেন এই কংগ্রেসম্যান।
তবে রো খান্নার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন সফরসঙ্গী মানবাধিকার সংগঠন ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’-এর পরিচালক নাদাভ ওয়েইমান। তিনি বলেন, প্রথমে সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীরা এবং পরে আইডিএফ সদস্যরা এসে প্রতিনিধি দলকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখেন। তার ভাষায়, “আইডিএফ মিথ্যা বলছে, আর এটি প্রথমবার নয়।”

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্যমতে, চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে—যা সাধারণত উগান্ডার মূল বপন মৌসুম—কারামোজা অঞ্চলে খুবই সামান্য অথবা একেবারেই বৃষ্টি হয়নি। বৃষ্টির তীব্র অভাবে ভুট্টা, জোয়ার ও সয়াবিনের বিস্তীর্ণ ক্ষেত শুকিয়ে গেছে। ফলে ভালো ফলনের যে আশা ছিল, তা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। কৃষিজ উৎপাদন শূন্যের কোঠায়
১ দিন আগে
রোববার (১২ জুলাই) দেশটির আমিরে দেওয়ান এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে।
১ দিন আগে
চলতি উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে যখন হরমুজ প্রণালিতে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী ‘এম/ভি জিএফএস গ্যালাক্সি’ নামের একটি কন্টেইনার জাহাজে হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ওই হামলায় জাহাজটির ইঞ্জিন রুম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং একজন বেসামরিক নাবিক নিখোঁজ হন। মূলত এই ঘটনার প্রতিশোধ
১ দিন আগে
আইআরজিসি জানিয়েছে, জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচারিত এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, দেশটির মহাকাশ বাহিনীর নিখুঁত হামলায় ঘাঁটিটির একটি ‘কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল
১ দিন আগে