
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দ্বিতীয় মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশজুড়ে আবারও তীব্র হচ্ছে সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভ।
শনিবার (২৮ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের তিন হাজারেরও বেশি স্থানে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের ডাকে রাজপথে নামেন লাখো মানুষ। এই মিছিল ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর ‘নো কিংস’ আন্দোলনের তৃতীয় দফা কর্মসূচি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান অভিযান শুরুর এক মাস পূর্তিতে আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রগতিশীল নেতা বার্নি স্যান্ডার্স থেকে শুরু করে রক কিংবদন্তি ব্রুস স্প্রিংস্টিন পর্যন্ত সংহতি জানিয়েছেন।
বিশেষ করে মিনেসোটায় ফেডারেল অভিযানে দুই মার্কিন নাগরিকের নিহতের ঘটনা এবারের আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে। নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে শুরু করে ওয়াশিংটন ডিসি— সর্বত্রই ধ্বনিত হচ্ছে কর্তৃত্ববাদবিরোধী স্লোগান। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই বিশাল গণজমায়েত ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
‘নো কিংস’ ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ৫০ অঙ্গরাজ্যে ৩ হাজার ৩০০-এরও বেশি অনুষ্ঠান পরিকল্পনা করা হয়েছিল। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ওয়াশিংটন ডিসিতে বড় ভিড় হয়েছে। রোম, প্যারিস ও বার্লিনেও সমান্তরাল কর্মসূচি হয়েছে।
আয়োজকরা এবার বড় শহরের বাইরে রক্ষণশীল এলাকায়ও মানুষকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেছে। প্রগতিশীল অলাভজনক সংস্থা ইনডিভিজিবলের সহপ্রতিষ্ঠাতা লিয়া গ্রিনবার্গ বলেন, ‘এই সংগঠনের মূল গল্প হলো কতজন বিক্ষোভ করছেন তা নয়, বরং কোথায় করছেন তা।’
সবচেয়ে বড় বিক্ষোভটি হয়েছে মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস-সেন্ট পল এলাকায়। গত ডিসেম্বরে এই এলাকায় ট্রাম্পের ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’-এ ৩ হাজারের বেশি ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তা ঢুকে বলপূর্বক বহিষ্কার অভিযান চালিয়েছিল। জানুয়ারিতে সেই অভিযানে দুই মার্কিন নাগরিক অ্যালেক্স প্রেত্তি ও রেনি নিকোল গুড নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং শনিবারের সমাবেশে তাদের স্মরণ করা হয়।
মিনেসোটার সমাবেশে প্রগতিশীল সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বক্তৃতা দিয়েছেন। রক কিংবদন্তি ব্রুস স্প্রিংস্টিন ও লোকসংগীতশিল্পী জোয়ান বায়েজ সংগীত পরিবেশন করেছেন। অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো পূর্বে ধারণ করা ভিডিও বার্তায় বলেন, আপনাদের সাহস ও প্রতিশ্রুতি আমাদের সবাইকে অনুপ্রাণিত করেছে। সরকারি গুন্ডাদের সশস্ত্র হামলার মুখেও আপনারা বীরত্ব দেখিয়েছেন।
ওয়াশিংটন ডিসিতে লিঙ্কন মেমোরিয়াল ও ওয়াশিংটন মনুমেন্টের আশপাশে মিছিলকারীরা সাইনবোর্ড হাতে জমায়েত হয়েছেন। স্যান্ডার্স সমাবেশে বলেন, আমরা এই দেশকে কর্তৃত্ববাদ বা ধনকুবেরদের শাসনে ডুবে যেতে দেব না। আমেরিকায় আমরা জনগণই শাসন করব।
আগের দুই ‘নো কিংস’ মিছিল হয়েছিল গত বছর জুন ও অক্টোবরে, যেগুলোতে লাখো মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। এই বিক্ষোভ আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াচ্ছে।

দ্বিতীয় মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশজুড়ে আবারও তীব্র হচ্ছে সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভ।
