
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বিরুদ্ধে প্রায় ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধকে এবার সামরিক ক্ষেত্রের বাইরে আরও বড় অর্থনৈতিক লড়াইয়ে নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশ, ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিশানায় আনার হুঁশিয়ারি দিয়ে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, এটি ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক অর্থনৈতিক আক্রমণ’। ইরান ও তার সহযোগীদের এবার চড়া মূল্য দিতে হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (২৪ আগস্ট) ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে বেসেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে এসব নিষেধাজ্ঞা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘সর্বাত্মক অর্থনৈতিক আক্রমণ’ নামে একটি দীর্ঘমেয়াদি অভিযান শুরু করেছে। এর লক্ষ্য— ইরানের অর্থনীতিকে সচল রাখা বৈশ্বিক আর্থিক যোগাযোগ ও আয়ের পথগুলো বিচ্ছিন্ন করা।
বেসেন্ট এটিকে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তেহরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা— এই দুটির মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হতে পারে।
নতুন পদক্ষেপের আওতায় প্রায় ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানের তেল বিক্রি, নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে অর্থ স্থানান্তর, পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সংগ্রহ এবং অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ডে সহায়তা করছে। এসব নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার বন্ধ হয়ে যাবে।
তবে এবারের উদ্যোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দ্বিতীয় ধাপের নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানো। অর্থাৎ শুধু ইরানি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর নয়, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা বিদেশি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার ক্ষমতা সম্প্রসারণ করছে ওয়াশিংটন।
বেসেন্ট অবশ্য সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে বলেননি, কোন কোন দেশ বা প্রতিষ্ঠানকে কবে এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে। বরং তাদের ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য একটি সময় দেওয়া হচ্ছে।
ইরানের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি খাতও নতুন করে চিহ্নিত করেছে মার্কিন ট্রেজারি— ডিজিটাল সম্পদ, সোনা, প্রযুক্তি, বিমান চলাচল ও জাহাজ চলাচল। এসব খাতে ইরানের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সহায়তা করা বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও ভবিষ্যতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য, ইরানের তেল বিক্রির অর্থ এবং নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে আয় করার সুযোগ যতটা সম্ভব বন্ধ করা।
তবে চীনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র আপাতত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চীন এবং দেশটির কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইরানের তেল বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত বলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ রয়েছে। তারপরও সোমবারের নতুন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় বড় কোনো চীনা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে রাখা হয়নি। বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধাক্কা এড়ানো এবং ট্রাম্প-শি জিনপিং সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়টিও ওয়াশিংটনের হিসাবের মধ্যে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে। তেহরান সতর্ক করেছে, যেসব দেশ ও প্রতিষ্ঠান নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধে পালটা ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। ইরানের মুদ্রা রিয়ালও সোমবার ডলারের বিপরীতে রেকর্ড নিম্নস্তরে নেমেছে।
বেসেন্ট আরও জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ একটি বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে সোমবারের পদক্ষেপকে এককালীন নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং ইরানের অর্থনীতিকে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার ধারাবাহিক অভিযানের প্রথম বড় ধাপ হিসেবেই দেখছে ওয়াশিংটন।

ইরানের বিরুদ্ধে প্রায় ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধকে এবার সামরিক ক্ষেত্রের বাইরে আরও বড় অর্থনৈতিক লড়াইয়ে নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশ, ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিশানায় আনার হুঁশিয়ারি দিয়ে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, এটি ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক অর্থনৈতিক আক্রমণ’। ইরান ও তার সহযোগীদের এবার চড়া মূল্য দিতে হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (২৪ আগস্ট) ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে বেসেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে এসব নিষেধাজ্ঞা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘সর্বাত্মক অর্থনৈতিক আক্রমণ’ নামে একটি দীর্ঘমেয়াদি অভিযান শুরু করেছে। এর লক্ষ্য— ইরানের অর্থনীতিকে সচল রাখা বৈশ্বিক আর্থিক যোগাযোগ ও আয়ের পথগুলো বিচ্ছিন্ন করা।
বেসেন্ট এটিকে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তেহরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা— এই দুটির মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হতে পারে।
নতুন পদক্ষেপের আওতায় প্রায় ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানের তেল বিক্রি, নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে অর্থ স্থানান্তর, পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সংগ্রহ এবং অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ডে সহায়তা করছে। এসব নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার বন্ধ হয়ে যাবে।
তবে এবারের উদ্যোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দ্বিতীয় ধাপের নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানো। অর্থাৎ শুধু ইরানি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর নয়, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা বিদেশি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার ক্ষমতা সম্প্রসারণ করছে ওয়াশিংটন।
বেসেন্ট অবশ্য সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে বলেননি, কোন কোন দেশ বা প্রতিষ্ঠানকে কবে এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে। বরং তাদের ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য একটি সময় দেওয়া হচ্ছে।
ইরানের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি খাতও নতুন করে চিহ্নিত করেছে মার্কিন ট্রেজারি— ডিজিটাল সম্পদ, সোনা, প্রযুক্তি, বিমান চলাচল ও জাহাজ চলাচল। এসব খাতে ইরানের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সহায়তা করা বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও ভবিষ্যতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য, ইরানের তেল বিক্রির অর্থ এবং নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে আয় করার সুযোগ যতটা সম্ভব বন্ধ করা।
তবে চীনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র আপাতত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চীন এবং দেশটির কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইরানের তেল বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত বলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ রয়েছে। তারপরও সোমবারের নতুন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় বড় কোনো চীনা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে রাখা হয়নি। বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধাক্কা এড়ানো এবং ট্রাম্প-শি জিনপিং সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়টিও ওয়াশিংটনের হিসাবের মধ্যে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে। তেহরান সতর্ক করেছে, যেসব দেশ ও প্রতিষ্ঠান নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধে পালটা ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। ইরানের মুদ্রা রিয়ালও সোমবার ডলারের বিপরীতে রেকর্ড নিম্নস্তরে নেমেছে।
বেসেন্ট আরও জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ একটি বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে সোমবারের পদক্ষেপকে এককালীন নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং ইরানের অর্থনীতিকে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার ধারাবাহিক অভিযানের প্রথম বড় ধাপ হিসেবেই দেখছে ওয়াশিংটন।

২০২০ সালের জুনে লাদাখ সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে চরম তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে সাত বছর লেগে গেল। এবার চারশত কর্মকর্তা সঙ্গী করে আবারও ভারত সফরে আসছেন শি জিনপিং।
১০ ঘণ্টা আগে
আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দিতে পারে পররাষ্ট্র দপ্তর। এ ক্ষেত্রে তারা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের নবগঠিত ‘পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি’ সোমবার (২৪ আগস্ট)এক বিবৃতিতে জানায়, কালো তালিকাভুক্ত জাহাজগুলোর সঙ্গে যারা পণ্য স্থানান্তর বা অন্য ধরনের সহযোগিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তালিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও অন্যান্য দেশের কয়েকটি বড় শিপিং কোম্পানির ট্
১৯ ঘণ্টা আগে