
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা ভেস্তে গিয়ে নতুন করে সংঘাতের জন্য ইরানকেই দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, গত শনিবার তারা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর কাছাকাছি ছিলেন। এমন সময় ইরান হঠাৎ একটি জাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়ে সেটি ভেস্তে দেয়।
রোববার (১২ জুলাই) মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ট্রাম্প। এ সময় ইরানি কর্মকর্তাদের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, এই লোকগুলোর সমস্যা আছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয় গত মাসে। ওই সমঝোতায় ৬০ দিন সময়সীমায় দুপক্ষের চূড়ান্ত একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তিতে উপনীত হওয়ার কথা বলা হয়।
ওই সমঝোতার মধ্যেই যুদ্ধের প্রথম দিনেই প্রাণ হারানো সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন ঘিরে সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান আয়োজন করে ইরান। সে আয়োজন চলাকালেই হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে হামলা-পালটা হামলার ঘটনা ঘটে।
হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ইরান হামলা করার পর সমুচিত জবাব পেয়ে গেছে বলেও সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। বলেন, গত রাতে আমরা তাদের ওপর কঠোরভাবে হামলা চালিয়েছি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) হামলার জবাবে তারা ইরানের প্রায় দেড় শ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে বলেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে আগের হামলার ব্যাপারে জবাবদিহি করার পর সমঝোতা স্মারক মেনে চলার প্রমাণ দেওয়ার জন্য ইরানকে আরেও একটি সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা আবারও ব্যর্থ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এই বিবৃতিটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘ইরান একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন তাদের এর মূল্য দিতে হবে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার পর ইরান যুদ্ধ অবসান নিয়ে যে আশার আলো দেখা গিয়েছিল, হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে সংঘাত সে সম্ভাবনাকে আবার হুমকির মুখে ফেলেছে। ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারেও সংঘাতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার শঙ্কাই ঘনীভূত হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা ভেস্তে গিয়ে নতুন করে সংঘাতের জন্য ইরানকেই দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, গত শনিবার তারা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর কাছাকাছি ছিলেন। এমন সময় ইরান হঠাৎ একটি জাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়ে সেটি ভেস্তে দেয়।
রোববার (১২ জুলাই) মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ট্রাম্প। এ সময় ইরানি কর্মকর্তাদের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, এই লোকগুলোর সমস্যা আছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয় গত মাসে। ওই সমঝোতায় ৬০ দিন সময়সীমায় দুপক্ষের চূড়ান্ত একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তিতে উপনীত হওয়ার কথা বলা হয়।
ওই সমঝোতার মধ্যেই যুদ্ধের প্রথম দিনেই প্রাণ হারানো সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন ঘিরে সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান আয়োজন করে ইরান। সে আয়োজন চলাকালেই হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে হামলা-পালটা হামলার ঘটনা ঘটে।
হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ইরান হামলা করার পর সমুচিত জবাব পেয়ে গেছে বলেও সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। বলেন, গত রাতে আমরা তাদের ওপর কঠোরভাবে হামলা চালিয়েছি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) হামলার জবাবে তারা ইরানের প্রায় দেড় শ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে বলেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে আগের হামলার ব্যাপারে জবাবদিহি করার পর সমঝোতা স্মারক মেনে চলার প্রমাণ দেওয়ার জন্য ইরানকে আরেও একটি সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা আবারও ব্যর্থ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এই বিবৃতিটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘ইরান একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন তাদের এর মূল্য দিতে হবে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার পর ইরান যুদ্ধ অবসান নিয়ে যে আশার আলো দেখা গিয়েছিল, হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে সংঘাত সে সম্ভাবনাকে আবার হুমকির মুখে ফেলেছে। ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারেও সংঘাতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার শঙ্কাই ঘনীভূত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
১ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (অ্যাটাকমস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)। দুটি সূত্রের ভাষ্য, এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
১ দিন আগে
র্যাঞ্চো পালোস ভার্দেস এলাকার ট্রাম্প ন্যাশনাল গলফ কোর্স থেকে একটি পিস্তল ও অবৈধ গোলাবারুদসহ আটক করা হয় ৩৮ বছর বয়সী জেনিন জন টায়েলকে আটক করা হয় বলে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
১ দিন আগে