শনিবার (২৮ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের তিন হাজারেরও বেশি স্থানে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের ডাকে রাজপথে নামেন লাখো মানুষ। এই মিছিল ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর ‘নো কিংস’ আন্দোলনের তৃতীয় দফা কর্মসূচি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান অভিযান শুরুর এক মাস পূর্তিতে আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রগতিশীল নেতা বার্নি স্যান্ডার্স থেকে শুরু করে রক কিংবদন্তি ব্রুস স্প্রিংস্টিন পর্যন্ত সংহতি জানিয়েছেন।
বিশেষ করে মিনেসোটায় ফেডারেল অভিযানে দুই মার্কিন নাগরিকের নিহতের ঘটনা এবারের আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে। নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে শুরু করে ওয়াশিংটন ডিসি— সর্বত্রই ধ্বনিত হচ্ছে কর্তৃত্ববাদবিরোধী স্লোগান। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই বিশাল গণজমায়েত ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
‘নো কিংস’ ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ৫০ অঙ্গরাজ্যে ৩ হাজার ৩০০-এরও বেশি অনুষ্ঠান পরিকল্পনা করা হয়েছিল। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ওয়াশিংটন ডিসিতে বড় ভিড় হয়েছে। রোম, প্যারিস ও বার্লিনেও সমান্তরাল কর্মসূচি হয়েছে।
আয়োজকরা এবার বড় শহরের বাইরে রক্ষণশীল এলাকায়ও মানুষকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেছে। প্রগতিশীল অলাভজনক সংস্থা ইনডিভিজিবলের সহপ্রতিষ্ঠাতা লিয়া গ্রিনবার্গ বলেন, ‘এই সংগঠনের মূল গল্প হলো কতজন বিক্ষোভ করছেন তা নয়, বরং কোথায় করছেন তা।’
সবচেয়ে বড় বিক্ষোভটি হয়েছে মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস-সেন্ট পল এলাকায়। গত ডিসেম্বরে এই এলাকায় ট্রাম্পের ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’-এ ৩ হাজারের বেশি ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তা ঢুকে বলপূর্বক বহিষ্কার অভিযান চালিয়েছিল। জানুয়ারিতে সেই অভিযানে দুই মার্কিন নাগরিক অ্যালেক্স প্রেত্তি ও রেনি নিকোল গুড নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং শনিবারের সমাবেশে তাদের স্মরণ করা হয়।
মিনেসোটার সমাবেশে প্রগতিশীল সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বক্তৃতা দিয়েছেন। রক কিংবদন্তি ব্রুস স্প্রিংস্টিন ও লোকসংগীতশিল্পী জোয়ান বায়েজ সংগীত পরিবেশন করেছেন। অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো পূর্বে ধারণ করা ভিডিও বার্তায় বলেন, আপনাদের সাহস ও প্রতিশ্রুতি আমাদের সবাইকে অনুপ্রাণিত করেছে। সরকারি গুন্ডাদের সশস্ত্র হামলার মুখেও আপনারা বীরত্ব দেখিয়েছেন।
ওয়াশিংটন ডিসিতে লিঙ্কন মেমোরিয়াল ও ওয়াশিংটন মনুমেন্টের আশপাশে মিছিলকারীরা সাইনবোর্ড হাতে জমায়েত হয়েছেন। স্যান্ডার্স সমাবেশে বলেন, আমরা এই দেশকে কর্তৃত্ববাদ বা ধনকুবেরদের শাসনে ডুবে যেতে দেব না। আমেরিকায় আমরা জনগণই শাসন করব।
আগের দুই ‘নো কিংস’ মিছিল হয়েছিল গত বছর জুন ও অক্টোবরে, যেগুলোতে লাখো মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। এই বিক্ষোভ আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াচ্ছে।

পারস্য উপসাগরের তলদেশে থাকা ইন্টারনেট ক্যাবল ও ক্লাউড অবকাঠামোকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে, বিশ্লেষকরা এটি সম্ভাব্য ‘গোপন হুমকি’ হিসেবে দেখছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
এবার যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনীমন্ত্রী জন ফেলান তার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন তার সরে দাঁড়ানোর খবর দিলেও একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান বলছে, তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
লড়াইয়ের বদলে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এখন মূলত "অবরোধ যুদ্ধ" চলছে, যেখানে দুই পক্ষই বাণিজ্যিক জাহাজ আটক ও জব্দে শক্তি প্রয়োগ করছে।
১২ ঘণ্টা আগে
সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ মিলে প্রায় পাঁচ লাখ কর্মী প্রথম দফার ভোটের কাজে নিযুক্ত হয়েছেন, যাকে বলা হচ্ছ ‘যুদ্ধপ্রস্তুতি’।
১৪ ঘণ্টা আগে