
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশি মুসলিম কমিউনিটিতে ‘সম্মানিত’ ধর্মীয় নেতা হিসেবে পরিচিত সাবেক ইমাম আব্দুল হালিম খানকে (৫৪) নারী ও শিশুদের ওপর ধারাবাহিক যৌন নির্যাতনের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন লন্ডনের লন্ডনের স্নেয়ারসব্রুক ক্রাউন আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, তাকে কমপক্ষে ২০ বছর সশ্রম কারাভোগ করতে হবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়েছে, আব্দুল হালিম খান নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে ভারত থেকে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। পরে ১৯৯৬ সালে পূর্ব লন্ডনের একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলার পর বিদেশি ইমামদের বিষয়ে লন্ডনের কঠোর নীতিমালা চালুর আগেই তিনি নিয়োগ পান।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হলেও, ভুক্তভোগীদের পরিচয় গোপন রাখার স্বার্থে তিনি কোন মসজিদে ইমামতি করতেন, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। আব্দুল হালিম মূলত লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকায় বাংলাদেশি মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। ১৯৬০–এর দশক থেকে ওই এলাকায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষের বসবাস গড়ে ওঠে।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল হালিম খানকে ‘বাংলাদেশি’ বলে খবর প্রচার করছিল কিছু বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম। এ প্রসঙ্গে বিবিসির সাংবাদিক মিজানুর রহমান খান ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘তিনি বাংলাদেশি নন, ভারতীয়। খুব ভালো বাংলা বলতে পারেন বলে অনেকেই তাকে বাংলাদেশি বলে মনে করতেন। পূর্ব লন্ডন মূলত বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় তার ওঠাবসা ছিল বাংলাদেশিদের সঙ্গে। বাংলাদেশি পরিবারের ছেলেমেয়েদের তিনি মসজিদে আরবি পড়াতেন।’
আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ১১ বছরে ধর্মীয় প্রভাব ও সামাজিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় বাংলাদেশি মুসলিম কমিউনিটির অন্তত সাতজন নারী ও শিশুকে ‘পৈশাচিক’ যৌন নিপীড়ন করেন তিনি। বিচারক লেসলি কাথবার্ট সাজা ঘোষণার সময় বলেন, ‘আপনি নিজের পাশবিক লালসা চরিতার্থ করার জন্য ক্ষমতার পদ্ধতিগত অপব্যবহার করেছেন। এমনভাবে আচরণ করতেন যেন আপনি আইনের ঊর্ধ্বে বা ধরাছোঁয়ার বাইরে।’
বিচারক আরও উল্লেখ করেন, হালিম খান কৌশলে এমন ভুক্তভোগীদের টার্গেট করতেন, যারা লোকলজ্জা বা ধর্মীয় কারণে মুখ খুলতে ভয় পাবেন। তিনি জানতেন যে যদি কেউ অভিযোগ করে, তবে মানুষ একজন ‘সম্মানিত’ ইমামের কথাই বিশ্বাস করবে।
মামলার শুনানিতে উঠে আসে ভয়াবহ সব তথ্য। আব্দুল হালিম খান ভুক্তভোগীদের বোঝাতেন যে তাদের ওপর ‘খারাপ জিনের’ আছর রয়েছে। পরে চিকিৎসার কথা বলে তিনি তাদের নির্জন ফ্ল্যাট বা গাড়িতে নিয়ে যেতেন। সেখানে নিজের ওপর ‘জিন ভর করেছে’— এমন অভিনয় করে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন চালাতেন।
আদালতে ‘আরিয়া’ ছদ্মনামে সাক্ষ্য দেওয়া এক ভুক্তভোগী জানান, নির্যাতনের সময় তাকে চোখ বন্ধ রাখতে বলা হতো। গাড়ির জানালায় শব্দ করে ভয় দেখানো হতো যে বাইরে অশুভ শক্তি ঘোরাফেরা করছে। আতঙ্কে তিনি কোনো প্রতিবাদ করতে পারেননি। আরেক কিশোরীকে বলা হয়েছিল, ঘটনা প্রকাশ করলে তার পরিবারের ওপর ‘কালো জাদু’ নেমে আসবে।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আদালত আব্দুল হালিম খানকে মোট ২১টি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে নয়টি ধর্ষণ, চারটি যৌন নিপীড়ন, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুর ওপর দুইবার যৌন আক্রমণ, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুকে পাঁচবার ধর্ষণ এবং একটি পেনিট্রেশনের মাধ্যমে শারীরিক লাঞ্ছনা।
মামলার প্রধান কৌঁসুলি (লিড প্রসিকিউটর) সারাহ মরিস কেসি বলেন, হালিম খান ভুক্তভোগীদের ওপর ‘স্থায়ী মানসিক ক্ষত’ সৃষ্টি করেছেন। তিনি তাদের ধর্মবিশ্বাসকে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করে তাদের মানসিক ও শারীরিকভাবে পঙ্গু করে দিয়েছেন।
আদালতে আরেক ভুক্তভোগী ‘ফারাহ’ ছদ্মনামে দেওয়া জবানবন্দিতে জানান, নির্যাতনের কথা পরিবারকে জানানোর পর তার মা-বাবা তাকে বিশ্বাস করেননি, বরং তাকেই দোষারোপ করা হয়েছে। ফলে কিশোরী বয়সেই তাকে বাড়ি ছাড়তে হয়। তিনি বলেন, ‘আমি আজও আমার পরিচয় নিয়ে সংশয়ে থাকি। যাদের কাছে আমি সুরক্ষা আশা করেছিলাম, তারাই আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।’
এ ছাড়া ভুক্তভোগীদের একজন হালিম খানকে ‘শয়তানের প্রতিমূর্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ধার্মিকতার পোশাক পরে হালিম খান যে অপরাধ করেছেন, তা সাধারণ অপরাধের চেয়েও জঘন্য।
তদন্তকারী পুলিশের গোয়েন্দা কর্মকর্তা জেনি রোনান বলেন, ‘আব্দুল হালিম খান নিজেকে বিশ্বস্ত ও ধর্মভীরু ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতেন, কিন্তু পর্দার আড়ালে তিনি ছিলেন এক ভয়ংকর অপরাধী।’ তিনি ভুক্তভোগীদের সাহসিকতার প্রশংসা করে বলেন, তাদের এগিয়ে আসার কারণেই নায়বিচার সম্ভব হয়েছে।
শিশু সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য সংস্থা নিশপ্যাক (এনএসপিসিসি) এ ঘটনাকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করেছে। সংস্থাটির একজন মুখপাত্র বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে শিশুদের ওপর এমন নির্যাতন ক্ষমার অযোগ্য এবং এই রায় ভবিষ্যতের অপরাধীদের জন্য কঠোর বার্তা হয়ে থাকবে।

যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশি মুসলিম কমিউনিটিতে ‘সম্মানিত’ ধর্মীয় নেতা হিসেবে পরিচিত সাবেক ইমাম আব্দুল হালিম খানকে (৫৪) নারী ও শিশুদের ওপর ধারাবাহিক যৌন নির্যাতনের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন লন্ডনের লন্ডনের স্নেয়ারসব্রুক ক্রাউন আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, তাকে কমপক্ষে ২০ বছর সশ্রম কারাভোগ করতে হবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়েছে, আব্দুল হালিম খান নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে ভারত থেকে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। পরে ১৯৯৬ সালে পূর্ব লন্ডনের একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলার পর বিদেশি ইমামদের বিষয়ে লন্ডনের কঠোর নীতিমালা চালুর আগেই তিনি নিয়োগ পান।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হলেও, ভুক্তভোগীদের পরিচয় গোপন রাখার স্বার্থে তিনি কোন মসজিদে ইমামতি করতেন, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। আব্দুল হালিম মূলত লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকায় বাংলাদেশি মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। ১৯৬০–এর দশক থেকে ওই এলাকায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষের বসবাস গড়ে ওঠে।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল হালিম খানকে ‘বাংলাদেশি’ বলে খবর প্রচার করছিল কিছু বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম। এ প্রসঙ্গে বিবিসির সাংবাদিক মিজানুর রহমান খান ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘তিনি বাংলাদেশি নন, ভারতীয়। খুব ভালো বাংলা বলতে পারেন বলে অনেকেই তাকে বাংলাদেশি বলে মনে করতেন। পূর্ব লন্ডন মূলত বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় তার ওঠাবসা ছিল বাংলাদেশিদের সঙ্গে। বাংলাদেশি পরিবারের ছেলেমেয়েদের তিনি মসজিদে আরবি পড়াতেন।’
আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ১১ বছরে ধর্মীয় প্রভাব ও সামাজিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় বাংলাদেশি মুসলিম কমিউনিটির অন্তত সাতজন নারী ও শিশুকে ‘পৈশাচিক’ যৌন নিপীড়ন করেন তিনি। বিচারক লেসলি কাথবার্ট সাজা ঘোষণার সময় বলেন, ‘আপনি নিজের পাশবিক লালসা চরিতার্থ করার জন্য ক্ষমতার পদ্ধতিগত অপব্যবহার করেছেন। এমনভাবে আচরণ করতেন যেন আপনি আইনের ঊর্ধ্বে বা ধরাছোঁয়ার বাইরে।’
বিচারক আরও উল্লেখ করেন, হালিম খান কৌশলে এমন ভুক্তভোগীদের টার্গেট করতেন, যারা লোকলজ্জা বা ধর্মীয় কারণে মুখ খুলতে ভয় পাবেন। তিনি জানতেন যে যদি কেউ অভিযোগ করে, তবে মানুষ একজন ‘সম্মানিত’ ইমামের কথাই বিশ্বাস করবে।
মামলার শুনানিতে উঠে আসে ভয়াবহ সব তথ্য। আব্দুল হালিম খান ভুক্তভোগীদের বোঝাতেন যে তাদের ওপর ‘খারাপ জিনের’ আছর রয়েছে। পরে চিকিৎসার কথা বলে তিনি তাদের নির্জন ফ্ল্যাট বা গাড়িতে নিয়ে যেতেন। সেখানে নিজের ওপর ‘জিন ভর করেছে’— এমন অভিনয় করে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন চালাতেন।
আদালতে ‘আরিয়া’ ছদ্মনামে সাক্ষ্য দেওয়া এক ভুক্তভোগী জানান, নির্যাতনের সময় তাকে চোখ বন্ধ রাখতে বলা হতো। গাড়ির জানালায় শব্দ করে ভয় দেখানো হতো যে বাইরে অশুভ শক্তি ঘোরাফেরা করছে। আতঙ্কে তিনি কোনো প্রতিবাদ করতে পারেননি। আরেক কিশোরীকে বলা হয়েছিল, ঘটনা প্রকাশ করলে তার পরিবারের ওপর ‘কালো জাদু’ নেমে আসবে।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আদালত আব্দুল হালিম খানকে মোট ২১টি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে নয়টি ধর্ষণ, চারটি যৌন নিপীড়ন, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুর ওপর দুইবার যৌন আক্রমণ, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুকে পাঁচবার ধর্ষণ এবং একটি পেনিট্রেশনের মাধ্যমে শারীরিক লাঞ্ছনা।
মামলার প্রধান কৌঁসুলি (লিড প্রসিকিউটর) সারাহ মরিস কেসি বলেন, হালিম খান ভুক্তভোগীদের ওপর ‘স্থায়ী মানসিক ক্ষত’ সৃষ্টি করেছেন। তিনি তাদের ধর্মবিশ্বাসকে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করে তাদের মানসিক ও শারীরিকভাবে পঙ্গু করে দিয়েছেন।
আদালতে আরেক ভুক্তভোগী ‘ফারাহ’ ছদ্মনামে দেওয়া জবানবন্দিতে জানান, নির্যাতনের কথা পরিবারকে জানানোর পর তার মা-বাবা তাকে বিশ্বাস করেননি, বরং তাকেই দোষারোপ করা হয়েছে। ফলে কিশোরী বয়সেই তাকে বাড়ি ছাড়তে হয়। তিনি বলেন, ‘আমি আজও আমার পরিচয় নিয়ে সংশয়ে থাকি। যাদের কাছে আমি সুরক্ষা আশা করেছিলাম, তারাই আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।’
এ ছাড়া ভুক্তভোগীদের একজন হালিম খানকে ‘শয়তানের প্রতিমূর্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ধার্মিকতার পোশাক পরে হালিম খান যে অপরাধ করেছেন, তা সাধারণ অপরাধের চেয়েও জঘন্য।
তদন্তকারী পুলিশের গোয়েন্দা কর্মকর্তা জেনি রোনান বলেন, ‘আব্দুল হালিম খান নিজেকে বিশ্বস্ত ও ধর্মভীরু ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতেন, কিন্তু পর্দার আড়ালে তিনি ছিলেন এক ভয়ংকর অপরাধী।’ তিনি ভুক্তভোগীদের সাহসিকতার প্রশংসা করে বলেন, তাদের এগিয়ে আসার কারণেই নায়বিচার সম্ভব হয়েছে।
শিশু সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য সংস্থা নিশপ্যাক (এনএসপিসিসি) এ ঘটনাকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করেছে। সংস্থাটির একজন মুখপাত্র বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে শিশুদের ওপর এমন নির্যাতন ক্ষমার অযোগ্য এবং এই রায় ভবিষ্যতের অপরাধীদের জন্য কঠোর বার্তা হয়ে থাকবে।

লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তিটিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরের সম্ভাবনা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এরপরই এই যুদ্ধবিরতির খবর এলো।
২০ ঘণ্টা আগে
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জাহাজ পরিচালনাকারীদের হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করার অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সরকারি ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদনে জাহাজের সঠিক যোগাযোগ তথ্য, রুট ও সময়সূচি উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে প্রণালিতে প্রবেশ কিংবা বের
২১ ঘণ্টা আগে