
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে আন্তর্জাতিক চুক্তি (এনপিটি) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ পরমাণু শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত সুফল না পাওয়ায় পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে ইরানের বেরিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। তেহরানের অভিযোগ, এই চুক্তির সদস্যপদ ইরানের জন্য কোনো সুবিধা বয়ে আনেনি; বরং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘গোয়েন্দাগিরির হাতিয়ারে’ পরিণত হয়েছে।
এনপিটির মূল উদ্দেশ্য সদস্য দেশগুলোকে শান্তিপূর্ণভাবে পরমাণু শক্তি ব্যবহারে সহায়তা করা হলেও ইরানের ক্ষেত্রে বাস্তবতা ভিন্ন বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। ইরানের অভিযোগ— ইসরায়েল কখনো এই চুক্তির সদস্য হয়নি এবং আন্তর্জাতিক মহল তাদের ওপর কোনো চাপও প্রয়োগ করেনি। অথচ ইরান সব সময় চুক্তির সদস্য হিসেবে স্বচ্ছতা বজায় রেখেছে।
আইআরজিসির বরাত দিয়ে তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) চুক্তির আওতায় ইরান অতিরিক্ত প্রটোকল মেনে আন্তর্জাতিক তদারকিও মেনে নিয়েছিল।
এনপিটির সদস্যপদ কার্যত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘গুপ্তচরবৃত্তি’তে সহায়তা করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে ইরান। এ ছাড়া শত্রুরা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) থেকে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করে ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু স্থাপনাগুলোতে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসিকে ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পুতুল’ হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র সমালোচনা করেছে তেহরান। গ্রোসি বলেছিলেন, একটি পারমাণবিক বোমা হামলায় ইরানের সব পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তার এ মন্তব্যকে ‘লজ্জাজনক’ ও ‘নির্মম’ বলে অভিহিত করে ইরান বলেছে, তিনি পরোক্ষভাবে ইরানে পারমাণবিক হামলার অনুমোদন দিয়েছেন।
পরমাণু বিশেষজ্ঞ ডেভিড অলব্রাইটের একটি পুরনো বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে তাসনিমের প্রতিবেদনে। অলব্রাইট দাবি করেছিলেন, আইএইএ পরিদর্শকেরা মূলত ‘যুক্তরাষ্ট্রের পদাতিক বাহিনী’ হিসেবে কাজ করেন। এই মন্তব্যের সূত্র ধরে ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করে চলা সংস্থার চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
ইরান পুনর্ব্যক্ত করেছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি ‘সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ’। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এনপিটি চুক্তিকে যদি ‘গোয়েন্দাগিরি ও অধিকার খর্বের হাতিয়ার’ হিসেবেই ব্যবহার করা হয়, তাহলে দ্রুতই এ চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে তেহরান।

পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে আন্তর্জাতিক চুক্তি (এনপিটি) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ পরমাণু শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত সুফল না পাওয়ায় পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে ইরানের বেরিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। তেহরানের অভিযোগ, এই চুক্তির সদস্যপদ ইরানের জন্য কোনো সুবিধা বয়ে আনেনি; বরং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘গোয়েন্দাগিরির হাতিয়ারে’ পরিণত হয়েছে।
এনপিটির মূল উদ্দেশ্য সদস্য দেশগুলোকে শান্তিপূর্ণভাবে পরমাণু শক্তি ব্যবহারে সহায়তা করা হলেও ইরানের ক্ষেত্রে বাস্তবতা ভিন্ন বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। ইরানের অভিযোগ— ইসরায়েল কখনো এই চুক্তির সদস্য হয়নি এবং আন্তর্জাতিক মহল তাদের ওপর কোনো চাপও প্রয়োগ করেনি। অথচ ইরান সব সময় চুক্তির সদস্য হিসেবে স্বচ্ছতা বজায় রেখেছে।
আইআরজিসির বরাত দিয়ে তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) চুক্তির আওতায় ইরান অতিরিক্ত প্রটোকল মেনে আন্তর্জাতিক তদারকিও মেনে নিয়েছিল।
এনপিটির সদস্যপদ কার্যত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘গুপ্তচরবৃত্তি’তে সহায়তা করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে ইরান। এ ছাড়া শত্রুরা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) থেকে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করে ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু স্থাপনাগুলোতে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসিকে ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পুতুল’ হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র সমালোচনা করেছে তেহরান। গ্রোসি বলেছিলেন, একটি পারমাণবিক বোমা হামলায় ইরানের সব পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তার এ মন্তব্যকে ‘লজ্জাজনক’ ও ‘নির্মম’ বলে অভিহিত করে ইরান বলেছে, তিনি পরোক্ষভাবে ইরানে পারমাণবিক হামলার অনুমোদন দিয়েছেন।
পরমাণু বিশেষজ্ঞ ডেভিড অলব্রাইটের একটি পুরনো বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে তাসনিমের প্রতিবেদনে। অলব্রাইট দাবি করেছিলেন, আইএইএ পরিদর্শকেরা মূলত ‘যুক্তরাষ্ট্রের পদাতিক বাহিনী’ হিসেবে কাজ করেন। এই মন্তব্যের সূত্র ধরে ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করে চলা সংস্থার চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
ইরান পুনর্ব্যক্ত করেছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি ‘সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ’। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এনপিটি চুক্তিকে যদি ‘গোয়েন্দাগিরি ও অধিকার খর্বের হাতিয়ার’ হিসেবেই ব্যবহার করা হয়, তাহলে দ্রুতই এ চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে তেহরান।

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা হামলা চালিয়ে দুটি মসজিদে আগুন দিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদসহ গ্রামের ভবনগুলোর দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগানও লিখেছেন তারা। রোববার ভোরে এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।
১৫ ঘণ্টা আগে
হামলায় বিরতির বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প সব সময়ই স্পষ্ট করে বলেছেন, কূটনৈতিক সমাধানই তার প্রথম পছন্দ। তবে ইরান যদি আন্তরিকভাবে আলোচনার টেবিলে না আসে, তাহলে কী ঘটতে পারে, সেটিও তিনি তাদের দেখিয়ে দিয়েছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে ব্র্যান্ডেনবার্গ গেটসংলগ্ন টিয়ারগার্টেন পার্ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২১ ঘণ্টা আগে
ইরানকে ঘিরে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজের কাছে যেটি সঠিক মনে হবে, সেটিই তিনি প্রকাশ করবেন। ব্রিটেনের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের বিরুদ্ধেও কথা বলতে তাঁর দ্বিধা থাকবে না।
১ দিন আগে