
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের ‘এনকাউন্টারে’ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই নির্যাতনের শিকার কিশোরীর পরিবার পুলিশের তদন্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। নিহত প্রভাসের স্ত্রী ও মাও বলেছেন, তিনি নিজের কর্মেরই ফল ভোগ করেছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় গত শনিবার এক কিশোরী নিখোঁজ হয়। পরদিন রোববার এলাকার একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের মধ্যে প্রথম গ্রেপ্তার হন প্রভাস মণ্ডল। পরে আরও তিনজন— আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দার ও কবীর মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত কিশোরীর মরদেহ যেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল, সেই স্থানও দেখিয়ে দিয়েছিলেন প্রভাস।
মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনা পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাসকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় পুলিশ। পুলিশের দাবি, এ সময় তিনি এক তদন্ত কর্মকর্তার অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন এবং এক রাউন্ড গুলিও ছোড়েন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পালটা গুলি চালালে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এনকাউন্টারের পর নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত কিশোরীর বাবা পুলিশের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, তদন্তে তারা সন্তুষ্ট এবং সরকারের কাজেও তাদের বিশ্বাস রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে আশ্বাস দিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। তার ভাষায়, সব দোষীই শাস্তি পাবে বলে তিনি আশাবাদী।
তবে অভিযুক্তের মৃত্যুর বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি। বলেন, ঘটনাস্থলে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তবে পুলিশের তদন্তে তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তার দাবি, পুলিশের কারণেই তদন্ত এতদূর এগিয়েছে এবং আরও জড়িতদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
এর আগে মঙ্গলবার বারুইপুরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে ধর্ষণ-হত্যায় জড়িত সন্দেহে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে নিহত আরেক ব্যক্তিকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রভাসের মরদেহের ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত (ম্যাজিস্ট্রেট এনকোয়ারি) করা হবে। এদিকে তার পরিবারের প্রতিক্রিয়াও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তার মা সন্ধ্যা মণ্ডল জানিয়েছেন, ছেলে যা করেছে, তার ফলই পেয়েছে। তিনি ছেলের মরদেহ গ্রহণ করবেন না বলেও জানিয়েছেন।
একই সুর শোনা গেছে প্রভাসের স্ত্রী চাঁপা মণ্ডলের কণ্ঠেও। তিনি বলেন, স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বিয়ের পর থেকেই স্বামীর নানা অনৈতিক আচরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘দোষ করেছে, তাই গুলি খেয়েছে। এতে বলার কিছু নেই।’
চাঁপা জানান, ঘটনার পরই তিনি সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। স্বামীর মরদেহ গ্রহণের বিষয়ে পরিবারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে বলে জানান তিনি। তবে প্রভাসের মা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ছেলের মুখও তিনি আর দেখতে চান না।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার দিন ভুক্তভোগী কিশোরীকে প্রভাসের সঙ্গে যেতে দেখা গেছে বলে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে বারুইপুরে। পুলিশ বলছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং গ্রেপ্তার তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের ‘এনকাউন্টারে’ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই নির্যাতনের শিকার কিশোরীর পরিবার পুলিশের তদন্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। নিহত প্রভাসের স্ত্রী ও মাও বলেছেন, তিনি নিজের কর্মেরই ফল ভোগ করেছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় গত শনিবার এক কিশোরী নিখোঁজ হয়। পরদিন রোববার এলাকার একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের মধ্যে প্রথম গ্রেপ্তার হন প্রভাস মণ্ডল। পরে আরও তিনজন— আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দার ও কবীর মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত কিশোরীর মরদেহ যেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল, সেই স্থানও দেখিয়ে দিয়েছিলেন প্রভাস।
মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনা পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাসকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় পুলিশ। পুলিশের দাবি, এ সময় তিনি এক তদন্ত কর্মকর্তার অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন এবং এক রাউন্ড গুলিও ছোড়েন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পালটা গুলি চালালে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এনকাউন্টারের পর নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত কিশোরীর বাবা পুলিশের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, তদন্তে তারা সন্তুষ্ট এবং সরকারের কাজেও তাদের বিশ্বাস রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে আশ্বাস দিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। তার ভাষায়, সব দোষীই শাস্তি পাবে বলে তিনি আশাবাদী।
তবে অভিযুক্তের মৃত্যুর বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি। বলেন, ঘটনাস্থলে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তবে পুলিশের তদন্তে তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তার দাবি, পুলিশের কারণেই তদন্ত এতদূর এগিয়েছে এবং আরও জড়িতদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
এর আগে মঙ্গলবার বারুইপুরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে ধর্ষণ-হত্যায় জড়িত সন্দেহে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে নিহত আরেক ব্যক্তিকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রভাসের মরদেহের ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত (ম্যাজিস্ট্রেট এনকোয়ারি) করা হবে। এদিকে তার পরিবারের প্রতিক্রিয়াও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তার মা সন্ধ্যা মণ্ডল জানিয়েছেন, ছেলে যা করেছে, তার ফলই পেয়েছে। তিনি ছেলের মরদেহ গ্রহণ করবেন না বলেও জানিয়েছেন।
একই সুর শোনা গেছে প্রভাসের স্ত্রী চাঁপা মণ্ডলের কণ্ঠেও। তিনি বলেন, স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বিয়ের পর থেকেই স্বামীর নানা অনৈতিক আচরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘দোষ করেছে, তাই গুলি খেয়েছে। এতে বলার কিছু নেই।’
চাঁপা জানান, ঘটনার পরই তিনি সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। স্বামীর মরদেহ গ্রহণের বিষয়ে পরিবারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে বলে জানান তিনি। তবে প্রভাসের মা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ছেলের মুখও তিনি আর দেখতে চান না।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার দিন ভুক্তভোগী কিশোরীকে প্রভাসের সঙ্গে যেতে দেখা গেছে বলে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে বারুইপুরে। পুলিশ বলছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং গ্রেপ্তার তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে