
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের সংসদে প্রয়াত ভারতীয় ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি শ্রদ্ধা ও দ্বিপাক্ষিক সংহতির নিদর্শনস্বরূপ বাংলাদেশের প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে প্রতিবেশী দেশের একজন সাবেক সরকারপ্রধানের স্মরণে ভারতের পার্লামেন্টের দুই কক্ষে শোকপ্রস্তাব গ্রহণকে তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক শিষ্টাচার হিসাবে দেখা হচ্ছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন উচ্চকক্ষ (রাজ্যসভা) ও নিম্নকক্ষের (লোকসভা) যৌথ অধিবেশনে ‘শোকপ্রস্তাব (অবিচুয়ারি রেফারেন্স)’ গ্রহণ এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এ সময় নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, ভারতের সংসদ বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক দায়িত্বকাল এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে তার অবদানের কথা স্মরণ করে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদের উভয় কক্ষের সদস্যবৃন্দের সঙ্গে খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার লক্ষ্যে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
ভারতের সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ভাষণ দেন। এ সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মন্ত্রিসভা ও রাজ্যসভার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর নিজ নিজ কক্ষের কার্যতালিকা অনুযায়ী প্রয়াত ভারতীয় সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
লোকসভায় খালেদা জিয়া, মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, শালিনী পাতিল, ভানু প্রকাশ মির্ধা, সত্যেন্দ্র নাথ ব্রহ্ম চৌধুরী, সুরেশ কালমাদি ও কবীন্দ্র পুরকায়স্থের ওপর শোকবার্তা পাঠ করেন স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে খালেদা জিয়ার ভূমিকা সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ শ্রদ্ধা নিবেদন ভারতের সংসদীয় ঐতিহ্যেরই অংশ। এরপর সবার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে খালেদা জিয়া তিনবার দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক পথচলা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে খালেদা জিয়া মারা যান। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় এসেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর।

ভারতের সংসদে প্রয়াত ভারতীয় ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি শ্রদ্ধা ও দ্বিপাক্ষিক সংহতির নিদর্শনস্বরূপ বাংলাদেশের প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে প্রতিবেশী দেশের একজন সাবেক সরকারপ্রধানের স্মরণে ভারতের পার্লামেন্টের দুই কক্ষে শোকপ্রস্তাব গ্রহণকে তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক শিষ্টাচার হিসাবে দেখা হচ্ছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন উচ্চকক্ষ (রাজ্যসভা) ও নিম্নকক্ষের (লোকসভা) যৌথ অধিবেশনে ‘শোকপ্রস্তাব (অবিচুয়ারি রেফারেন্স)’ গ্রহণ এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এ সময় নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, ভারতের সংসদ বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক দায়িত্বকাল এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে তার অবদানের কথা স্মরণ করে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদের উভয় কক্ষের সদস্যবৃন্দের সঙ্গে খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার লক্ষ্যে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
ভারতের সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ভাষণ দেন। এ সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মন্ত্রিসভা ও রাজ্যসভার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর নিজ নিজ কক্ষের কার্যতালিকা অনুযায়ী প্রয়াত ভারতীয় সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
লোকসভায় খালেদা জিয়া, মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, শালিনী পাতিল, ভানু প্রকাশ মির্ধা, সত্যেন্দ্র নাথ ব্রহ্ম চৌধুরী, সুরেশ কালমাদি ও কবীন্দ্র পুরকায়স্থের ওপর শোকবার্তা পাঠ করেন স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে খালেদা জিয়ার ভূমিকা সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ শ্রদ্ধা নিবেদন ভারতের সংসদীয় ঐতিহ্যেরই অংশ। এরপর সবার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে খালেদা জিয়া তিনবার দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক পথচলা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে খালেদা জিয়া মারা যান। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় এসেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৮ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১০ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে