
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩১। হামলায় আরও ৫৭ জন আহত হয়েছেন। ভারত এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’।
বুধবার (৭ মে) মধ্যরাতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী হতাহতের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরে ভারত এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। অন্তত ৯টি স্থানে এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।
এ দিন সকাল আটজন নিহত ও ৩৫ জন আহত এবং দুপুরে ২৬ জন নিহত ও ৪৬ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।
ভারতের হামলার পর পাকিস্তানের পালটা হামলায় ভারত-শাসিত কাশ্মিরে ১৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ৪৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সামরিক বাহিনী।
গত ২২ এপ্রিল ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মিরে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ভারত এ হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানে। ভারত সরকার ও দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা কেবল পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত আজাদ-কাশ্মিরে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-ও বলেছেন, তাদের নিরীহ নাগরিকদের যারা মেরেছে কেবল তাদের ওপরই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যে লক্ষ্য স্থির করেছিলাম, তা ঠিক সময়ে পরিকল্পনামাফিক কার্যকর করা হয়েছে। কোনো নাগরিক ঠিকানা বা জনগণকে একটুও প্রভাবিত হতে না দেওয়ার সংবেদনশীলতা দেখিয়েছে সেনারা।
তবে পাকিস্তান বলছে, হামলাগুলো চালানো হয়েছে বেসামরিক স্থাপনায়। গত রাতে পাকিস্তানের ওপর হামলা চালিয়ে ভারত ‘ভুল করেছে’ উল্লেখ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, ভারতকে এর জন্য মূল্য দিতে হবে। ভারত হয়তো ভেবেছিল পাকিস্তান পিছু হটবে। কিন্তু ভারত ভুলে গেছে, আমরা এমন একটি জাতি যারা তাদের দেশের জন্য লড়াই করতে জানে।

পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩১। হামলায় আরও ৫৭ জন আহত হয়েছেন। ভারত এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’।
বুধবার (৭ মে) মধ্যরাতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী হতাহতের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরে ভারত এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। অন্তত ৯টি স্থানে এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।
এ দিন সকাল আটজন নিহত ও ৩৫ জন আহত এবং দুপুরে ২৬ জন নিহত ও ৪৬ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।
ভারতের হামলার পর পাকিস্তানের পালটা হামলায় ভারত-শাসিত কাশ্মিরে ১৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ৪৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সামরিক বাহিনী।
গত ২২ এপ্রিল ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মিরে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ভারত এ হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানে। ভারত সরকার ও দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা কেবল পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত আজাদ-কাশ্মিরে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-ও বলেছেন, তাদের নিরীহ নাগরিকদের যারা মেরেছে কেবল তাদের ওপরই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যে লক্ষ্য স্থির করেছিলাম, তা ঠিক সময়ে পরিকল্পনামাফিক কার্যকর করা হয়েছে। কোনো নাগরিক ঠিকানা বা জনগণকে একটুও প্রভাবিত হতে না দেওয়ার সংবেদনশীলতা দেখিয়েছে সেনারা।
তবে পাকিস্তান বলছে, হামলাগুলো চালানো হয়েছে বেসামরিক স্থাপনায়। গত রাতে পাকিস্তানের ওপর হামলা চালিয়ে ভারত ‘ভুল করেছে’ উল্লেখ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, ভারতকে এর জন্য মূল্য দিতে হবে। ভারত হয়তো ভেবেছিল পাকিস্তান পিছু হটবে। কিন্তু ভারত ভুলে গেছে, আমরা এমন একটি জাতি যারা তাদের দেশের জন্য লড়াই করতে জানে।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
১১ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
২০ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১ দিন আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে